মোঃ সাইফুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ এপ্রিল ২০২৬
কুড়িগ্রামে র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার এবং এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান জেলাজুড়ে মাদক নির্মূলে চলমান কঠোর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়। এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে র্যাব-১৩ রংপুর বিভাগে মাদক নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ইতোমধ্যে বেশ কিছু সফলতা অর্জন করেছে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৪টা ৫০ মিনিটে পরিচালিত এই র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব ফুলবাড়ি গ্রামে সংঘটিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল নির্দিষ্ট স্থানে অভিযান চালায়। এসময় মৃত ফজলুল হকের পুত্র আতিকুর রহমান নয়নকে তার নিজ বসতবাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযান চলাকালে তার ঘরের খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৭৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যা একটি বড় মাদক চালান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আতিকুর রহমান নয়ন দীর্ঘদিন ধরে একটি সক্রিয় মাদক চক্রের সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতেন। এই র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান এর মাধ্যমে তার অবৈধ নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। উদ্ধারকৃত গাঁজার বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্য এবং এটি স্থানীয় মাদক ব্যবসার একটি বড় উৎস ছিল।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তার কার্যক্রম নজরদারির আওতায় আসে। র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান এর ধারাবাহিকতায় এমন আরও অভিযান পরিচালিত হলে এলাকায় মাদক ব্যবসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামি এবং জব্দকৃত গাঁজা ফুলবাড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানা গেছে। র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান এর মাধ্যমে কুড়িগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় মাদক নির্মূলে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

র্যাব-১৩ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রাম উন্নয়ন: দারিদ্র্য ও নদীভাঙনের দুষ্টচক্র ভাঙতে যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও চর ব্যবস্থাপনা জরুরি
কুড়িগ্রামে র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান: ৭৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার, গ্রেফতার ১
মোঃ সাইফুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার | ১৯ এপ্রিল ২০২৬
কুড়িগ্রামে র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযানে বিপুল পরিমাণ গাঁজা উদ্ধার এবং এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান জেলাজুড়ে মাদক নির্মূলে চলমান কঠোর কার্যক্রমের অংশ হিসেবে পরিচালিত হয়। এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে কাজ করে যাচ্ছে। বিশেষ করে র্যাব-১৩ রংপুর বিভাগে মাদক নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি এবং নিয়মিত অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে ইতোমধ্যে বেশ কিছু সফলতা অর্জন করেছে।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) ভোর আনুমানিক ৪টা ৫০ মিনিটে পরিচালিত এই র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব ফুলবাড়ি গ্রামে সংঘটিত হয়। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাবের একটি আভিযানিক দল নির্দিষ্ট স্থানে অভিযান চালায়। এসময় মৃত ফজলুল হকের পুত্র আতিকুর রহমান নয়নকে তার নিজ বসতবাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযান চলাকালে তার ঘরের খাটের নিচে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় ৭৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়, যা একটি বড় মাদক চালান হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
র্যাব সূত্রে জানা যায়, গ্রেফতারকৃত আতিকুর রহমান নয়ন দীর্ঘদিন ধরে একটি সক্রিয় মাদক চক্রের সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে গাঁজা সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করতেন। এই র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান এর মাধ্যমে তার অবৈধ নেটওয়ার্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ ভেঙে দেওয়া সম্ভব হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। উদ্ধারকৃত গাঁজার বাজারমূল্য উল্লেখযোগ্য এবং এটি স্থানীয় মাদক ব্যবসার একটি বড় উৎস ছিল।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, অভিযুক্ত ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে গোপনে মাদক ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে র্যাবের গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ায় তার কার্যক্রম নজরদারির আওতায় আসে। র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান এর ধারাবাহিকতায় এমন আরও অভিযান পরিচালিত হলে এলাকায় মাদক ব্যবসা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানকে স্বাগত জানিয়েছেন।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামি এবং জব্দকৃত গাঁজা ফুলবাড়ি থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলে জানা গেছে। র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান এর মাধ্যমে কুড়িগ্রামসহ আশপাশের এলাকায় মাদক নির্মূলে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।

র্যাব-১৩ এর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে। ভবিষ্যতেও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এ ধরনের অভিযান আরও জোরদার করা হবে। র্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান দেশের যুবসমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বলেও উল্লেখ করা হয়।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রাম উন্নয়ন: দারিদ্র্য ও নদীভাঙনের দুষ্টচক্র ভাঙতে যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও চর ব্যবস্থাপনা জরুরি