কালিয়াকৈরে উদ্বোধনের এক মাসেই সড়ক ধস: ঝুঁকিতে যান চলাচল, তদন্তের দাবি

মো: ইলিয়াস চৌধুরী, কালিয়াকৈর প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর–বড়ইবাড়ী আঞ্চলিক সড়কের কালিয়াদহ মকশ বিল এলাকায় সদ্য নির্মিত একটি ব্রিজের সংযোগ সড়কের অংশ উদ্বোধনের মাত্র এক মাসের মাথায় ধসে পড়েছে। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং কালিয়াকৈর সড়ক ধস নিয়ে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে এখন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে প্রতিদিনের শত শত যানবাহনকে।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজের দুই পাশের সংযোগ সড়কের একটি বড় অংশ ভেঙে নিচে দেবে গেছে। এতে সড়কের কার্যত একটি দিক প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই কালিয়াকৈর সড়ক ধস হঠাৎ ঘটায় রাতের বেলাতেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে যানবাহন অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ধীরগতিতে চলাচল করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৪ মে) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় সড়কের অংশটি ধসে পড়ে। সফিপুর–বড়ইবাড়ী আঞ্চলিক সড়কের মকশ বিল এলাকায় ৫৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ব্রিজটি নির্মাণ করে মেসার্স মোস্তফা কামাল অ্যান্ড সন্স এন্টারপ্রাইজ। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ কোটি ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৫১৭ টাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং তদারকির অভাবের কারণে অল্প সময়েই এমন কালিয়াকৈর সড়ক ধস ঘটেছে, যা প্রকল্পের মান নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে।
স্থানীয় চালক, পথচারী ও বাসিন্দারা জানান, ধসে পড়া অংশ দিয়ে এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। প্রতিদিন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও পণ্যবাহী গাড়িগুলোকে ভয় নিয়ে এই পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। তারা দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু এবং কালিয়াকৈর সড়ক ধস ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দায়ী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল আল মামুন বলেন, “অতিবৃষ্টির কারণে সড়কের অংশ ধসে পড়েছে। তবে কাজের মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে দ্রুত ধসে পড়া অংশ পুনরায় সংস্কার করা হবে।” স্থানীয়দের দাবি, এই ব্যাখ্যা সন্তোষজনক নয় এবং কালিয়াকৈর সড়ক ধসের পেছনে প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা জরুরি।

আরোও পড়ুন – ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সার্ভিস লেন দখল করে রমরমা ব্যবসা

কালিয়াকৈরে উদ্বোধনের এক মাসেই সড়ক ধস: ঝুঁকিতে যান চলাচল, তদন্তের দাবি

মে ৫, ২০২৬

মো: ইলিয়াস চৌধুরী, কালিয়াকৈর প্রতিনিধিঃ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর–বড়ইবাড়ী আঞ্চলিক সড়কের কালিয়াদহ মকশ বিল এলাকায় সদ্য নির্মিত একটি ব্রিজের সংযোগ সড়কের অংশ উদ্বোধনের মাত্র এক মাসের মাথায় ধসে পড়েছে। ঘটনাটি স্থানীয়ভাবে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে এবং কালিয়াকৈর সড়ক ধস নিয়ে সাধারণ মানুষ ও যানবাহন চালকদের মধ্যে চরম আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে এখন ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে প্রতিদিনের শত শত যানবাহনকে।

মঙ্গলবার (৫ মে) সকালে সরেজমিনে দেখা যায়, ব্রিজের দুই পাশের সংযোগ সড়কের একটি বড় অংশ ভেঙে নিচে দেবে গেছে। এতে সড়কের কার্যত একটি দিক প্রায় অচল হয়ে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই কালিয়াকৈর সড়ক ধস হঠাৎ ঘটায় রাতের বেলাতেই বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। বর্তমানে যানবাহন অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে ধীরগতিতে চলাচল করছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার (৪ মে) দিবাগত রাতের কোনো এক সময় সড়কের অংশটি ধসে পড়ে। সফিপুর–বড়ইবাড়ী আঞ্চলিক সড়কের মকশ বিল এলাকায় ৫৫ মিটার দৈর্ঘ্যের ব্রিজটি নির্মাণ করে মেসার্স মোস্তফা কামাল অ্যান্ড সন্স এন্টারপ্রাইজ। প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছিল ৫ কোটি ১৪ লাখ ৩১ হাজার ৫১৭ টাকা। স্থানীয়দের অভিযোগ, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার এবং তদারকির অভাবের কারণে অল্প সময়েই এমন কালিয়াকৈর সড়ক ধস ঘটেছে, যা প্রকল্পের মান নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে।
স্থানীয় চালক, পথচারী ও বাসিন্দারা জানান, ধসে পড়া অংশ দিয়ে এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। প্রতিদিন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও পণ্যবাহী গাড়িগুলোকে ভয় নিয়ে এই পথ ব্যবহার করতে হচ্ছে। তারা দ্রুত সংস্কার কাজ শুরু এবং কালিয়াকৈর সড়ক ধস ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দায়ী ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের মালিক মোহাম্মদ আব্দুল কাদেরের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী আব্দুল আল মামুন বলেন, “অতিবৃষ্টির কারণে সড়কের অংশ ধসে পড়েছে। তবে কাজের মেয়াদ এখনো শেষ হয়নি। ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে দিয়ে দ্রুত ধসে পড়া অংশ পুনরায় সংস্কার করা হবে।” স্থানীয়দের দাবি, এই ব্যাখ্যা সন্তোষজনক নয় এবং কালিয়াকৈর সড়ক ধসের পেছনে প্রকৃত কারণ উদঘাটন করা জরুরি।

আরোও পড়ুন – ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের সার্ভিস লেন দখল করে রমরমা ব্যবসা