মোঃআইয়ুব আলী,লালপুর (নাটোর)প্রতিনিধিঃ
নাটোর জেলার লালপুর উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্যোগে একটি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল স্থানীয় পর্যায়ে মাদক সেবন ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমন করা। বিশেষ এই মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে একজন ব্যক্তিকে মাদক সেবনের সময় হাতেনাতে আটক করা হয়, যা এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গত ৮ মে লালপুর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। এ সময় উপজেলার বালিতিতা ইসলামপুর গ্রামের মৃত হাজের প্রাং-এর ছেলে মোঃ হাবিব (৬০) কে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, এটি একটি পরিকল্পিত মাদকবিরোধী অভিযান ছিল, যার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলমান মাদক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে। অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামতও জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে আটককৃত ব্যক্তিকে লালপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবীর হোসেন-এর আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ যাচাই শেষে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এই মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে আদালত আসামিকে ১০০ (একশত) টাকা অর্থদণ্ড এবং ১ (এক) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। বিচার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন হওয়ায় এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, লালপুরে মাদক নির্মূল করতে ধারাবাহিকভাবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। শুধু গ্রেপ্তার নয়, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও আরও কঠোরভাবে চলবে, যাতে যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা যায়।
এলাকাবাসীর মতে, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হলে এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রি অনেকাংশে কমে আসবে। তারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন। বিশেষ করে স্কুল ও তরুণ সমাজকে কেন্দ্র করে মাদক প্রতিরোধে বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে পরিচালিত এই মাদকবিরোধী অভিযান স্থানীয়ভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, ধারাবাহিক অভিযান, দ্রুত বিচার এবং সামাজিক সচেতনতা একসাথে কাজ করলে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব। এই ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান শুধু অপরাধ দমনই নয়, বরং একটি নিরাপদ সমাজ গঠনের ভিত্তি তৈরি করে।
আরোও পড়ুন – সাপাহারে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জনের কারাদণ্ড
লালপুরে মাদকবিরোধী অভিযান: ১ জন আটক ও মোবাইল কোর্টে কারাদণ্ড
মোঃআইয়ুব আলী,লালপুর (নাটোর)প্রতিনিধিঃ
নাটোর জেলার লালপুর উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উদ্যোগে একটি মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হয়। এ অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল স্থানীয় পর্যায়ে মাদক সেবন ও মাদক সংশ্লিষ্ট অপরাধ দমন করা। বিশেষ এই মাদকবিরোধী অভিযান চলাকালে একজন ব্যক্তিকে মাদক সেবনের সময় হাতেনাতে আটক করা হয়, যা এলাকাবাসীর মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করে। স্থানীয় প্রশাসন জানায়, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবেই এ অভিযান পরিচালিত হয়।
গত ৮ মে লালপুর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালায়। এ সময় উপজেলার বালিতিতা ইসলামপুর গ্রামের মৃত হাজের প্রাং-এর ছেলে মোঃ হাবিব (৬০) কে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, এটি একটি পরিকল্পিত মাদকবিরোধী অভিযান ছিল, যার মাধ্যমে দীর্ঘদিন ধরে চলমান মাদক সমস্যা নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হচ্ছে। অভিযানের সময় ঘটনাস্থল থেকে প্রয়োজনীয় আলামতও জব্দ করা হয়।
পরবর্তীতে আটককৃত ব্যক্তিকে লালপুর উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবীর হোসেন-এর আদালতে হাজির করা হয়। সেখানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয় এবং সাক্ষ্য-প্রমাণ যাচাই শেষে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। এই মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে আদালত আসামিকে ১০০ (একশত) টাকা অর্থদণ্ড এবং ১ (এক) মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন। বিচার কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন হওয়ায় এলাকাবাসী সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় প্রশাসন জানায়, লালপুরে মাদক নির্মূল করতে ধারাবাহিকভাবে মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। শুধু গ্রেপ্তার নয়, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিতেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এ ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান ভবিষ্যতেও আরও কঠোরভাবে চলবে, যাতে যুব সমাজকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করা যায়।
এলাকাবাসীর মতে, নিয়মিত মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হলে এলাকায় মাদক সেবন ও বিক্রি অনেকাংশে কমে আসবে। তারা প্রশাসনের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং আরও কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন। বিশেষ করে স্কুল ও তরুণ সমাজকে কেন্দ্র করে মাদক প্রতিরোধে বিশেষ নজর দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
প্রশাসনের জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হিসেবে পরিচালিত এই মাদকবিরোধী অভিযান স্থানীয়ভাবে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তারা বলেন, ধারাবাহিক অভিযান, দ্রুত বিচার এবং সামাজিক সচেতনতা একসাথে কাজ করলে মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব। এই ধরনের মাদকবিরোধী অভিযান শুধু অপরাধ দমনই নয়, বরং একটি নিরাপদ সমাজ গঠনের ভিত্তি তৈরি করে।
আরোও পড়ুন – সাপাহারে মাদকবিরোধী অভিযানে ৪ জনের কারাদণ্ড