নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি: নাহিদ হাসান
নরসিংদীর পলাশে দশম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও পলাশে ধর্ষণ করার অভিযোগে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১৪ মে রাতে পলাশ থানার পূর্ব পলাশ দড়িহাওলাপাড়া এলাকায় এ লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অপরাধ দমনে স্থানীয় প্রশাসন এখন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী প্রতিদিনের ন্যায় দোকান থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে তাকে গতিরোধ করে প্রতিবেশী মিসাত শেখ ও তার সহযোগী মারুফ। এরপর তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নিকটস্থ একটি পরিত্যক্ত ঘরে আটকে রাখা হয়। সেখানে অভিযুক্ত মিসাত শেখ তাকে ধর্ষণ করে। পলাশে ধর্ষণ এর মতো এমন জঘন্য ঘটনা ঘটে যা স্থানীয় সমাজ ব্যবস্থায় গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
ভুক্তভোগীর আর্তচিৎকারে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে আসেন। এলাকাবাসীর সাহসিকতায় অভিযুক্ত মিসাত শেখকে হাতেনাতে আটক করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে তাকে পলাশ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। ভুক্তভোগীর মা শাহানাজ আক্তার বাদী হয়ে পলাশ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। পলাশে ধর্ষণ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে পলাশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহেদ আল-মামুন জানান, আজ ১৫ মে পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত ১ নম্বর আসামি মিসাত শেখকে আদালতে প্রেরণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকেই পলাশ থানা পুলিশ অত্যন্ত তৎপর রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের বিভিন্ন টিম মাঠে কাজ করছে। এ ধরনের জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করব যাতে ভুক্তভোগী পরিবার সঠিক বিচার পায়। অভিযুক্তদের শাস্তির আওতায় আনতে পুলিশ কোনো প্রকার গাফিলতি করবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে এই ধরণের অপরাধ প্রতিনিয়ত বেড়ে চলছে। সচেতন মহল মনে করছেন, আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে পারলে পলাশে ধর্ষণ এর মতো ভয়াবহ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনায় তার সুচিকিৎসা ও কাউন্সেলিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন মানবাধিকার কর্মীরা।
আরোও পড়ুন – পলাশে কিশোরী ধর্ষণ: রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ নির্যাতন, গ্রেফতার ১
নরসিংদির পলাশে স্কুল ছাত্রী ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামী গ্রেপ্তার
নরসিংদী জেলা প্রতিনিধি: নাহিদ হাসান
নরসিংদীর পলাশে দশম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে অপহরণ ও পলাশে ধর্ষণ করার অভিযোগে প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ১৪ মে রাতে পলাশ থানার পূর্ব পলাশ দড়িহাওলাপাড়া এলাকায় এ লোমহর্ষক ঘটনাটি ঘটে। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং স্থানীয়রা দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। অপরাধ দমনে স্থানীয় প্রশাসন এখন কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী প্রতিদিনের ন্যায় দোকান থেকে নিজ বাড়িতে ফেরার পথে তাকে গতিরোধ করে প্রতিবেশী মিসাত শেখ ও তার সহযোগী মারুফ। এরপর তাকে জোরপূর্বক তুলে নিয়ে নিকটস্থ একটি পরিত্যক্ত ঘরে আটকে রাখা হয়। সেখানে অভিযুক্ত মিসাত শেখ তাকে ধর্ষণ করে। পলাশে ধর্ষণ এর মতো এমন জঘন্য ঘটনা ঘটে যা স্থানীয় সমাজ ব্যবস্থায় গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে।
ভুক্তভোগীর আর্তচিৎকারে পরিবারের লোকজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলের দিকে ছুটে আসেন। এলাকাবাসীর সাহসিকতায় অভিযুক্ত মিসাত শেখকে হাতেনাতে আটক করা হয় এবং পরবর্তী সময়ে তাকে পলাশ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। ভুক্তভোগীর মা শাহানাজ আক্তার বাদী হয়ে পলাশ থানায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করেছেন। পলাশে ধর্ষণ মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে পলাশ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহেদ আল-মামুন জানান, আজ ১৫ মে পুলিশ গ্রেপ্তারকৃত ১ নম্বর আসামি মিসাত শেখকে আদালতে প্রেরণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, ঘটনার পর থেকেই পলাশ থানা পুলিশ অত্যন্ত তৎপর রয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িত অন্য আসামিদের আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশের বিভিন্ন টিম মাঠে কাজ করছে। এ ধরনের জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আমরা দ্রুত সময়ের মধ্যে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করব যাতে ভুক্তভোগী পরিবার সঠিক বিচার পায়। অভিযুক্তদের শাস্তির আওতায় আনতে পুলিশ কোনো প্রকার গাফিলতি করবে না বলে তিনি আশ্বস্ত করেছেন।
উল্লেখ্য যে, সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের কারণে এই ধরণের অপরাধ প্রতিনিয়ত বেড়ে চলছে। সচেতন মহল মনে করছেন, আইনের সঠিক প্রয়োগ এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে পারলে পলাশে ধর্ষণ এর মতো ভয়াবহ ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা সম্ভব হবে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বিবেচনায় তার সুচিকিৎসা ও কাউন্সেলিংয়ের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা জরুরি বলে মনে করছেন মানবাধিকার কর্মীরা।
আরোও পড়ুন – পলাশে কিশোরী ধর্ষণ: রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে সংঘবদ্ধ নির্যাতন, গ্রেফতার ১