মোঃ আলমগীর হোসাইন,বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, রংপুরঃ
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ৩ নং তিলাই ইউনিয়নে শুরু হয়েছে সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ঈদ উপহার হিসেবে ইউনিয়নের ৩ হাজার ৮৩০টি অসহায়, নিম্নআয়ের ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে উন্নতমানের চাল বিতরণ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে তিলাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে সুশৃঙ্খল পরিবেশে এ কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল থেকেই নারী-পুরুষের দীর্ঘ সারি দেখা যায় ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায়। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের তদারকিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চাল বিতরণ সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও সন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে। তিলাই ইউনিয়নে ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, সরকারের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে তালিকাভুক্ত পরিবারগুলোর মাঝে এই খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হলেও তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। বয়স্ক, বিধবা, দিনমজুর, প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্র পরিবারকে অগ্রাধিকার দিয়ে তালিকা তৈরি করা হয়। উপকারভোগীদের অনেকে জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে এই সহায়তা তাদের ঈদের প্রস্তুতিতে বড় সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। স্থানীয়দের মতে, তিলাই ইউনিয়নে ঈদ উপহার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসনের কড়াকড়ি নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
চাল বিতরণ কার্যক্রম তদারকিতে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম। এছাড়াও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, স্থানীয় সংসদ সদস্যের মনোনীত প্রতিনিধি, ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুর বারেকসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যরা। পুরো কার্যক্রমে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ইউনিয়ন পরিষদের কর্মচারীরাও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন। জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উপকারভোগীরা নির্ধারিত লাইনে দাঁড়িয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের বরাদ্দকৃত চাল সংগ্রহ করেন।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম বলেন, “সরকারের এই খাদ্য সহায়তা প্রকৃত অসহায় মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। প্রতিটি ওয়ার্ডে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে কেউ বঞ্চিত না হন।” তিনি আরও বলেন, সরকারি সহায়তার চাল কোনোভাবেই যেন অসাধু ব্যবসায়ী বা মজুতদারদের কাছে বিক্রি না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা চাল কেনাবেচার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিলাই ইউনিয়নে ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম শতভাগ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতার মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় সকাল থেকেই মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। তবে কোথাও বিশৃঙ্খলা বা ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেনি। সুবিধাভোগীদের অনেকেই বলেন, ঈদের আগে সরকারের এই সহায়তা তাদের পরিবারে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর জন্য চালের এই সহায়তা ঈদ উদযাপনে বাড়তি সহায়ক হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, নিয়মিত তদারকি ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় তিলাই ইউনিয়নে ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রামে নূরে মদিনা একাডেমিতে এখন ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী
ভূরুঙ্গামারীতে প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার: তিলাই ইউনিয়নে ৩৮৩০ পরিবার পেল ভিজিএফ চাল
মোঃ আলমগীর হোসাইন,বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, রংপুরঃ
পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার ৩ নং তিলাই ইউনিয়নে শুরু হয়েছে সরকারের ভিজিএফ কর্মসূচির আওতায় খাদ্য সহায়তা বিতরণ কার্যক্রম। প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ ঈদ উপহার হিসেবে ইউনিয়নের ৩ হাজার ৮৩০টি অসহায়, নিম্নআয়ের ও দুস্থ পরিবারের মাঝে ১০ কেজি করে উন্নতমানের চাল বিতরণ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে তিলাই ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে সুশৃঙ্খল পরিবেশে এ কার্যক্রম শুরু হয়। সকাল থেকেই নারী-পুরুষের দীর্ঘ সারি দেখা যায় ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায়। স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের তদারকিতে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে চাল বিতরণ সম্পন্ন হওয়ায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ও সন্তোষ লক্ষ্য করা গেছে। তিলাই ইউনিয়নে ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম ঘিরে পুরো এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে।
ইউনিয়ন পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, সরকারের বিশেষ বরাদ্দের আওতায় ইউনিয়নের ৯টি ওয়ার্ডে তালিকাভুক্ত পরিবারগুলোর মাঝে এই খাদ্য সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে। প্রতিটি পরিবারকে ১০ কেজি করে চাল দেওয়া হলেও তালিকা প্রস্তুতের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা। বয়স্ক, বিধবা, দিনমজুর, প্রতিবন্ধী ও হতদরিদ্র পরিবারকে অগ্রাধিকার দিয়ে তালিকা তৈরি করা হয়। উপকারভোগীদের অনেকে জানান, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সময়ে এই সহায়তা তাদের ঈদের প্রস্তুতিতে বড় সহায়ক হিসেবে কাজ করবে। স্থানীয়দের মতে, তিলাই ইউনিয়নে ঈদ উপহার কার্যক্রমে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে প্রশাসনের কড়াকড়ি নজরদারি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।
চাল বিতরণ কার্যক্রম তদারকিতে উপস্থিত ছিলেন ৩ নং তিলাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম। এছাড়াও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা করেন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, স্থানীয় সংসদ সদস্যের মনোনীত প্রতিনিধি, ৬ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য আব্দুর বারেকসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডের সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্যরা। পুরো কার্যক্রমে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ইউনিয়ন পরিষদের কর্মচারীরাও সক্রিয়ভাবে দায়িত্ব পালন করেন। জনপ্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে উপকারভোগীরা নির্ধারিত লাইনে দাঁড়িয়ে দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের বরাদ্দকৃত চাল সংগ্রহ করেন।
এ বিষয়ে চেয়ারম্যান কামরুল ইসলাম বলেন, “সরকারের এই খাদ্য সহায়তা প্রকৃত অসহায় মানুষের হাতে পৌঁছে দিতে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। প্রতিটি ওয়ার্ডে যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে কেউ বঞ্চিত না হন।” তিনি আরও বলেন, সরকারি সহায়তার চাল কোনোভাবেই যেন অসাধু ব্যবসায়ী বা মজুতদারদের কাছে বিক্রি না হয়, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে। কোনো ধরনের অনিয়ম বা চাল কেনাবেচার অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন। তার ভাষ্য অনুযায়ী, তিলাই ইউনিয়নে ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম শতভাগ স্বচ্ছ ও জবাবদিহিতার মধ্য দিয়ে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ইউনিয়ন পরিষদ এলাকায় সকাল থেকেই মানুষের উপস্থিতি বাড়তে থাকে। তবে কোথাও বিশৃঙ্খলা বা ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেনি। সুবিধাভোগীদের অনেকেই বলেন, ঈদের আগে সরকারের এই সহায়তা তাদের পরিবারে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারগুলোর জন্য চালের এই সহায়তা ঈদ উদযাপনে বাড়তি সহায়ক হবে। স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, নিয়মিত তদারকি ও স্বচ্ছ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পরিচালিত হওয়ায় তিলাই ইউনিয়নে ঈদ উপহার বিতরণ কার্যক্রম সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক সহায়তা কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় কঠোর নজরদারি অব্যাহত থাকবে।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রামে নূরে মদিনা একাডেমিতে এখন ৪ শতাধিক শিক্ষার্থী