ধামরাই প্রতিনিধিঃ
ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের নওগাঁও গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সালামের ছেলে আব্দুল লতিফকে ঘিরে এলাকাজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ভূমিদখল, হুমকি-ধামকি এবং প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছেন তিনি। “আব্দুল লতিফ অত্যাচার” নিয়ে এখন পুরো এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজনৈতিক ছত্রছায়া ব্যবহার করে তিনি বছরের পর বছর ধরে নিজের আধিপত্য বজায় রেখেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের শাসনামলে ধামরাই উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সুতিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী তুহিন আহমেদের ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে আব্দুল লতিফ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন। অভিযোগ রয়েছে, সেই সময় থেকেই তিনি নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এলাকাবাসী জানান, গরু চুরি, ঘরে সিদ কেটে চুরি, সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার নাম বারবার উঠে এসেছে। “আব্দুল লতিফ অত্যাচার” নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ থাকলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেতেন না।
এছাড়াও ২০১৯ সালে ধামরাইয়ের বালিথা এলাকায় রুমা চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে। ধামরাই থানার মামলা নম্বর ৪৩(৫)১৯ এর তথ্য উল্লেখ করে স্থানীয়রা বলেন, ওই ঘটনার পর কিছুদিন এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এরপরও থেমে থাকেননি তিনি। বরং সময়ের সঙ্গে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। “আব্দুল লতিফ অত্যাচার” এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ সামনে আসার পর।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন আব্দুল লতিফ। তবে স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, পরবর্তীতে বিএনপির কিছু সুবিধাবাদী নেতাকর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে তিনি আবারও এলাকায় নিজের প্রভাব বিস্তার শুরু করেন। অভিযোগ রয়েছে, নতুন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তিনি সাধারণ মানুষকে আবারও ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করেন। কেউ প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা, হামলা কিংবা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে চুপ করিয়ে রাখা হয় বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। এ কারণে অনেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
স্থানীয় কৃষক ও ভুক্তভোগীরা জানান, ফসলি জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কেটে বিক্রি, অন্যের জমি দখলের চেষ্টা এবং বিভিন্ন বিরোধে শক্তি প্রয়োগের মতো কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ তার বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিতে গেলেও পরে নানা চাপের মুখে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ রয়েছে। “আব্দুল লতিফ অত্যাচার” থেকে স্থায়ী মুক্তি চান জানিয়ে এলাকাবাসী প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল লতিফের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন।
আরোও পড়ুন – সিরাজদিখানে আওয়ামী লীগ নেতা মেহের আলী মেম্বারের খুঁটির জোর কোথায়!
ধামরাইয়ে আব্দুল লতিফের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী, ভূমিদখল ও সন্ত্রাসের অভিযোগ
ধামরাই প্রতিনিধিঃ
ঢাকা জেলার ধামরাই উপজেলার সুতিপাড়া ইউনিয়নের নওগাঁও গ্রামের বাসিন্দা আব্দুস সালামের ছেলে আব্দুল লতিফকে ঘিরে এলাকাজুড়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, ভূমিদখল, হুমকি-ধামকি এবং প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে রেখেছেন তিনি। “আব্দুল লতিফ অত্যাচার” নিয়ে এখন পুরো এলাকায় চরম ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, রাজনৈতিক ছত্রছায়া ব্যবহার করে তিনি বছরের পর বছর ধরে নিজের আধিপত্য বজায় রেখেছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের শাসনামলে ধামরাই উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক ও সুতিপাড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী তুহিন আহমেদের ঘনিষ্ঠ পরিচয়ে আব্দুল লতিফ এলাকায় প্রভাব বিস্তার করেন। অভিযোগ রয়েছে, সেই সময় থেকেই তিনি নানা অপকর্মের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। এলাকাবাসী জানান, গরু চুরি, ঘরে সিদ কেটে চুরি, সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ একাধিক অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে তার নাম বারবার উঠে এসেছে। “আব্দুল লতিফ অত্যাচার” নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষোভ থাকলেও ভয়ে কেউ মুখ খুলতে সাহস পেতেন না।
এছাড়াও ২০১৯ সালে ধামরাইয়ের বালিথা এলাকায় রুমা চেয়ারম্যানের বাড়ির সামনে ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে। ধামরাই থানার মামলা নম্বর ৪৩(৫)১৯ এর তথ্য উল্লেখ করে স্থানীয়রা বলেন, ওই ঘটনার পর কিছুদিন এলাকায় আলোচনা সৃষ্টি হলেও পরবর্তীতে রাজনৈতিক প্রভাবের কারণে বিষয়টি ধামাচাপা পড়ে যায়। অভিযোগ রয়েছে, এরপরও থেমে থাকেননি তিনি। বরং সময়ের সঙ্গে আরও বেপরোয়া হয়ে ওঠেন। “আব্দুল লতিফ অত্যাচার” এখন নতুন করে আলোচনায় এসেছে তার বিরুদ্ধে জমি দখল ও ফসলি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটার অভিযোগ সামনে আসার পর।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কিছুদিন আত্মগোপনে ছিলেন আব্দুল লতিফ। তবে স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, পরবর্তীতে বিএনপির কিছু সুবিধাবাদী নেতাকর্মীর সঙ্গে সম্পর্ক তৈরি করে তিনি আবারও এলাকায় নিজের প্রভাব বিস্তার শুরু করেন। অভিযোগ রয়েছে, নতুন রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে তিনি সাধারণ মানুষকে আবারও ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করেন। কেউ প্রতিবাদ করলে মিথ্যা মামলা, হামলা কিংবা বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে চুপ করিয়ে রাখা হয় বলে দাবি ভুক্তভোগীদের। এ কারণে অনেকেই নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
স্থানীয় কৃষক ও ভুক্তভোগীরা জানান, ফসলি জমি থেকে জোরপূর্বক মাটি কেটে বিক্রি, অন্যের জমি দখলের চেষ্টা এবং বিভিন্ন বিরোধে শক্তি প্রয়োগের মতো কর্মকাণ্ডের কারণে এলাকায় অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। সাধারণ মানুষ তার বিরুদ্ধে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিতে গেলেও পরে নানা চাপের মুখে পিছিয়ে আসতে বাধ্য হন বলে অভিযোগ রয়েছে। “আব্দুল লতিফ অত্যাচার” থেকে স্থায়ী মুক্তি চান জানিয়ে এলাকাবাসী প্রশাসন ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল লতিফের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগের বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে এলাকায় স্বস্তি ফিরে আসবে এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদে বসবাস করতে পারবেন।
আরোও পড়ুন – সিরাজদিখানে আওয়ামী লীগ নেতা মেহের আলী মেম্বারের খুঁটির জোর কোথায়!