শাহরিয়ার খান নাফিজ
বানিয়াচং, হবিগঞ্জ:
হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের চারপাশে দীর্ঘদিন ধরে চরম অব্যবস্থাপনার দৃশ্য বিরাজ করছে। শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণে নির্মিত এই স্মৃতিস্তম্ভের পাশে এখন জমেছে ময়লার স্তুপ, প্লাস্টিকজাত বর্জ্য, বোতল ও নানান ব্যবহৃত সামগ্রী। আশপাশে ছড়িয়ে থাকা আবর্জনা এবং জমে থাকা জলজ আগাছা দেখে মনে হয় দীর্ঘ সময় ধরে এখানে কোনো ধরনের পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যে স্থান দেশের ভাষা শহীদদের স্মরণে নির্মিত, সেখানে এমন চিত্র স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
শহীদ মিনারের পাশেই উপজেলা প্রশাসনের একটি ব্যানার টানানো রয়েছে, যেখানে স্পষ্টভাবে লেখা আছে—এই পুকুর পাড়ে ময়লা-আবর্জনা ফেলা নিষেধ। কিন্তু সেই সতর্কবার্তা বাস্তবে কোনো প্রভাব ফেলছে না। ব্যানারের নিচেই স্তূপাকার ময়লা পড়ে থাকে দিনের পর দিন। স্থানীয়রা মনে করছেন, শুধু নিষেধাজ্ঞার ব্যানার টানিয়ে দায়িত্ব শেষ করেছে প্রশাসন; নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বা পরিবেশ রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
স্থানীয় শিক্ষার্থীরা বিষয়টিকে জাতীয় চেতনার প্রতি অবহেলা হিসেবে দেখছেন। জনাব আলী সরকারি কলেজের ছাত্র প্রিয় দেবনাথ জানান, শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে আসার মতো পরিবেশ এখন আর নেই। চারপাশে ময়লা-আবর্জনা দেখলে মনে হয় জায়গাটি পুরোপুরি অবহেলিত। তার মতে, এটি শুধু অব্যবস্থাপনা নয়, জাতির প্রতি অসম্মানও বটে। একইভাবে স্থানীয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, শিক্ষামূলক ভ্রমণ বা শ্রদ্ধা প্রকাশ করার জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পরিবেশ আর উপযোগী নয়, যার ফলে নতুন প্রজন্ম শহীদদের ইতিহাস ও চেতনার সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ না থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। নাগরিক সচেতন মহল দাবি করেছেন, শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকাটি নিয়মিত পরিচ্ছন্ন, সংরক্ষিত ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় রাখার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। শহীদ মিনার কোনো সাধারণ স্থাপনা নয়; এটি জাতির আত্মত্যাগ, সম্মান ও গৌরবের প্রতীক। এর চারপাশ নোংরা থাকা জাতীয় চেতনাকে আঘাত করে এবং প্রশাসনের দায়িত্বহীনতাকেও স্পষ্ট করে তোলে। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিবেশের পাশাপাশি জাতীয় মূল্যবোধও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
আরোও পড়ুন – বানিয়াচংয়ে অতিথি পাখি শিকার বন্ধে উদ্বিগ্ন পরিবেশপ্রেমীরা
বানিয়াচং কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে চরম অব্যবস্থাপনা: ময়লার স্তুপে নষ্ট হচ্ছে জাতীয় চেতনা
শাহরিয়ার খান নাফিজ
বানিয়াচং, হবিগঞ্জ:
হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলায় অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের চারপাশে দীর্ঘদিন ধরে চরম অব্যবস্থাপনার দৃশ্য বিরাজ করছে। শহীদদের আত্মত্যাগ স্মরণে নির্মিত এই স্মৃতিস্তম্ভের পাশে এখন জমেছে ময়লার স্তুপ, প্লাস্টিকজাত বর্জ্য, বোতল ও নানান ব্যবহৃত সামগ্রী। আশপাশে ছড়িয়ে থাকা আবর্জনা এবং জমে থাকা জলজ আগাছা দেখে মনে হয় দীর্ঘ সময় ধরে এখানে কোনো ধরনের পরিচ্ছন্নতার উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। যে স্থান দেশের ভাষা শহীদদের স্মরণে নির্মিত, সেখানে এমন চিত্র স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
শহীদ মিনারের পাশেই উপজেলা প্রশাসনের একটি ব্যানার টানানো রয়েছে, যেখানে স্পষ্টভাবে লেখা আছে—এই পুকুর পাড়ে ময়লা-আবর্জনা ফেলা নিষেধ। কিন্তু সেই সতর্কবার্তা বাস্তবে কোনো প্রভাব ফেলছে না। ব্যানারের নিচেই স্তূপাকার ময়লা পড়ে থাকে দিনের পর দিন। স্থানীয়রা মনে করছেন, শুধু নিষেধাজ্ঞার ব্যানার টানিয়ে দায়িত্ব শেষ করেছে প্রশাসন; নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা বা পরিবেশ রক্ষার কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
স্থানীয় শিক্ষার্থীরা বিষয়টিকে জাতীয় চেতনার প্রতি অবহেলা হিসেবে দেখছেন। জনাব আলী সরকারি কলেজের ছাত্র প্রিয় দেবনাথ জানান, শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানাতে আসার মতো পরিবেশ এখন আর নেই। চারপাশে ময়লা-আবর্জনা দেখলে মনে হয় জায়গাটি পুরোপুরি অবহেলিত। তার মতে, এটি শুধু অব্যবস্থাপনা নয়, জাতির প্রতি অসম্মানও বটে। একইভাবে স্থানীয় শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন, শিক্ষামূলক ভ্রমণ বা শ্রদ্ধা প্রকাশ করার জন্য কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পরিবেশ আর উপযোগী নয়, যার ফলে নতুন প্রজন্ম শহীদদের ইতিহাস ও চেতনার সাথে পরিচিত হওয়ার সুযোগ হারাচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে এ পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান উদ্যোগ না থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা বাড়ছে। নাগরিক সচেতন মহল দাবি করেছেন, শহীদ মিনার সংলগ্ন এলাকাটি নিয়মিত পরিচ্ছন্ন, সংরক্ষিত ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায় রাখার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। শহীদ মিনার কোনো সাধারণ স্থাপনা নয়; এটি জাতির আত্মত্যাগ, সম্মান ও গৌরবের প্রতীক। এর চারপাশ নোংরা থাকা জাতীয় চেতনাকে আঘাত করে এবং প্রশাসনের দায়িত্বহীনতাকেও স্পষ্ট করে তোলে। দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ না নিলে পরিবেশের পাশাপাশি জাতীয় মূল্যবোধও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
আরোও পড়ুন – বানিয়াচংয়ে অতিথি পাখি শিকার বন্ধে উদ্বিগ্ন পরিবেশপ্রেমীরা