কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখা বিপুল পরিমাণ এসিড জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পালংখালী বাজারের দক্ষিণ স্টেশন এলাকার জাকারিয়া (আলছমি) মার্কেটের নিচতলার একটি ভাড়া করা দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গুদাম থেকে ৩,২০০ লিটার এসিড উদ্ধার
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী এবং র্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি চালায়।
এসময় আক্তার হোসেন (৩২) নামে এক ব্যক্তির ভাড়া নেওয়া গুদাম থেকে আনুমানিক ৩ হাজার ২০০ লিটার এসিড জব্দ করা হয়। এসব এসিড ১০০টি ৩০ লিটারের জেরিকেনে সংরক্ষিত ছিল।
অভিযানের সময় আক্তার হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। পরে উখিয়া থানার এসআই শুভ পাল ঘটনাস্থলে পৌঁছে জব্দকৃত আলামত হেফাজতে নেন।
নিরাপত্তার স্বার্থে দোকানটি তালাবদ্ধ করে স্থানীয়দের জিম্মায় রাখা হয় এবং পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে, এসব রাসায়নিক দ্রব্য মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম থেকে এসব রাসায়নিক এনে গোপনে সীমান্ত দিয়ে পাচার করা হচ্ছিল এবং রাতের বেলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় সরানো হতো।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় চক্রগুলো মিয়ানমারের আরাকান আর্মি (এএ) সহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছে এসব রাসায়নিক পাচার করে থাকে।
এসব এসিড মাদক (ইয়াবা, আইস) ও বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উখিয়া থানার এসআই শুভ পাল জানান,
“গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ এসিড জব্দ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
ইউপি চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন,
“প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এগুলো পাচারের জন্য মজুদ করা হয়েছিল। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।”
সচেতন মহল বলছে, জব্দকৃত এসিড ঘটনাস্থলেই রেখে দেওয়ায় তা পুনরায় পাচার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পুলিশ জানিয়েছে, যথাযথ কাগজপত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে মালিক আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জব্দকৃত মালামাল ফেরত নিতে পারবেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
আরোও পড়ুন – কক্সবাজারে বিজিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ১৪,১২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪

উখিয়া সীমান্তে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ ৩,২০০ লিটার এসিড জব্দ
কক্সবাজার প্রতিনিধিঃ
কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার পালংখালী সীমান্ত এলাকায় মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করে রাখা বিপুল পরিমাণ এসিড জব্দ করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার পালংখালী বাজারের দক্ষিণ স্টেশন এলাকার জাকারিয়া (আলছমি) মার্কেটের নিচতলার একটি ভাড়া করা দোকানে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
গুদাম থেকে ৩,২০০ লিটার এসিড উদ্ধার
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পালংখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী এবং র্যাব-১৫ এর একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তল্লাশি চালায়।
এসময় আক্তার হোসেন (৩২) নামে এক ব্যক্তির ভাড়া নেওয়া গুদাম থেকে আনুমানিক ৩ হাজার ২০০ লিটার এসিড জব্দ করা হয়। এসব এসিড ১০০টি ৩০ লিটারের জেরিকেনে সংরক্ষিত ছিল।
অভিযানের সময় আক্তার হোসেন ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন না। পরে উখিয়া থানার এসআই শুভ পাল ঘটনাস্থলে পৌঁছে জব্দকৃত আলামত হেফাজতে নেন।
নিরাপত্তার স্বার্থে দোকানটি তালাবদ্ধ করে স্থানীয়দের জিম্মায় রাখা হয় এবং পরীক্ষার জন্য নমুনা সংগ্রহ করে থানায় নেওয়া হয়েছে।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে ধারণা করা হচ্ছে, এসব রাসায়নিক দ্রব্য মিয়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে মজুদ করা হয়েছিল।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম থেকে এসব রাসায়নিক এনে গোপনে সীমান্ত দিয়ে পাচার করা হচ্ছিল এবং রাতের বেলায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় সরানো হতো।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তবর্তী এলাকায় সক্রিয় চক্রগুলো মিয়ানমারের আরাকান আর্মি (এএ) সহ বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছে এসব রাসায়নিক পাচার করে থাকে।
এসব এসিড মাদক (ইয়াবা, আইস) ও বিস্ফোরক তৈরিতে ব্যবহৃত হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
উখিয়া থানার এসআই শুভ পাল জানান,
“গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ এসিড জব্দ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”
ইউপি চেয়ারম্যান এম গফুর উদ্দিন চৌধুরী বলেন,
“প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে এগুলো পাচারের জন্য মজুদ করা হয়েছিল। তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।”
সচেতন মহল বলছে, জব্দকৃত এসিড ঘটনাস্থলেই রেখে দেওয়ায় তা পুনরায় পাচার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে। দ্রুত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
পুলিশ জানিয়েছে, যথাযথ কাগজপত্র প্রদর্শনের মাধ্যমে মালিক আইনগত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে জব্দকৃত মালামাল ফেরত নিতে পারবেন। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন।
আরোও পড়ুন – কক্সবাজারে বিজিবির মাদকবিরোধী অভিযান: ১৪,১২০ পিস ইয়াবা উদ্ধার, আটক ৪
