চিলমারীতে ইয়াবা উদ্ধার: বিশেষ অভিযানে ৫৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

মোঃ আলমগীর হোসাইন,বিভাগীয় প্রধান (রংপুর)

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে চিলমারী মডেল থানা পুলিশ। শনিবার (৯ মে) বিকেলে উপজেলার রমনা ইউনিয়নের তেলিপাড়া চৌরাস্তা মোড় এলাকায় পরিচালিত অভিযানে রুবেল মিয়া (৩০) নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে চিলমারীতে ইয়াবা উদ্ধার হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা দেখা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে তেলিপাড়া চৌরাস্তা মোড় এলাকায় অবস্থিত ‘মায়ের দোয়া হোটেল’-এর সামনে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চিলমারী মডেল থানার এসআই দিলীপ চন্দ্র বর্মন ও এসআই আরিফ মাহমুদ আপেল। এ সময় সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি নগদ ৬ হাজার ৮৮০ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি মাদক কেনাবেচার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এ ঘটনায় চিলমারীতে ইয়াবা উদ্ধার অভিযানের গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আটক রুবেল মিয়া উপজেলার তেলিপাড়া (খড়খরিয়া) এলাকার নুর জামালের ছেলে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই গোপনে মাদক কারবার পরিচালনার অভিযোগ ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানের কারণে মাদক ব্যবসায়ীরা চাপে রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকলে তরুণ সমাজ অনেকাংশে সুরক্ষিত থাকবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী ও নদীবেষ্টিত অঞ্চলে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এদিকে চিলমারীতে ইয়াবা উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলেও মন্তব্য করেন অনেকে।

চিলমারী মডেল থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, মাদক নির্মূলে পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে তথ্য দিতে স্থানীয় জনগণকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ বলছে, মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি সন্দেহভাজন স্থানগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সামাজিক সচেতনতাও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। সর্বশেষ এই চিলমারীতে ইয়াবা উদ্ধার অভিযানে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরোও পড়ুন – তানোরে ২৯ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

চিলমারীতে ইয়াবা উদ্ধার: বিশেষ অভিযানে ৫৭ পিস ইয়াবাসহ আটক ১

মে ১০, ২০২৬

মোঃ আলমগীর হোসাইন,বিভাগীয় প্রধান (রংপুর)

কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ এক ব্যক্তিকে আটক করেছে চিলমারী মডেল থানা পুলিশ। শনিবার (৯ মে) বিকেলে উপজেলার রমনা ইউনিয়নের তেলিপাড়া চৌরাস্তা মোড় এলাকায় পরিচালিত অভিযানে রুবেল মিয়া (৩০) নামে ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়। স্থানীয়দের মধ্যে এ ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে এলাকায় মাদকবিরোধী কার্যক্রম জোরদার করায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। বিশেষ করে চিলমারীতে ইয়াবা উদ্ধার হওয়ায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা দেখা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে তেলিপাড়া চৌরাস্তা মোড় এলাকায় অবস্থিত ‘মায়ের দোয়া হোটেল’-এর সামনে অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন চিলমারী মডেল থানার এসআই দিলীপ চন্দ্র বর্মন ও এসআই আরিফ মাহমুদ আপেল। এ সময় সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে তল্লাশি করা হলে তার কাছ থেকে ৫৭ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। পাশাপাশি নগদ ৬ হাজার ৮৮০ টাকা ও একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তি মাদক কেনাবেচার সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। এ ঘটনায় চিলমারীতে ইয়াবা উদ্ধার অভিযানের গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

আটক রুবেল মিয়া উপজেলার তেলিপাড়া (খড়খরিয়া) এলাকার নুর জামালের ছেলে বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই গোপনে মাদক কারবার পরিচালনার অভিযোগ ছিল। তবে সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানের কারণে মাদক ব্যবসায়ীরা চাপে রয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান অব্যাহত থাকলে তরুণ সমাজ অনেকাংশে সুরক্ষিত থাকবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী ও নদীবেষ্টিত অঞ্চলে মাদক প্রবেশ ঠেকাতে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী। এদিকে চিলমারীতে ইয়াবা উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় সাধারণ মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলেও মন্তব্য করেন অনেকে।

চিলমারী মডেল থানার একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, মাদক নির্মূলে পুলিশের চলমান বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে তথ্য দিতে স্থানীয় জনগণকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ বলছে, মাদকের বিস্তার রোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি সন্দেহভাজন স্থানগুলোতে নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং তরুণদের মাদক থেকে দূরে রাখতে সামাজিক সচেতনতাও বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করা হচ্ছে। সর্বশেষ এই চিলমারীতে ইয়াবা উদ্ধার অভিযানে পুলিশের ভূমিকার প্রশংসা করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

আরোও পড়ুন – তানোরে ২৯ পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার