বালুর বদলে ময়লা আবর্জনা দিয়ে পাগলা-জালকুড়ি রাস্তা মেরামতের অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক পাগলা-জালকুড়ি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকলেও সম্প্রতি এই সড়ক মেরামতের নামে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বালু বা উপযুক্ত নির্মাণ সামগ্রীর পরিবর্তে ময়লা-আবর্জনা ও মাটির স্তুপ দিয়ে সড়ক ভরাট করা হচ্ছে, যা শুধু নিম্নমানের কাজই নয়, বরং জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

পাগলা বাজার থেকে নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের জালকুড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত এই পাগলা-জালকুড়ি সড়কটি প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের প্রধান পথ। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু বছরের পর বছর সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে থাকায় সড়কটি ভাঙাচোরা ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে, ফলে এলাকাবাসীকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

বিশেষ করে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনের অংশ এবং চিতাশাল থেকে দেলপাড়া পর্যন্ত সড়কের অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। খানাখন্দে ভরা এই অংশগুলোতে প্রায়ই অটোরিকশা, মিশুকসহ ছোট যানবাহনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়, তখন কাদা ও পানিতে সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তির প্রতিবাদে স্থানীয় তরুণ সংগঠক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ একত্রিত হয়ে চিতাশাল এলাকায় মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। তাদের মূল দাবি ছিল, দ্রুত এবং মানসম্মতভাবে পাগলা-জালকুড়ি সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করা। এ কর্মসূচির ফলে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়।

পরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে ১৫ দিনের মধ্যে সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন। তার এই প্রতিশ্রুতির পর স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয় যে, অবশেষে বহু প্রতীক্ষিত এই সড়কটি সংস্কার হবে এবং দুর্ভোগ কমবে।

কিন্তু ৩০ মার্চ (সোমবার) কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনের অংশে সড়ক মেরামতের যে চিত্র দেখা যায়, তা স্থানীয়দের হতাশ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বালুর পরিবর্তে ময়লা, পলিথিন, কাপড়ের টুকরো এবং মাটির মিশ্রণ দিয়ে সড়ক ভরাট করা হচ্ছে। প্রকাশ্য দিবালোকে এমন কাজ চলতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই ধরনের নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে সড়ক মেরামত করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। বরং অল্পদিনের মধ্যেই সড়কটি আবারও দেবে যাবে এবং আগের মতোই চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠবে। এতে করে সরকারি অর্থের অপচয় হওয়ার পাশাপাশি জনদুর্ভোগও বাড়বে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “বছরের পর বছর আমরা কষ্ট করে এই পাগলা-জালকুড়ি সড়ক ব্যবহার করছি। এখন যখন কাজ শুরু হয়েছে, তখন যদি ঠিকমতো কাজ না হয়, তাহলে আমাদের কষ্ট আরও বাড়বে। ময়লা দিয়ে রাস্তা বানালে সেটা কতদিন টিকবে?”

আরেকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই ময়লার মধ্যে এত পলিথিন আর কাপড়ের টুকরো রয়েছে, এগুলো দিয়ে কি কোনোদিন ভালো রাস্তা হয়? এটা কি সরকারের প্রকল্প, নাকি ঠিকাদারের প্রতারণা—তা আমরা জানতে চাই।”

স্থানীয়দের ধারণা, এই কাজটি যদি প্রকৃতপক্ষে সরকারি প্রকল্পের আওতায় হয়ে থাকে, তাহলে এর মান ও উপকরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি। অন্যদিকে, যদি ঠিকাদার নিজ উদ্যোগে নিম্নমানের কাজ করে থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও পাগলা-জালকুড়ি সড়কের এই অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় ফেসবুক গ্রুপ ও পেজগুলোতে ছবিসহ পোস্ট দিয়ে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকেই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

সড়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সড়ক টেকসই করতে হলে নির্দিষ্ট মানের উপকরণ ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। বালু, পাথর ও অন্যান্য নির্ধারিত উপকরণের পরিবর্তে ময়লা বা বর্জ্য ব্যবহার করলে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় এবং সড়কের স্থায়িত্ব থাকে না। ফলে একই সড়কে বারবার সংস্কার করতে হয়, যা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকাও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, সড়ক নির্মাণ বা সংস্কারের সময় নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা হলে এ ধরনের অনিয়ম অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

এলাকাবাসী এখন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার প্রশাসন, বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানতে চাইছেন—পাগলা-জালকুড়ি সড়কে ব্যবহৃত এই ময়লা-আবর্জনা আদৌ কি সরকারি বাজেটের অংশ, নাকি এটি কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির ফল? তারা দ্রুত এ বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

একইসঙ্গে তারা সড়কটির মানসম্মত সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার জন্য জোর দাবি জানান। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এই অনিয়ম বন্ধ করবেন এবং একটি টেকসই, নিরাপদ সড়ক উপহার দেবেন।

পাগলা-জালকুড়ি সড়কটি শুধু একটি রাস্তা নয়, এটি হাজারো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। তাই এর সংস্কার কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি মেনে নেওয়া যায় না। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং সড়কটি মানসম্মতভাবে পুনর্নির্মাণ করা হোক—যাতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে।

বালুর বদলে ময়লা আবর্জনা দিয়ে পাগলা-জালকুড়ি রাস্তা মেরামতের অভিযোগে তীব্র ক্ষোভ

মার্চ ৩০, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়ক পাগলা-জালকুড়ি দীর্ঘদিন ধরে বেহাল অবস্থায় পড়ে থাকলেও সম্প্রতি এই সড়ক মেরামতের নামে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, বালু বা উপযুক্ত নির্মাণ সামগ্রীর পরিবর্তে ময়লা-আবর্জনা ও মাটির স্তুপ দিয়ে সড়ক ভরাট করা হচ্ছে, যা শুধু নিম্নমানের কাজই নয়, বরং জনদুর্ভোগ আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে।

পাগলা বাজার থেকে নারায়ণগঞ্জ লিংক রোডের জালকুড়ি পর্যন্ত বিস্তৃত এই পাগলা-জালকুড়ি সড়কটি প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষের যাতায়াতের প্রধান পথ। কর্মজীবী মানুষ, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এই সড়ক ব্যবহার করে থাকেন। কিন্তু বছরের পর বছর সংস্কারহীন অবস্থায় পড়ে থাকায় সড়কটি ভাঙাচোরা ও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে ওঠে, ফলে এলাকাবাসীকে প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

বিশেষ করে কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনের অংশ এবং চিতাশাল থেকে দেলপাড়া পর্যন্ত সড়কের অবস্থা ছিল অত্যন্ত নাজুক। খানাখন্দে ভরা এই অংশগুলোতে প্রায়ই অটোরিকশা, মিশুকসহ ছোট যানবাহনের দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির সময় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ নেয়, তখন কাদা ও পানিতে সড়ক চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ে।

এই দীর্ঘদিনের ভোগান্তির প্রতিবাদে স্থানীয় তরুণ সংগঠক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এবং বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ একত্রিত হয়ে চিতাশাল এলাকায় মানববন্ধন ও সড়ক অবরোধ কর্মসূচি পালন করেন। তাদের মূল দাবি ছিল, দ্রুত এবং মানসম্মতভাবে পাগলা-জালকুড়ি সড়কের সংস্কার কাজ শুরু করা। এ কর্মসূচির ফলে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ হয়।

পরে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন এলাকাবাসীর সঙ্গে আলোচনা করে ১৫ দিনের মধ্যে সড়ক মেরামতের কাজ শুরু করার আশ্বাস দেন। তার এই প্রতিশ্রুতির পর স্থানীয়দের মধ্যে আশার সঞ্চার হয় যে, অবশেষে বহু প্রতীক্ষিত এই সড়কটি সংস্কার হবে এবং দুর্ভোগ কমবে।

কিন্তু ৩০ মার্চ (সোমবার) কুতুবপুর ইউনিয়ন পরিষদের সামনের অংশে সড়ক মেরামতের যে চিত্র দেখা যায়, তা স্থানীয়দের হতাশ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বালুর পরিবর্তে ময়লা, পলিথিন, কাপড়ের টুকরো এবং মাটির মিশ্রণ দিয়ে সড়ক ভরাট করা হচ্ছে। প্রকাশ্য দিবালোকে এমন কাজ চলতে দেখে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, এই ধরনের নিম্নমানের উপকরণ দিয়ে সড়ক মেরামত করলে তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। বরং অল্পদিনের মধ্যেই সড়কটি আবারও দেবে যাবে এবং আগের মতোই চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠবে। এতে করে সরকারি অর্থের অপচয় হওয়ার পাশাপাশি জনদুর্ভোগও বাড়বে।

স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “বছরের পর বছর আমরা কষ্ট করে এই পাগলা-জালকুড়ি সড়ক ব্যবহার করছি। এখন যখন কাজ শুরু হয়েছে, তখন যদি ঠিকমতো কাজ না হয়, তাহলে আমাদের কষ্ট আরও বাড়বে। ময়লা দিয়ে রাস্তা বানালে সেটা কতদিন টিকবে?”

আরেকজন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “এই ময়লার মধ্যে এত পলিথিন আর কাপড়ের টুকরো রয়েছে, এগুলো দিয়ে কি কোনোদিন ভালো রাস্তা হয়? এটা কি সরকারের প্রকল্প, নাকি ঠিকাদারের প্রতারণা—তা আমরা জানতে চাই।”

স্থানীয়দের ধারণা, এই কাজটি যদি প্রকৃতপক্ষে সরকারি প্রকল্পের আওতায় হয়ে থাকে, তাহলে এর মান ও উপকরণ নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি। অন্যদিকে, যদি ঠিকাদার নিজ উদ্যোগে নিম্নমানের কাজ করে থাকেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও পাগলা-জালকুড়ি সড়কের এই অনিয়মের বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয় ফেসবুক গ্রুপ ও পেজগুলোতে ছবিসহ পোস্ট দিয়ে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। অনেকেই প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দ্রুত তদন্তের দাবি জানিয়েছেন।

সড়ক বিশেষজ্ঞদের মতে, একটি সড়ক টেকসই করতে হলে নির্দিষ্ট মানের উপকরণ ব্যবহার করা অত্যন্ত জরুরি। বালু, পাথর ও অন্যান্য নির্ধারিত উপকরণের পরিবর্তে ময়লা বা বর্জ্য ব্যবহার করলে তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যায় এবং সড়কের স্থায়িত্ব থাকে না। ফলে একই সড়কে বারবার সংস্কার করতে হয়, যা অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিকর।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকাও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সচেতন মহল। তাদের মতে, সড়ক নির্মাণ বা সংস্কারের সময় নিয়মিত তদারকি নিশ্চিত করা হলে এ ধরনের অনিয়ম অনেকাংশে প্রতিরোধ করা সম্ভব।

এলাকাবাসী এখন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার প্রশাসন, বিশেষ করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জানতে চাইছেন—পাগলা-জালকুড়ি সড়কে ব্যবহৃত এই ময়লা-আবর্জনা আদৌ কি সরকারি বাজেটের অংশ, নাকি এটি কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির ফল? তারা দ্রুত এ বিষয়ে স্বচ্ছ তদন্ত ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।

একইসঙ্গে তারা সড়কটির মানসম্মত সংস্কার কাজ সম্পন্ন করার জন্য জোর দাবি জানান। তাদের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত ব্যবস্থা নিয়ে এই অনিয়ম বন্ধ করবেন এবং একটি টেকসই, নিরাপদ সড়ক উপহার দেবেন।

পাগলা-জালকুড়ি সড়কটি শুধু একটি রাস্তা নয়, এটি হাজারো মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে জড়িত একটি গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো। তাই এর সংস্কার কাজে কোনো ধরনের অনিয়ম বা গাফিলতি মেনে নেওয়া যায় না। এলাকাবাসীর দাবি, দ্রুত সঠিক তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক এবং সড়কটি মানসম্মতভাবে পুনর্নির্মাণ করা হোক—যাতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটে।