মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম):
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পাঁচখাইন পশ্চিম নাথপাড়ায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ২৫তম ক্ষেত্রপাল পূজা উদযাপন করা হয়েছে। মুন্টুনাথের বাড়িতে আয়োজিত এই ঐতিহ্যবাহী পূজায় অংশ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্ত সমবেত হন। সকাল থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই ক্ষেত্রপাল পূজা প্রাণবন্ত এক মিলনমেলায় রূপ নেয়, যেখানে ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
সারাদিনব্যাপী আয়োজিত ক্ষেত্রপাল পূজা-র কর্মসূচির মধ্যে ছিল মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, চণ্ডী পাঠ, ক্ষেত্রপাল ঠাকুরের পূজা, গঙ্গা পূজা, বিভিন্ন পূজা-অর্চনা, ঠাকুরের রাজভোগ নিবেদন, ভোগরতি কীর্তন এবং অন্নপ্রসাদ বিতরণ। প্রতিটি আয়োজনে ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। ধর্মীয় অনুশাসন ও ঐতিহ্যের সমন্বয়ে দিনব্যাপী এই পূজা এলাকার মানুষের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্ষেত্রপাল ঠাকুর মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা নিয়তি রাণী দেবী এবং মন্দিরের অধ্যক্ষ কবিরাজ বটন দেবনাথ। পূজার বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে পৌরহিত্য করেন সুমন দেবনাথ, রিটন দেবনাথ, সজল দেবনাথ ও শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র দেবনাথসহ অন্যান্য পুরোহিতবৃন্দ। আয়োজকদের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় ক্ষেত্রপাল পূজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় এবং সকল বয়সী ভক্তদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
এছাড়াও চম্পা দেবী, রিনা দেবী, নন্দিতা দেবী, পুষ্পা দেবী, সুস্মিতা দেবী, মৃত্তিকা দেবী, চৈতী দেবী, সৃজন দেবনাথ ও সৃজা দেবীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ ভক্তবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী ধর্মীয় আবহ, ভক্তিমূলক সংগীত এবং সমবেত প্রার্থনায় ক্ষেত্রপাল পূজা পরিণত হয় এক অনন্য ধর্মীয় উৎসবে।
আয়োজকরা জানান, প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও শান্তি, সমৃদ্ধি ও সর্বজনীন কল্যাণ কামনায় এই পূজার আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই ক্ষেত্রপাল পূজা আরও বৃহৎ পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তারা জানান, যা এলাকার ধর্মীয় ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
আরোও পড়ুন – রাউজানে ক্ষেত্রপাল পূজা রাউজান উপলক্ষে দুইদিনব্যাপী ধর্মীয় আয়োজন
রাউজানে ক্ষেত্রপাল পূজা উদযাপন: পাঁচখাইন নাথপাড়ায় ২৫তম আয়োজন
মিলন বৈদ্য শুভ, রাউজান (চট্টগ্রাম):
চট্টগ্রামের রাউজান উপজেলার পাঁচখাইন পশ্চিম নাথপাড়ায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে ২৫তম ক্ষেত্রপাল পূজা উদযাপন করা হয়েছে। মুন্টুনাথের বাড়িতে আয়োজিত এই ঐতিহ্যবাহী পূজায় অংশ নিতে দূর-দূরান্ত থেকে হাজার হাজার ভক্ত সমবেত হন। সকাল থেকে শুরু হয়ে দিনব্যাপী নানা ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে এই ক্ষেত্রপাল পূজা প্রাণবন্ত এক মিলনমেলায় রূপ নেয়, যেখানে ভক্তদের উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।
সারাদিনব্যাপী আয়োজিত ক্ষেত্রপাল পূজা-র কর্মসূচির মধ্যে ছিল মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন, চণ্ডী পাঠ, ক্ষেত্রপাল ঠাকুরের পূজা, গঙ্গা পূজা, বিভিন্ন পূজা-অর্চনা, ঠাকুরের রাজভোগ নিবেদন, ভোগরতি কীর্তন এবং অন্নপ্রসাদ বিতরণ। প্রতিটি আয়োজনে ভক্তদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তোলে। ধর্মীয় অনুশাসন ও ঐতিহ্যের সমন্বয়ে দিনব্যাপী এই পূজা এলাকার মানুষের কাছে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ক্ষেত্রপাল ঠাকুর মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা নিয়তি রাণী দেবী এবং মন্দিরের অধ্যক্ষ কবিরাজ বটন দেবনাথ। পূজার বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে পৌরহিত্য করেন সুমন দেবনাথ, রিটন দেবনাথ, সজল দেবনাথ ও শিক্ষক সুভাষ চন্দ্র দেবনাথসহ অন্যান্য পুরোহিতবৃন্দ। আয়োজকদের দক্ষ ব্যবস্থাপনায় ক্ষেত্রপাল পূজা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় এবং সকল বয়সী ভক্তদের মাঝে ব্যাপক সাড়া ফেলে।
এছাড়াও চম্পা দেবী, রিনা দেবী, নন্দিতা দেবী, পুষ্পা দেবী, সুস্মিতা দেবী, মৃত্তিকা দেবী, চৈতী দেবী, সৃজন দেবনাথ ও সৃজা দেবীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও বিপুল সংখ্যক নারী-পুরুষ ভক্তবৃন্দ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করেন। দিনব্যাপী ধর্মীয় আবহ, ভক্তিমূলক সংগীত এবং সমবেত প্রার্থনায় ক্ষেত্রপাল পূজা পরিণত হয় এক অনন্য ধর্মীয় উৎসবে।
আয়োজকরা জানান, প্রতিবছরের ধারাবাহিকতায় এ বছরও শান্তি, সমৃদ্ধি ও সর্বজনীন কল্যাণ কামনায় এই পূজার আয়োজন করা হয়েছে। ভবিষ্যতেও এই ক্ষেত্রপাল পূজা আরও বৃহৎ পরিসরে আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে তারা জানান, যা এলাকার ধর্মীয় ঐতিহ্যকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
আরোও পড়ুন – রাউজানে ক্ষেত্রপাল পূজা রাউজান উপলক্ষে দুইদিনব্যাপী ধর্মীয় আয়োজন