স্টাফ রিপোর্টার : মো. আতিকুল ইসলামঃ
দীর্ঘ ১১ বছর ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে মহিপুর থানার পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন এক সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার অভিযানের মূল ব্যক্তি। পটুয়াখালীর মহিপুর থানার নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার গভীর রাতে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার একটি এলাকায় গোপন অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি মহিপুর থানার মনসাতলী গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। দীর্ঘদিন পর তাকে আইনের আওতায় আনতে পারায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতের দেওয়া দুটি পৃথক মামলায় মোট ১ বছর ৪ মাসের কারাদণ্ড ছিল। সাজা ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিচয় গোপন করে অবস্থান করছিলেন। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালালেও তিনি কৌশলে পালিয়ে বেড়াতেন। অবশেষে প্রযুক্তি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় মহিপুর থানা পুলিশ।
থানা পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকায় ওই আসামিকে ধরতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছিল। সম্প্রতি তার অবস্থান সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়ার পর পুলিশের একটি টিম মঠবাড়িয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন। পরে তাকে আটক করে মহিপুর থানায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশের দাবি, এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার অভিযানের ফলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আমিনুল ইসলামের পলাতক থাকা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা ছিল। অনেকেই মনে করতেন তিনি আর ধরা পড়বেন না। তবে পুলিশের ধারাবাহিক তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এলাকাবাসীর মতে, দীর্ঘদিন পলাতক থাকা অপরাধীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে মহিপুর থানা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।
মহিপুর থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আদালতের সাজাপ্রাপ্ত কোনো আসামি যাতে দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকতে না পারে সে লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবেই এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলেও থানা সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন পলাতক থাকা সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের গ্রেফতার করতে পারা পুলিশের জন্য বড় সফলতা। এতে অপরাধীদের মধ্যে ভীতি তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষ বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা ফিরে পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত নজরদারি, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আন্তঃজেলা সমন্বিত অভিযানের কারণেই এখন অনেক পুরোনো মামলার আসামিকেও গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে। মহিপুর থানার এই অভিযানকেও সেই ধারাবাহিক সফলতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – মহেশপুরে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন এ্যাডভোকেট এ এম আব্দুল আহাদ
১১ বছরের পলাতক জীবন শেষে মহিপুরে গ্রেফতার সাজাপ্রাপ্ত আসামি
স্টাফ রিপোর্টার : মো. আতিকুল ইসলামঃ
দীর্ঘ ১১ বছর ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ ফাঁকি দিয়ে পালিয়ে বেড়ানোর পর অবশেষে মহিপুর থানার পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন এক সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার অভিযানের মূল ব্যক্তি। পটুয়াখালীর মহিপুর থানার নিয়মিত অভিযানের অংশ হিসেবে সোমবার গভীর রাতে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া থানার একটি এলাকায় গোপন অভিযান পরিচালনা করে তাকে আটক করা হয়। গ্রেফতার হওয়া ওই ব্যক্তির নাম মো. আমিনুল ইসলাম। তিনি মহিপুর থানার মনসাতলী গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে। দীর্ঘদিন পর তাকে আইনের আওতায় আনতে পারায় স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, মো. আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে আদালতের দেওয়া দুটি পৃথক মামলায় মোট ১ বছর ৪ মাসের কারাদণ্ড ছিল। সাজা ঘোষণার পর থেকেই তিনি আত্মগোপনে চলে যান এবং দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিচয় গোপন করে অবস্থান করছিলেন। বিভিন্ন সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চালালেও তিনি কৌশলে পালিয়ে বেড়াতেন। অবশেষে প্রযুক্তি ও গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় মহিপুর থানা পুলিশ।
থানা পুলিশের একাধিক সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকায় ওই আসামিকে ধরতে বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছিল। সম্প্রতি তার অবস্থান সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়ার পর পুলিশের একটি টিম মঠবাড়িয়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় তিনি পালানোর চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হন। পরে তাকে আটক করে মহিপুর থানায় নিয়ে আসা হয়। পুলিশের দাবি, এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার অভিযানের ফলে এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে আমিনুল ইসলামের পলাতক থাকা নিয়ে এলাকায় নানা আলোচনা ছিল। অনেকেই মনে করতেন তিনি আর ধরা পড়বেন না। তবে পুলিশের ধারাবাহিক তৎপরতায় শেষ পর্যন্ত তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে। এলাকাবাসীর মতে, দীর্ঘদিন পলাতক থাকা অপরাধীদের গ্রেফতারের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি আস্থা আরও বৃদ্ধি পাবে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে মহিপুর থানা পুলিশের ধারাবাহিক অভিযানে অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ইতিবাচক পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন স্থানীয়রা।
মহিপুর থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, অপরাধী যেই হোক না কেন, কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। আদালতের সাজাপ্রাপ্ত কোনো আসামি যাতে দীর্ঘদিন পালিয়ে থাকতে না পারে সে লক্ষ্যে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পুলিশের দাবি, চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবেই এই সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার সম্ভব হয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিকে মঙ্গলবার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হবে বলেও থানা সূত্র নিশ্চিত করেছে।
এদিকে আইনশৃঙ্খলা বিশ্লেষকরা বলছেন, দীর্ঘদিন পলাতক থাকা সাজাপ্রাপ্ত আসামিদের গ্রেফতার করতে পারা পুলিশের জন্য বড় সফলতা। এতে অপরাধীদের মধ্যে ভীতি তৈরি হয় এবং সাধারণ মানুষ বিচার ব্যবস্থার ওপর আস্থা ফিরে পায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত নজরদারি, তথ্য প্রযুক্তির ব্যবহার এবং আন্তঃজেলা সমন্বিত অভিযানের কারণেই এখন অনেক পুরোনো মামলার আসামিকেও গ্রেফতার করা সম্ভব হচ্ছে। মহিপুর থানার এই অভিযানকেও সেই ধারাবাহিক সফলতার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
আরোও পড়ুন – মহেশপুরে বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন এ্যাডভোকেট এ এম আব্দুল আহাদ