মোঃ আলমগীর হোসাইন, বিভাগীয় প্রধান,রংপুরঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় পৃথক দুটি বিদ্যুৎ দুর্ঘটনায় দুই যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১ জুন) সকালে ও দুপুরে উপজেলার দুই ভিন্ন এলাকায় ঘটে এসব হৃদয়বিদারক ঘটনা। একই দিনে দুই পরিবারের স্বজন হারানোর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, সামান্য অসাবধানতা ও ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগের কারণেই এমন প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে ঘরোয়া বৈদ্যুতিক কাজ করার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না মানার কারণে বাড়ছে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ঝুঁকি।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে পৌর এলাকার ফকিরটারী বাগডাঙ্গা গ্রামের শাহিনুর আলমের ছেলে মাহবুবুল হাসান মুহিত বাড়িতে আইপিএসের ব্যাটারির সংযোগ দেওয়ার কাজ করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হঠাৎ এমন ঘটনায় পরিবারে নেমে আসে শোকের মাতম। স্থানীয়দের অনেকে জানান, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারে সচেতনতার অভাবের কারণেই প্রায়ই বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ঘটছে।
অপরদিকে দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বামনাঙ্গা ইউনিয়নের কুটি বামনডাঙ্গা এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য সাউন্ড সিস্টেমের সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন মজিবর রহমানের ছেলে সাবু মিয়া। ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন। আনন্দঘন বিয়ের আয়োজন মুহূর্তেই পরিণত হয় শোকের ঘটনায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সময় অভিজ্ঞ ব্যক্তি ছাড়া বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়ার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
একই দিনে পৃথক দুটি বিদ্যুৎ দুর্ঘটনায় নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত দুই যুবকের স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে হাসপাতাল এলাকা। প্রতিবেশী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তারা বলেন, ঘরে বা অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। সচেতনতার অভাবে এমন মর্মান্তিক প্রাণহানি কোনোভাবেই কাম্য নয়। স্থানীয়দের মতে, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সতর্কতা বৃদ্ধি করা না গেলে ভবিষ্যতেও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ঘটনা বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান জানান, পৃথক দুই ঘটনার বিষয়ে এখনও থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ অভিযোগ বা তথ্য দেয়নি। তবে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, বৈদ্যুতিক কাজের ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং দক্ষ ব্যক্তির সহায়তা নেওয়া জরুরি। স্থানীয় প্রশাসনও জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন সময় পরামর্শ দিয়ে আসছে।
আরোও পড়ুন – নাগেশ্বরীতে চাচী ভাতিজার ঘটনা ঘিরে ধর্ষণ মামলা, অভিযুক্ত পলাতক
নাগেশ্বরীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই যুবকের মৃত্যু, একদিনে দুই দুর্ঘটনায় শোক
মোঃ আলমগীর হোসাইন, বিভাগীয় প্রধান,রংপুরঃ
কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলায় পৃথক দুটি বিদ্যুৎ দুর্ঘটনায় দুই যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১ জুন) সকালে ও দুপুরে উপজেলার দুই ভিন্ন এলাকায় ঘটে এসব হৃদয়বিদারক ঘটনা। একই দিনে দুই পরিবারের স্বজন হারানোর ঘটনায় পুরো এলাকায় শোকের আবহ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, সামান্য অসাবধানতা ও ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগের কারণেই এমন প্রাণহানির ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে ঘরোয়া বৈদ্যুতিক কাজ করার সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থা না মানার কারণে বাড়ছে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ঝুঁকি।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সকালে পৌর এলাকার ফকিরটারী বাগডাঙ্গা গ্রামের শাহিনুর আলমের ছেলে মাহবুবুল হাসান মুহিত বাড়িতে আইপিএসের ব্যাটারির সংযোগ দেওয়ার কাজ করছিলেন। এ সময় অসাবধানতাবশত তিনি বিদ্যুতায়িত হয়ে গুরুতর আহত হন। পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে নাগেশ্বরী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তাকে মৃত ঘোষণা করেন। হঠাৎ এমন ঘটনায় পরিবারে নেমে আসে শোকের মাতম। স্থানীয়দের অনেকে জানান, বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম ব্যবহারে সচেতনতার অভাবের কারণেই প্রায়ই বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ঘটছে।
অপরদিকে দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার বামনাঙ্গা ইউনিয়নের কুটি বামনডাঙ্গা এলাকায় একটি বিয়ের অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি চলছিল। অনুষ্ঠানে ব্যবহারের জন্য সাউন্ড সিস্টেমের সংযোগ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন মজিবর রহমানের ছেলে সাবু মিয়া। ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন তাকে দ্রুত উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করেন। আনন্দঘন বিয়ের আয়োজন মুহূর্তেই পরিণত হয় শোকের ঘটনায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সময় অভিজ্ঞ ব্যক্তি ছাড়া বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়ার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যায়।
একই দিনে পৃথক দুটি বিদ্যুৎ দুর্ঘটনায় নাগেশ্বরী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত দুই যুবকের স্বজনদের কান্নায় ভারী হয়ে ওঠে হাসপাতাল এলাকা। প্রতিবেশী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। তারা বলেন, ঘরে বা অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ সংযোগ দেওয়ার সময় প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি। সচেতনতার অভাবে এমন মর্মান্তিক প্রাণহানি কোনোভাবেই কাম্য নয়। স্থানীয়দের মতে, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সতর্কতা বৃদ্ধি করা না গেলে ভবিষ্যতেও বিদ্যুৎস্পৃষ্টে মৃত্যু ঘটনা বাড়তে পারে।
এ বিষয়ে নাগেশ্বরী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ হীল জামান জানান, পৃথক দুই ঘটনার বিষয়ে এখনও থানায় আনুষ্ঠানিকভাবে কেউ অভিযোগ বা তথ্য দেয়নি। তবে বিষয়গুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তিনি আরও বলেন, বৈদ্যুতিক কাজের ক্ষেত্রে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে এবং দক্ষ ব্যক্তির সহায়তা নেওয়া জরুরি। স্থানীয় প্রশাসনও জনগণকে সচেতন করতে বিভিন্ন সময় পরামর্শ দিয়ে আসছে।
আরোও পড়ুন – নাগেশ্বরীতে চাচী ভাতিজার ঘটনা ঘিরে ধর্ষণ মামলা, অভিযুক্ত পলাতক