সালেকুজ্জামান শামীম, মহেশপুর ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধে পরিচালিত মহেশপুরে বিজিবির অভিযান-এ ২৬ বোতল ভারতীয় সিরাপ এবং ৩ হাজার ৮০০ পিস নিষিদ্ধ ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করা হয়েছে। পৃথক তিনটি অভিযানে এসব উদ্ধার হলেও কোনো চোরাকারবারিকে আটক করা সম্ভব হয়নি। সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে বিজিবির ধারাবাহিক তৎপরতার অংশ হিসেবে রোববার (৫ জুলাই) ভোরে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মহেশপুরে বিজিবির অভিযান পরিচালনা করে মহেশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্তসংলগ্ন কয়েকটি স্থানে একযোগে অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে চোরাকারবারিরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে ফেলে যাওয়া বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিরাপ ও নিষিদ্ধ ঔষধ জব্দ করা হয়, যা পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাটিলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৫২/২৪-আর ও ৫২/২৫-আর-এর কাছাকাছি বাংলাদেশের প্রায় ৩০০ গজ অভ্যন্তরে মাটিলা বাগানপাড়া এলাকার মো. মমিন তক্কেলের বাঁশবাগানে অভিযান পরিচালনা করেন হাবিলদার শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিজিবির একটি টহল দল। সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২৬ বোতল ভারতীয় সিরাপ এবং ১ হাজার ৮০০ পিস বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করা হয়।
একই দিনে খোসালপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৬০/৮৪-আর থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি পাটখেতে দ্বিতীয় অভিযান পরিচালনা করেন নায়েব সুবেদার মো. ভূঁইয়া ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন বিজিবি সদস্যরা। ওই অভিযানে আরও ২ হাজার পিস ভারতীয় ঔষধ জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া সব ঔষধ ও সিরাপের বাজারমূল্য নির্ধারণ এবং আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্নের কাজ চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মহেশপুরে বিজিবির অভিযান সম্পর্কে মহেশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সীমান্ত দিয়ে মাদক, নিষিদ্ধ ঔষধ ও অন্যান্য চোরাচালান পণ্য দেশে প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
সীমান্ত এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় নিষিদ্ধ ঔষধ ও মাদক চোরাচালানের ঝুঁকিপূর্ণ রুট হিসেবে পরিচিত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের ফলে অনেক সময় বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য উদ্ধার হলেও চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয় না। তবুও বিজিবির নিয়মিত অভিযান সীমান্তে চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত নজরদারি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান আরও জোরদার করা হলে মাদক ও নিষিদ্ধ ঔষধের চোরাচালান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। বিজিবিও জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরালোভাবে পরিচালনা করা হবে।
আরোও পড়ুন – মহেশপুর পৌরসভায় ৪২ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ
মহেশপুরে বিজিবির অভিযান: ২৬ বোতল সিরাপ ও ৩৮০০ পিস ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার
সালেকুজ্জামান শামীম, মহেশপুর ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকায় চোরাচালান ও মাদক প্রতিরোধে পরিচালিত মহেশপুরে বিজিবির অভিযান-এ ২৬ বোতল ভারতীয় সিরাপ এবং ৩ হাজার ৮০০ পিস নিষিদ্ধ ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করা হয়েছে। পৃথক তিনটি অভিযানে এসব উদ্ধার হলেও কোনো চোরাকারবারিকে আটক করা সম্ভব হয়নি। সীমান্ত এলাকায় মাদক ও অবৈধ পণ্য প্রবেশ রোধে বিজিবির ধারাবাহিক তৎপরতার অংশ হিসেবে রোববার (৫ জুলাই) ভোরে এ অভিযান পরিচালিত হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা যায়, মহেশপুরে বিজিবির অভিযান পরিচালনা করে মহেশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সীমান্তসংলগ্ন কয়েকটি স্থানে একযোগে অভিযান চালানো হয়। এসব অভিযানে চোরাকারবারিরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যাওয়ায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। তবে ফেলে যাওয়া বিপুল পরিমাণ ভারতীয় সিরাপ ও নিষিদ্ধ ঔষধ জব্দ করা হয়, যা পরবর্তী আইনগত কার্যক্রমের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মাটিলা বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৫২/২৪-আর ও ৫২/২৫-আর-এর কাছাকাছি বাংলাদেশের প্রায় ৩০০ গজ অভ্যন্তরে মাটিলা বাগানপাড়া এলাকার মো. মমিন তক্কেলের বাঁশবাগানে অভিযান পরিচালনা করেন হাবিলদার শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বিজিবির একটি টহল দল। সেখানে পরিত্যক্ত অবস্থায় ২৬ বোতল ভারতীয় সিরাপ এবং ১ হাজার ৮০০ পিস বিভিন্ন ধরনের ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার করা হয়।
একই দিনে খোসালপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় সীমান্ত পিলার ৬০/৮৪-আর থেকে প্রায় ১০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে একটি পাটখেতে দ্বিতীয় অভিযান পরিচালনা করেন নায়েব সুবেদার মো. ভূঁইয়া ইকবাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন বিজিবি সদস্যরা। ওই অভিযানে আরও ২ হাজার পিস ভারতীয় ঔষধ জব্দ করা হয়। উদ্ধার হওয়া সব ঔষধ ও সিরাপের বাজারমূল্য নির্ধারণ এবং আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্নের কাজ চলছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
মহেশপুরে বিজিবির অভিযান সম্পর্কে মহেশপুর ৫৮ ব্যাটালিয়নের সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সীমান্ত দিয়ে মাদক, নিষিদ্ধ ঔষধ ও অন্যান্য চোরাচালান পণ্য দেশে প্রবেশ ঠেকাতে বিজিবি নিয়মিত টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করেছে। সীমান্তে যেকোনো ধরনের অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ অব্যাহত থাকবে।
সীমান্ত এলাকা দীর্ঘদিন ধরেই ভারতীয় নিষিদ্ধ ঔষধ ও মাদক চোরাচালানের ঝুঁকিপূর্ণ রুট হিসেবে পরিচিত। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ধারাবাহিক অভিযানের ফলে অনেক সময় বিপুল পরিমাণ অবৈধ পণ্য উদ্ধার হলেও চোরাকারবারিরা পালিয়ে যাওয়ায় তাদের আটক করা সম্ভব হয় না। তবুও বিজিবির নিয়মিত অভিযান সীমান্তে চোরাচালান নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত নজরদারি, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং গোয়েন্দা তথ্যভিত্তিক অভিযান আরও জোরদার করা হলে মাদক ও নিষিদ্ধ ঔষধের চোরাচালান উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। বিজিবিও জানিয়েছে, সীমান্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান আরও জোরালোভাবে পরিচালনা করা হবে।
আরোও পড়ুন – মহেশপুর পৌরসভায় ৪২ কোটি টাকার মেগা প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ