মোঃ বকুল হোসেন, ধামরাই প্রতিনিধি-ঢাকাঃ
ঢাকার ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নে সার ডিলারশিপ পাওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। কোহিনুর নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী। একই সঙ্গে সার ডিলারশিপ প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম, যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, কোহিনুর অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবি ও তথ্যকে কেন্দ্র করে তাঁকে নিয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান তাঁরা। তাঁদের প্রশ্ন, অতীতে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি সার ডিলারশিপ পেলেন এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি বা তথ্যের ভিত্তিতে কারও রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা অনিয়মের অভিযোগ চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয় না। এ কারণে অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি।
অভিযোগকারী কয়েকজন নেতাকর্মী দাবি করেছেন, আমতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম খান লাবুর সহযোগিতায় কোহিনুর ডিলারশিপ পেয়েছেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো লিখিত নথি বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে ডিলারশিপ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কারও অনিয়ম, প্রভাব বিস্তার কিংবা নিয়মবহির্ভূত সহযোগিতা ছিল কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি পরিষ্কার করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়োগসংক্রান্ত নথি, আবেদনপত্র, যোগ্যতার বিবরণ এবং অনুমোদনপ্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিযোগকারীরা।
এ বিষয়ে সার ডিলার কোহিনুরের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এখন আমি কোনো বক্তব্য দিতে পারব না। আপনি পরে আসবেন।” তাঁর এই বক্তব্যের পর অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। অভিযোগের জবাবে তাঁর অবস্থান এবং ডিলারশিপ পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত বক্তব্য জানা গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা যাবে। অভিযোগের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণের পাশাপাশি সরকারি নথি যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ।
আমতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম খান লাবু এ বিষয়ে বলেন, “ইতিমধ্যে কোহিনুরকে ডেকে এ বিষয়ে কথা বলেছি। তিনি যদি আওয়ামী লীগের কোনো পদে থেকে থাকেন, তাহলে তাঁকে ডিলারশিপ ছেড়ে দিতে হবে—এমন কথা বলেছি।” তিনি আরও বলেন, “সামনে নির্বাচন থাকায় আমাদের দলের ভেতরেও নানা ধরনের মতবিরোধ দেখা দিচ্ছে।” তাঁর বক্তব্যে বিষয়টি নিয়ে দলীয় পর্যায়ে আলোচনা হওয়ার কথা উঠে এসেছে। তবে ডিলারশিপের নিয়োগপ্রক্রিয়ায় তাঁর কোনো ভূমিকা ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা এই বক্তব্যে পাওয়া যায়নি।
এদিকে অভিযোগকারী নেতাকর্মীরা সার ডিলারশিপ প্রদানের প্রক্রিয়া এবং কোহিনুরের অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাঁদের মতে, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নীতিমালা, আবেদনকারীর যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে বিতর্ক থাকলে সেটিও প্রাসঙ্গিক নথি ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই করা দরকার। শুধু রাজনৈতিক অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অনিয়মের জন্য দায়ী না করে প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা।
অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন আমতা ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন, আমতা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ শাহিন আলম এবং আমতা ইউনিয়নের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম। তাঁদের সঙ্গে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন বলে জানানো হয়েছে। তাঁরা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
সার্বিকভাবে, আমতা ইউনিয়নের এ ঘটনায় অভিযোগ, পাল্টা বক্তব্য এবং ডিলারশিপ প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা প্রশ্নের নিরপেক্ষ যাচাই এখন গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়োগের নথি ও প্রযোজ্য শর্ত পর্যালোচনা করে প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে। তবে তদন্তের ফলাফল বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে না আসা পর্যন্ত কোহিনুরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের বক্তব্য এবং ডিলারশিপ অনুমোদনের নথি পাওয়া গেলে বিষয়টির আরও স্পষ্ট চিত্র উঠে আসতে পারে।
আরোও পড়ুন – সেবার মানোন্নয়নে পরিবর্তন, দালাল তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন
ধামরাইয়ে সার ডিলারশিপ নিয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের অভিযোগ, তদন্তের দাবি
মোঃ বকুল হোসেন, ধামরাই প্রতিনিধি-ঢাকাঃ
ঢাকার ধামরাই উপজেলার আমতা ইউনিয়নে সার ডিলারশিপ পাওয়াকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। কোহিনুর নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতাকর্মী। একই সঙ্গে সার ডিলারশিপ প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিষয়টি নিরপেক্ষভাবে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। তাঁদের বক্তব্য, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়ম, যোগ্যতা ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ওঠা প্রশ্নগুলো যথাযথভাবে যাচাই করা প্রয়োজন। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, কোহিনুর অতীতে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কিছু ছবি ও তথ্যকে কেন্দ্র করে তাঁকে নিয়ে আলোচনা চলছে বলেও জানান তাঁরা। তাঁদের প্রশ্ন, অতীতে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও কীভাবে তিনি সার ডিলারশিপ পেলেন এবং নিয়োগের ক্ষেত্রে নির্ধারিত শর্ত যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়েছিল কি না। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত ছবি বা তথ্যের ভিত্তিতে কারও রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা অনিয়মের অভিযোগ চূড়ান্তভাবে প্রমাণিত হয় না। এ কারণে অভিযোগের পক্ষে নির্ভরযোগ্য নথি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য যাচাই করা জরুরি।
অভিযোগকারী কয়েকজন নেতাকর্মী দাবি করেছেন, আমতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম খান লাবুর সহযোগিতায় কোহিনুর ডিলারশিপ পেয়েছেন। তবে এ অভিযোগের পক্ষে কোনো লিখিত নথি বা স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রমাণ পাওয়া যায়নি। ফলে ডিলারশিপ পাওয়ার প্রক্রিয়ায় কারও অনিয়ম, প্রভাব বিস্তার কিংবা নিয়মবহির্ভূত সহযোগিতা ছিল কি না, তা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টি পরিষ্কার করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের নিয়োগসংক্রান্ত নথি, আবেদনপত্র, যোগ্যতার বিবরণ এবং অনুমোদনপ্রক্রিয়া পর্যালোচনা করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন অভিযোগকারীরা।
এ বিষয়ে সার ডিলার কোহিনুরের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এখন আমি কোনো বক্তব্য দিতে পারব না। আপনি পরে আসবেন।” তাঁর এই বক্তব্যের পর অভিযোগের বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। অভিযোগের জবাবে তাঁর অবস্থান এবং ডিলারশিপ পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে বিস্তারিত বক্তব্য জানা গেলে প্রতিবেদনে তা যুক্ত করা যাবে। অভিযোগের নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বক্তব্য গ্রহণের পাশাপাশি সরকারি নথি যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ।
আমতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মনিরুল ইসলাম খান লাবু এ বিষয়ে বলেন, “ইতিমধ্যে কোহিনুরকে ডেকে এ বিষয়ে কথা বলেছি। তিনি যদি আওয়ামী লীগের কোনো পদে থেকে থাকেন, তাহলে তাঁকে ডিলারশিপ ছেড়ে দিতে হবে—এমন কথা বলেছি।” তিনি আরও বলেন, “সামনে নির্বাচন থাকায় আমাদের দলের ভেতরেও নানা ধরনের মতবিরোধ দেখা দিচ্ছে।” তাঁর বক্তব্যে বিষয়টি নিয়ে দলীয় পর্যায়ে আলোচনা হওয়ার কথা উঠে এসেছে। তবে ডিলারশিপের নিয়োগপ্রক্রিয়ায় তাঁর কোনো ভূমিকা ছিল কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত ব্যাখ্যা এই বক্তব্যে পাওয়া যায়নি।
এদিকে অভিযোগকারী নেতাকর্মীরা সার ডিলারশিপ প্রদানের প্রক্রিয়া এবং কোহিনুরের অতীত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার অভিযোগ খতিয়ে দেখতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাঁদের মতে, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নীতিমালা, আবেদনকারীর যোগ্যতা এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত। রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে বিতর্ক থাকলে সেটিও প্রাসঙ্গিক নথি ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের ভিত্তিতে যাচাই করা দরকার। শুধু রাজনৈতিক অভিযোগের ভিত্তিতে কাউকে অনিয়মের জন্য দায়ী না করে প্রমাণের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন তাঁরা।
অভিযোগকারীদের মধ্যে রয়েছেন আমতা ইউনিয়ন কৃষক দলের সভাপতি মোঃ ফারুক হোসেন, আমতা ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি মোঃ শাহিন আলম এবং আমতা ইউনিয়নের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম। তাঁদের সঙ্গে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন বলে জানানো হয়েছে। তাঁরা অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
সার্বিকভাবে, আমতা ইউনিয়নের এ ঘটনায় অভিযোগ, পাল্টা বক্তব্য এবং ডিলারশিপ প্রদানের প্রক্রিয়া নিয়ে ওঠা প্রশ্নের নিরপেক্ষ যাচাই এখন গুরুত্বপূর্ণ। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়োগের নথি ও প্রযোজ্য শর্ত পর্যালোচনা করে প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট করার দাবি উঠেছে। তবে তদন্তের ফলাফল বা নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে না আসা পর্যন্ত কোহিনুরের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের বক্তব্য এবং ডিলারশিপ অনুমোদনের নথি পাওয়া গেলে বিষয়টির আরও স্পষ্ট চিত্র উঠে আসতে পারে।
আরোও পড়ুন – সেবার মানোন্নয়নে পরিবর্তন, দালাল তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন