সৌরভ মিয়া, দোয়ারা বাজার উপজেলা প্রতিনিধি (সুনামগঞ্জ)
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬–২৭’ সিজন-২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে দেশব্যাপী এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উদ্বোধনী আয়োজন সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে দেখার ব্যবস্থা করা হয়। এরই অংশ হিসেবে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার প্রদর্শন করা হয়। এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়।
দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রজেক্টরের মাধ্যমে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামের উদ্বোধনী আয়োজন সরাসরি প্রদর্শন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা জান্নাত, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মানিক মাস্টার, সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এশাদুর রহমান এবং দোয়ারা বাজার প্রেস ক্লাবের প্রচার সম্পাদক নূর মোহাম্মদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়াচর্চার গুরুত্ব ও শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে আসে।
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শিশু-কিশোরদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শুধু প্রতিযোগিতার আয়োজন নয়, বরং তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি, নতুন খেলোয়াড়ের সম্ভাবনা চিহ্নিত করা এবং তাদের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করাও এ উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ দিক। শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকার শিশু-কিশোরদের ক্রীড়াক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হলে জাতীয় পর্যায়ে নতুন প্রতিভা উঠে আসার সম্ভাবনা বাড়বে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে খেলাধুলাকে শিক্ষাজীবন ও দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত খেলাধুলা শরীরকে সক্রিয় রাখার পাশাপাশি মনোযোগ, আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলাবোধ ও দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। একটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একজন শিশু জয়-পরাজয় মেনে নেওয়া, নিয়ম অনুসরণ করা এবং অন্যের সঙ্গে সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখতে পারে। এ কারণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কেবল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ না থেকে নতুন প্রজন্মের ইতিবাচক বিকাশের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা বহন করে। পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়লে শিশু-কিশোরদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগও সম্প্রসারিত হবে।
বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের একটি বড় অংশ পড়াশোনা, মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন ডিজিটাল বিনোদনের মধ্যে সময় কাটায়। এ পরিস্থিতিতে মাঠকেন্দ্রিক খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন করা প্রয়োজন। খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি হলে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে শারীরিক সক্রিয়তা বাড়বে এবং সামাজিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে মাদক, অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে প্রতিযোগিতা আয়োজনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত মাঠ, প্রশিক্ষক, প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম এবং নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার একটি সম্ভাবনাময় উপজেলা। এখানকার বিভিন্ন গ্রাম ও জনপদে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের মধ্যেও নানা ধরনের ক্রীড়া প্রতিভা থাকতে পারে। কিন্তু সঠিক সুযোগ, প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার অভাবে অনেক প্রতিভা স্থানীয় পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। এ ক্ষেত্রে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিভা অন্বেষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করতে পারে। উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেলে প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান শিশুরাও নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরতে পারবে। পরবর্তী সময়ে যোগ্য খেলোয়াড়দের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার আওতায় আনা গেলে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
তবে এ উদ্যোগের প্রত্যাশিত সুফল পেতে হলে উদ্বোধনী আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং প্রতিযোগিতার পরবর্তী কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ক্রীড়া সংগঠন, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সমন্বিত সহযোগিতা থাকলে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, প্রতিভা অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন। এতে শুধু প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নয়, দীর্ঘমেয়াদে একটি সুস্থ ও ক্রীড়ামুখী প্রজন্ম গড়ে তোলার পথও সুগম হবে।
দোয়ারাবাজারে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে যে আগ্রহ ও অংশগ্রহণ দেখা গেছে, তা শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা বহন করে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নতুন ক্রীড়া প্রতিভা সামনে আসবে এবং তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে। যথাযথ প্রশিক্ষণ, পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে দোয়ারাবাজার থেকেও ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের দক্ষ খেলোয়াড় উঠে আসতে পারে। তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণের এ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের ক্রীড়াঙ্গনও উপকৃত হবে।
আরোও পড়ুন – চার দেশের রাষ্ট্রদূতের নজর কাড়ল আনসার-ভিডিপির কুটিরশিল্প
দোয়ারাবাজারে নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস সিজন-২-এর উদ্বোধন
সৌরভ মিয়া, দোয়ারা বাজার উপজেলা প্রতিনিধি (সুনামগঞ্জ)
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস ২০২৬–২৭’ সিজন-২-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) বিকেল ৩টায় খুলনা জেলা স্টেডিয়াম থেকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে দেশব্যাপী এ ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করেন। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে উদ্বোধনী আয়োজন সরাসরি সম্প্রচারের মাধ্যমে দেখার ব্যবস্থা করা হয়। এরই অংশ হিসেবে দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠানের সরাসরি সম্প্রচার প্রদর্শন করা হয়। এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও সাংবাদিকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়।
দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রজেক্টরের মাধ্যমে খুলনা জেলা স্টেডিয়ামের উদ্বোধনী আয়োজন সরাসরি প্রদর্শন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ফাতেমা জান্নাত, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আব্দুল মানিক মাস্টার, সুরমা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এশাদুর রহমান এবং দোয়ারা বাজার প্রেস ক্লাবের প্রচার সম্পাদক নূর মোহাম্মদসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠানটি স্থানীয় পর্যায়ে ক্রীড়াচর্চার গুরুত্ব ও শিশু-কিশোরদের প্রতিভা বিকাশের বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় নিয়ে আসে।
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে শিশু-কিশোরদের মধ্যে লুকিয়ে থাকা ক্রীড়া প্রতিভা খুঁজে বের করা ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ আয়োজনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। শুধু প্রতিযোগিতার আয়োজন নয়, বরং তৃণমূল পর্যায়ে খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি, নতুন খেলোয়াড়ের সম্ভাবনা চিহ্নিত করা এবং তাদের দক্ষতা বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি করাও এ উদ্যোগের গুরুত্বপূর্ণ দিক। শহরের পাশাপাশি প্রত্যন্ত এলাকার শিশু-কিশোরদের ক্রীড়াক্ষেত্রে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি হলে জাতীয় পর্যায়ে নতুন প্রতিভা উঠে আসার সম্ভাবনা বাড়বে। এ ধরনের আয়োজনের মাধ্যমে খেলাধুলাকে শিক্ষাজীবন ও দৈনন্দিন জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
শিশু-কিশোরদের শারীরিক ও মানসিক বিকাশে খেলাধুলার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত খেলাধুলা শরীরকে সক্রিয় রাখার পাশাপাশি মনোযোগ, আত্মবিশ্বাস, শৃঙ্খলাবোধ ও দলগতভাবে কাজ করার মানসিকতা গড়ে তুলতে সহায়তা করে। একটি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে একজন শিশু জয়-পরাজয় মেনে নেওয়া, নিয়ম অনুসরণ করা এবং অন্যের সঙ্গে সহযোগিতার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় শিখতে পারে। এ কারণে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ কেবল ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সীমাবদ্ধ না থেকে নতুন প্রজন্মের ইতিবাচক বিকাশের ক্ষেত্রেও ভূমিকা রাখার সম্ভাবনা বহন করে। পাশাপাশি খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ বাড়লে শিশু-কিশোরদের সুস্থ বিনোদনের সুযোগও সম্প্রসারিত হবে।
বর্তমান সময়ে শিশু-কিশোরদের একটি বড় অংশ পড়াশোনা, মোবাইল ফোন ও বিভিন্ন ডিজিটাল বিনোদনের মধ্যে সময় কাটায়। এ পরিস্থিতিতে মাঠকেন্দ্রিক খেলাধুলার সুযোগ বাড়ানো এবং স্থানীয় পর্যায়ে নিয়মিত ক্রীড়া আয়োজন করা প্রয়োজন। খেলাধুলার পরিবেশ তৈরি হলে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে শারীরিক সক্রিয়তা বাড়বে এবং সামাজিক যোগাযোগ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্রও বিস্তৃত হবে। একই সঙ্গে মাদক, অপরাধ ও অসামাজিক কর্মকাণ্ড থেকে দূরে রাখতে খেলাধুলা ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। তবে এ লক্ষ্য অর্জনে প্রতিযোগিতা আয়োজনের পাশাপাশি পর্যাপ্ত মাঠ, প্রশিক্ষক, প্রয়োজনীয় ক্রীড়া সরঞ্জাম এবং নিয়মিত অনুশীলনের সুযোগ নিশ্চিত করা জরুরি।
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার একটি সম্ভাবনাময় উপজেলা। এখানকার বিভিন্ন গ্রাম ও জনপদে বেড়ে ওঠা শিশু-কিশোরদের মধ্যেও নানা ধরনের ক্রীড়া প্রতিভা থাকতে পারে। কিন্তু সঠিক সুযোগ, প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার অভাবে অনেক প্রতিভা স্থানীয় পর্যায়েই সীমাবদ্ধ থেকে যায়। এ ক্ষেত্রে ‘নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস’ স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিভা অন্বেষণে একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ তৈরি করতে পারে। উপজেলা পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের সুযোগ পেলে প্রত্যন্ত এলাকার প্রতিভাবান শিশুরাও নিজেদের দক্ষতা তুলে ধরতে পারবে। পরবর্তী সময়ে যোগ্য খেলোয়াড়দের ধারাবাহিক প্রশিক্ষণ ও পরিচর্যার আওতায় আনা গেলে জাতীয় পর্যায়ে প্রতিনিধিত্ব করার সম্ভাবনাও তৈরি হবে।
তবে এ উদ্যোগের প্রত্যাশিত সুফল পেতে হলে উদ্বোধনী আয়োজনের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং প্রতিযোগিতার পরবর্তী কার্যক্রম যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ। স্থানীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ক্রীড়া সংগঠন, অভিভাবক ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের সমন্বিত সহযোগিতা থাকলে শিশু-কিশোরদের অংশগ্রহণ আরও বাড়ানো সম্ভব। বিশেষ করে প্রত্যন্ত এলাকার শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা, প্রতিভা অনুযায়ী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা এবং খেলাধুলার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশ গড়ে তোলার বিষয়গুলো গুরুত্ব পাওয়া প্রয়োজন। এতে শুধু প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ নয়, দীর্ঘমেয়াদে একটি সুস্থ ও ক্রীড়ামুখী প্রজন্ম গড়ে তোলার পথও সুগম হবে।
দোয়ারাবাজারে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে যে আগ্রহ ও অংশগ্রহণ দেখা গেছে, তা শিশু-কিশোরদের খেলাধুলায় সম্পৃক্ত করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তা বহন করে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, এ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার নতুন ক্রীড়া প্রতিভা সামনে আসবে এবং তাদের বিকাশের সুযোগ তৈরি হবে। যথাযথ প্রশিক্ষণ, পরিচর্যা ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিশ্চিত করা গেলে দোয়ারাবাজার থেকেও ভবিষ্যতে জাতীয় পর্যায়ের দক্ষ খেলোয়াড় উঠে আসতে পারে। তৃণমূল থেকে প্রতিভা অন্বেষণের এ উদ্যোগ সফলভাবে বাস্তবায়িত হলে দেশের ক্রীড়াঙ্গনও উপকৃত হবে।
আরোও পড়ুন – চার দেশের রাষ্ট্রদূতের নজর কাড়ল আনসার-ভিডিপির কুটিরশিল্প