৭ নভেম্বরের চেতনায় শহীদ জিয়ার আদর্শে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ: সন্ধান সরকার

৩৩

বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ

বগুড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে জেলা ছাত্রদল। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় ঐক্য এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সভায় বক্তব্য দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে বগুড়া জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান। বক্তারা বলেন, ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন প্রজন্মকে দেশ ও গণতন্ত্রের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে হাবিবুর রশিদ সন্ধান বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এই দিনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও চেতনার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব ও আদর্শ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনাকে ধারণ করে জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে যেতে হবে। তাঁর মতে, দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে ছাত্রসমাজের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সন্ধান সরকার বলেন, রাজনৈতিক নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা, সাংগঠনিক ঐক্য এবং দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা একটি রাষ্ট্রের অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা এবং মানুষের অধিকার ও গণতান্ত্রিক চেতনা সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর বক্তব্যে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ উন নবী সালাম, কেএম খায়রুল বাশার এবং জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। তাঁদের বক্তব্যে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়গুলো উঠে আসে। বক্তারা মনে করেন, দেশের ইতিহাস ও রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মের সঠিক ধারণা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তাঁরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহের কথা তুলে ধরে বলেন, সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। তাঁদের বক্তব্যে ওই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা, জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা এবং রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব ও আদর্শকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁদের মতে, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর কেবল একটি নির্দিষ্ট দিনের স্মরণ নয়; বরং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, জাতীয় ঐক্য এবং স্বাধীনতা রক্ষার চেতনাকে নতুন করে মূল্যায়নের উপলক্ষ। এ চেতনা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

বক্তারা আরও বলেন, দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকা প্রয়োজন। অতীতের রাজনৈতিক ঘটনাবলি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেম, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তাঁরা বলেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে আলোচনা ও জানার আগ্রহ তৈরি করা জরুরি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থ, গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। বক্তারা আগামীতেও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় বগুড়া জেলা ও শহর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রদল এবং সরকারি শাহ্ সুলতান কলেজ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য স্মরণ করেন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বক্তাদের বক্তব্যে ছাত্রসমাজের দায়িত্বশীল ভূমিকা, রাজনৈতিক সচেতনতা এবং জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। সভার মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়।

আরোও পড়ুন – দোয়ারাবাজারে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

৭ নভেম্বরের চেতনায় শহীদ জিয়ার আদর্শে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ: সন্ধান সরকার

নভেম্বর ৮, ২০২৬
৩৩

বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ

বগুড়ায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা করেছে জেলা ছাত্রদল। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ, জাতীয় ঐক্য এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার গুরুত্ব তুলে ধরে সভায় বক্তব্য দিয়েছেন সংগঠনটির নেতারা। রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে বগুড়া জেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে জেলা ছাত্রদলের উদ্যোগে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে জেলা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা অংশ নেন। সভায় সভাপতিত্ব করেন বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সভাপতি হাবিবুর রশিদ সন্ধান। বক্তারা বলেন, ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন প্রজন্মকে দেশ ও গণতন্ত্রের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

সভাপতির বক্তব্যে হাবিবুর রশিদ সন্ধান বলেন, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যপূর্ণ একটি দিন। এই দিনের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও চেতনার মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের প্রতিষ্ঠার পথ তৈরি হয়েছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, মহান স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব ও আদর্শ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। তিনি বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনাকে ধারণ করে জাতীয় ঐক্য, দেশপ্রেম ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকে সামনে রেখে তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে যেতে হবে। তাঁর মতে, দেশের ভবিষ্যৎ নির্মাণে ছাত্রসমাজের সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বর্তমানে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। সন্ধান সরকার বলেন, রাজনৈতিক নেতৃত্বের ধারাবাহিকতা, সাংগঠনিক ঐক্য এবং দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করার মানসিকতা একটি রাষ্ট্রের অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ। তিনি দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে ঐক্য বজায় রাখা এবং মানুষের অধিকার ও গণতান্ত্রিক চেতনা সমুন্নত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তাঁর বক্তব্যে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার বিষয়টিও বিশেষভাবে গুরুত্ব পায়।

বগুড়া জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক এম আর হাসান পলাশের সঞ্চালনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বগুড়া সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এম আর ইসলাম স্বাধীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বগুড়া জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক সহিদ উন নবী সালাম, কেএম খায়রুল বাশার এবং জেলা যুবদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম। তাঁদের বক্তব্যে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের ঐতিহাসিক গুরুত্ব, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়গুলো উঠে আসে। বক্তারা মনে করেন, দেশের ইতিহাস ও রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মের সঠিক ধারণা থাকা প্রয়োজন। একই সঙ্গে জাতীয় স্বার্থকে প্রাধান্য দিয়ে দায়িত্বশীল রাজনৈতিক চর্চা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তাঁরা।

আলোচনা সভায় বক্তারা ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের ঘটনাপ্রবাহের কথা তুলে ধরে বলেন, সিপাহি-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। তাঁদের বক্তব্যে ওই সময়ের রাজনৈতিক অস্থিরতা, জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজনীয়তা এবং রাষ্ট্রের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। বক্তারা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্ব ও আদর্শকে জাতীয়তাবাদী রাজনীতির অনুপ্রেরণা হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁদের মতে, ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর কেবল একটি নির্দিষ্ট দিনের স্মরণ নয়; বরং দেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, জাতীয় ঐক্য এবং স্বাধীনতা রক্ষার চেতনাকে নতুন করে মূল্যায়নের উপলক্ষ। এ চেতনা পরবর্তী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরাও রাজনৈতিক সংগঠনগুলোর গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।

বক্তারা আরও বলেন, দেশের গণতন্ত্র, স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে দায়িত্বশীল ভূমিকা এবং জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকা প্রয়োজন। অতীতের রাজনৈতিক ঘটনাবলি থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দেশপ্রেম, নেতৃত্বের গুণাবলি এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলায় উদ্বুদ্ধ করতে হবে। তাঁরা বলেন, ৭ নভেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট নিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে আলোচনা ও জানার আগ্রহ তৈরি করা জরুরি। একই সঙ্গে রাজনৈতিক মতপার্থক্য থাকলেও দেশের স্বার্থ, গণতান্ত্রিক পরিবেশ এবং জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। বক্তারা আগামীতেও দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

সভায় বগুড়া জেলা ও শহর ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পাশাপাশি সরকারি আজিজুল হক কলেজ ছাত্রদল এবং সরকারি শাহ্ সুলতান কলেজ ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা দিবসটির ঐতিহাসিক তাৎপর্য স্মরণ করেন এবং সাংগঠনিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। বক্তাদের বক্তব্যে ছাত্রসমাজের দায়িত্বশীল ভূমিকা, রাজনৈতিক সচেতনতা এবং জাতীয় স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ থাকার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। সভার মধ্য দিয়ে ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের চেতনা ও শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়।

আরোও পড়ুন – দোয়ারাবাজারে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত, আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণ

⇧