মো: ইলিয়াস চৌধুরী, কালিয়াকৈর প্রতিনিধি
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সদর বাজারসহ বিভিন্ন মুরগি বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুরগি ড্রেসিং কার্যক্রম চলমান থাকায় জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, দিনের পর দিন একই নোংরা পানিতে মুরগি প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে, যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শনিবার সকালে সদর বাজার এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছোট টিনের ছাউনিযুক্ত দোকানগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে মুরগি ড্রেসিং। শ্রমিকরা বড় ড্রামে রাখা গরম পানিতে একের পর এক মুরগি চুবিয়ে পালক ছাড়াচ্ছেন। একই সঙ্গে মেঝেতে জমে আছে কাদা, রক্ত, পালক ও বিভিন্ন বর্জ্য। দুর্গন্ধে পুরো এলাকা অস্বস্তিকর পরিবেশে পরিণত হয়েছে।
বাজারের অন্তত ১৫ থেকে ২০টি দোকানে একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। প্রতিটি দোকানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একটানা মুরগি ড্রেসিং চলে। একেকটি ড্রামের পানি ২০০ থেকে ৩০০টি মুরগি প্রক্রিয়াজাত করতে ব্যবহার করা হয়। দীর্ঘসময় একই পানি ব্যবহার করায় তা কালো হয়ে যায় এবং তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, যা সরাসরি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, খরচ কমানো এবং সময় বাঁচানোর জন্য তারা একই পানি ব্যবহার করেন। একজন ব্যবসায়ী বলেন, বারবার পানি বদলাতে গেলে গ্যাস ও সময় বেশি লাগে, তাই সারাদিন একই পানিতেই মুরগি ড্রেসিং করি। তবে এ বক্তব্য স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
ভোক্তারা এ পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বাজারে আসা এক স্কুলশিক্ষক বলেন, চোখের সামনে নোংরা পানিতে মুরগি ড্রেসিং হচ্ছে দেখে আতঙ্ক লাগে। বাসায় নিয়ে আবার পরিষ্কার করেও নিশ্চিন্ত হওয়া যায় না।গৃহিণীরা বলছেন, বাধ্য হয়ে এসব মুরগি কিনতে হলেও তারা সবসময় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কায় থাকেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বলেন, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি, তাই দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.এইচ.এম ফখরুল হোসাইন বলেন, জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিকর কোনো কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজন হলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এমন অস্বাস্থ্যকর মুরগি ড্রেসিং চললেও কার্যকর তদারকির অভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। তারা নিয়মিত অভিযান ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
আরোও পড়ুন – সড়কবাতি অকেজো: চুরি-ছিনতাই আতঙ্কে কালিয়াকৈর পৌরবাসী
অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুরগি ড্রেসিং: কালিয়াকৈরের বাজারে জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি
মো: ইলিয়াস চৌধুরী, কালিয়াকৈর প্রতিনিধি
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার সদর বাজারসহ বিভিন্ন মুরগি বাজারে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে মুরগি ড্রেসিং কার্যক্রম চলমান থাকায় জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, দিনের পর দিন একই নোংরা পানিতে মুরগি প্রক্রিয়াজাত করা হচ্ছে, যা খাদ্য নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।
শনিবার সকালে সদর বাজার এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ছোট টিনের ছাউনিযুক্ত দোকানগুলোতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে মুরগি ড্রেসিং। শ্রমিকরা বড় ড্রামে রাখা গরম পানিতে একের পর এক মুরগি চুবিয়ে পালক ছাড়াচ্ছেন। একই সঙ্গে মেঝেতে জমে আছে কাদা, রক্ত, পালক ও বিভিন্ন বর্জ্য। দুর্গন্ধে পুরো এলাকা অস্বস্তিকর পরিবেশে পরিণত হয়েছে।
বাজারের অন্তত ১৫ থেকে ২০টি দোকানে একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। প্রতিটি দোকানে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত একটানা মুরগি ড্রেসিং চলে। একেকটি ড্রামের পানি ২০০ থেকে ৩০০টি মুরগি প্রক্রিয়াজাত করতে ব্যবহার করা হয়। দীর্ঘসময় একই পানি ব্যবহার করায় তা কালো হয়ে যায় এবং তীব্র দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ে, যা সরাসরি স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, খরচ কমানো এবং সময় বাঁচানোর জন্য তারা একই পানি ব্যবহার করেন। একজন ব্যবসায়ী বলেন, বারবার পানি বদলাতে গেলে গ্যাস ও সময় বেশি লাগে, তাই সারাদিন একই পানিতেই মুরগি ড্রেসিং করি। তবে এ বক্তব্য স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ আরও বাড়িয়েছে।
ভোক্তারা এ পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বাজারে আসা এক স্কুলশিক্ষক বলেন, চোখের সামনে নোংরা পানিতে মুরগি ড্রেসিং হচ্ছে দেখে আতঙ্ক লাগে। বাসায় নিয়ে আবার পরিষ্কার করেও নিশ্চিন্ত হওয়া যায় না।গৃহিণীরা বলছেন, বাধ্য হয়ে এসব মুরগি কিনতে হলেও তারা সবসময় স্বাস্থ্যঝুঁকির আশঙ্কায় থাকেন।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই সঙ্গে উপজেলা স্যানিটারি ইন্সপেক্টর বলেন, এটি জনস্বাস্থ্যের জন্য গুরুতর হুমকি, তাই দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ.এইচ.এম ফখরুল হোসাইন বলেন, জনস্বাস্থ্যের ক্ষতিকর কোনো কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না। প্রয়োজন হলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এমন অস্বাস্থ্যকর মুরগি ড্রেসিং চললেও কার্যকর তদারকির অভাবে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসছে না। তারা নিয়মিত অভিযান ও স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
আরোও পড়ুন – সড়কবাতি অকেজো: চুরি-ছিনতাই আতঙ্কে কালিয়াকৈর পৌরবাসী