সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার, ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

রাকিব হোসেন হৃদয়, সোনারগাঁও প্রতিনিধিঃ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে বিশেষ অভিযানে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গোপনে মাদক বিক্রির অভিযোগ ছিল। শনিবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে। পরে তার কাছ থেকে খবরের কাগজে মোড়ানো অবস্থায় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অভিযানের পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে সোনারগাঁও থানাধীন সোনাপুর এলাকার বালুরমাঠ সংলগ্ন ফ্যান ফ্যাক্টরির সামনে সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা মো. হাবিবুর রহমান ওরফে চিকন আলী (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ১০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় দেখা যায়।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আগেও অভিযোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এলাকায় কিছুদিন ধরে অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বেড়েছিল। সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার হওয়ার পর এলাকাবাসী নিয়মিত এমন অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

উদ্ধারকৃত গাঁজা জব্দ তালিকা অনুযায়ী জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার মামলায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাদক নির্মূলে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতাও জরুরি। সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযানে মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে আবারও প্রশাসনের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। নিয়মিত অভিযান, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুললেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব বলে তারা মত দিয়েছেন।

আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রাম সীমান্ত অভিযান: বিজিবির বিশেষ অভিযানে বিপুল চোরাচালান পণ্য ও মাদক জব্দ

সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার, ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার

মে ২, ২০২৬

রাকিব হোসেন হৃদয়, সোনারগাঁও প্রতিনিধিঃ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে বিশেষ অভিযানে ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ এক মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় গোপনে মাদক বিক্রির অভিযোগ ছিল। শনিবার সন্ধ্যায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্তকে আটক করে। পরে তার কাছ থেকে খবরের কাগজে মোড়ানো অবস্থায় গাঁজা উদ্ধার করা হয়। অভিযানের পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে বলে জানা গেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শনিবার সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ৪৫ মিনিটে সোনারগাঁও থানাধীন সোনাপুর এলাকার বালুরমাঠ সংলগ্ন ফ্যান ফ্যাক্টরির সামনে সড়কে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করা মো. হাবিবুর রহমান ওরফে চিকন আলী (৪২) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পরে তার দেহ তল্লাশি করে ১০০ গ্রাম গাঁজা জব্দ করা হয়। সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার অভিযানের সময় ঘটনাস্থলে উৎসুক জনতার ভিড় দেখা যায়।

পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তার বিরুদ্ধে আগেও অভিযোগ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, এলাকায় কিছুদিন ধরে অপরিচিত লোকজনের আনাগোনা বেড়েছিল। সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার হওয়ার পর এলাকাবাসী নিয়মিত এমন অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন।

উদ্ধারকৃত গাঁজা জব্দ তালিকা অনুযায়ী জব্দ করে থানায় নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে পাঠানো হয়েছে। সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার মামলায় আরও কেউ জড়িত আছে কিনা, তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, মাদক নির্মূলে পুলিশের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের সচেতনতাও জরুরি। সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ দেখলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানালে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিক অভিযানে মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। সোনারগাঁওয়ে গাঁজা উদ্ধার অভিযানের মাধ্যমে আবারও প্রশাসনের কঠোর অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে পরিবার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও প্রশাসনের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। নিয়মিত অভিযান, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুললেই মাদকমুক্ত সমাজ গঠন সম্ভব বলে তারা মত দিয়েছেন।

আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রাম সীমান্ত অভিযান: বিজিবির বিশেষ অভিযানে বিপুল চোরাচালান পণ্য ও মাদক জব্দ