জলঢাকায় সাংবাদিকের উপর নির্যাতনকারীর গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

শ্যামল চন্দ্র রায়, জলঢাকা প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর জলঢাকায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী আল-আমিন ইসলামের উপর হামলাকারী আলম ও রহিম বাহিনীর গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর ২০২৫) বিকেল ৪টায় জলঢাকা জিরো পয়েন্ট মোড়ে আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) নীলফামারী জেলা শাখা ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি জলঢাকা উপজেলা শাখা এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

গত ৭ অক্টোবর গোলমুন্ডা ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী আল-আমিন ইসলামের উপর অতর্কিত হামলা চালায় আলম-রহিম বাহিনী। পরে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও প্রশাসনের সহযোগিতায় তাঁকে উদ্ধার করে জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় চতুর্থ দিনে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন তিনি, যা রাতে মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়। মামলায় নামীয় ১১ জন ও অজ্ঞাত ৮ জনকে আসামি করা হলেও ২২ দিন পার হলেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

এ ঘটনার প্রতিবাদে ও আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সচেতন নাগরিক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন আসক নীলফামারী জেলার সভাপতি আল-আমিন ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সাবু, সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক মোনা ইসলাম, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান, রোকনুজ্জামান, সামিনুর রহমান, রিপোর্টার্স ক্লাব জলঢাকার সভাপতি এন আই মানিক, তালাশ টিভি২৪ ও আলোর বাংলাদেশ পত্রিকার জলঢাকা প্রতিনিধি শ্যামল চন্দ্র রায়, ভোরের আলোর প্রতিনিধি কামরুজ্জামান, খোকনুজ্জামান খোকনসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী জামিয়া রহমান। তিনি বলেন,

“একজন সাংবাদিককে প্রকাশ্যে নির্যাতন করা হয়েছে, হত্যার চেষ্টা পর্যন্ত করা হয়েছে, কিন্তু প্রশাসন এখনো আসামিদের গ্রেফতার করেনি। আমরা প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিচ্ছি—যদি আসামি গ্রেফতার না হয়, আমরা কঠোর আন্দোলনে নামব।”

নির্যাতিত সাংবাদিক আল-আমিন ইসলাম বলেন,

“আমাকে যারা হামলা করেছে, তারা এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে জানতে চাই, কেন এখনো তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না।”

আসক নীলফামারী জেলার সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সাবু বলেন,

“প্রশাসনের সামনেই একজন মানবাধিকার কর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছে, অথচ প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ নেই। সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা কিভাবে নিরাপদে কাজ করবে? সংবাদকর্মী নাহিদ হাসানকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ১৫ নম্বর আসামি করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং নাহিদের নাম প্রত্যাহার ও হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করছি।”

মানববন্ধন শেষে বক্তারা জানান, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।

জলঢাকায় সাংবাদিকের উপর নির্যাতনকারীর গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন

অক্টোবর ২৯, ২০২৫

শ্যামল চন্দ্র রায়, জলঢাকা প্রতিনিধিঃ

নীলফামারীর জলঢাকায় সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী আল-আমিন ইসলামের উপর হামলাকারী আলম ও রহিম বাহিনীর গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৯ অক্টোবর ২০২৫) বিকেল ৪টায় জলঢাকা জিরো পয়েন্ট মোড়ে আইনী সহায়তা কেন্দ্র (আসক) নীলফামারী জেলা শাখা ও বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটি জলঢাকা উপজেলা শাখা এই মানববন্ধনের আয়োজন করে।

গত ৭ অক্টোবর গোলমুন্ডা ইউনিয়নে তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী আল-আমিন ইসলামের উপর অতর্কিত হামলা চালায় আলম-রহিম বাহিনী। পরে স্থানীয় সচেতন নাগরিক ও প্রশাসনের সহযোগিতায় তাঁকে উদ্ধার করে জলঢাকা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় চতুর্থ দিনে থানায় একটি এজাহার দায়ের করেন তিনি, যা রাতে মামলা হিসেবে রেকর্ড হয়। মামলায় নামীয় ১১ জন ও অজ্ঞাত ৮ জনকে আসামি করা হলেও ২২ দিন পার হলেও কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।

এ ঘটনার প্রতিবাদে ও আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে সচেতন নাগরিক, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা মানববন্ধনে অংশ নেন। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন আসক নীলফামারী জেলার সভাপতি আল-আমিন ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সাবু, সিনিয়র সাধারণ সম্পাদক মোনা ইসলাম, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক সোসাইটির সাধারণ সম্পাদক নুরুজ্জামান, রোকনুজ্জামান, সামিনুর রহমান, রিপোর্টার্স ক্লাব জলঢাকার সভাপতি এন আই মানিক, তালাশ টিভি২৪ ও আলোর বাংলাদেশ পত্রিকার জলঢাকা প্রতিনিধি শ্যামল চন্দ্র রায়, ভোরের আলোর প্রতিনিধি কামরুজ্জামান, খোকনুজ্জামান খোকনসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং মানবাধিকার কর্মীরা।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী জামিয়া রহমান। তিনি বলেন,

“একজন সাংবাদিককে প্রকাশ্যে নির্যাতন করা হয়েছে, হত্যার চেষ্টা পর্যন্ত করা হয়েছে, কিন্তু প্রশাসন এখনো আসামিদের গ্রেফতার করেনি। আমরা প্রশাসনকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিচ্ছি—যদি আসামি গ্রেফতার না হয়, আমরা কঠোর আন্দোলনে নামব।”

নির্যাতিত সাংবাদিক আল-আমিন ইসলাম বলেন,

“আমাকে যারা হামলা করেছে, তারা এখনো প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে। আমি প্রশাসনের কাছে জানতে চাই, কেন এখনো তাদের গ্রেফতার করা হচ্ছে না।”

আসক নীলফামারী জেলার সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক সাবু বলেন,

“প্রশাসনের সামনেই একজন মানবাধিকার কর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছে, অথচ প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ নেই। সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মীরা কিভাবে নিরাপদে কাজ করবে? সংবাদকর্মী নাহিদ হাসানকে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে ১৫ নম্বর আসামি করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাই এবং নাহিদের নাম প্রত্যাহার ও হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি করছি।”

মানববন্ধন শেষে বক্তারা জানান, প্রশাসন দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে তারা আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করবেন।