সরকার পরিবর্তনের দেড় বছর পরও যুবলীগ নেতা নুরুল হক অধরা থাকার অভিযোগে স্থানীয়দের ক্ষোভ

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দেড় বছর অতিক্রান্ত হলেও হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নে দলীয় বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে এখনও তীব্র উদ্বেগ ও আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান দিলাওর এবং যুবলীগের আহ্বায়ক নুরুল হককে নিয়ে নানা অভিযোগ স্থানীয় পর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরে ঘুরপাক খাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, দুজনই রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন এবং গ্রেফতারের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন।

স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১২ এপ্রিল হবিগঞ্জ শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় যে সকল ব্যক্তির নাম উঠে আসে, তাদের মধ্যে আউশকান্দির কিছু নেতাকর্মীর নামও উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তারা হবিগঞ্জ, নবীগঞ্জ, সিলেট ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশে অংশ নেন। এসব অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা থাকলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ জমতে শুরু করেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত বিভিন্ন হামলার ঘটনায় যাদের নাম এসেছে, তারা এখনও এলাকায় অবাধে চলাফেরা করছে। বিশেষ করে যুবলীগ নেতা নুরুল হকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে দাবি করা হলেও তাকে গ্রেফতার করার লক্ষ্যে প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না বলে অনেকে মনে করছেন। এতে অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক প্রভাব ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের কারণে তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।

আরোও পড়ুন – ধানমন্ডি থেকে গ্রেফতার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিস্টার ইমন

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সাম্প্রতিক সময়েও নুরুল হক মোটরসাইকেলে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং গোপনে দলীয় কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। এ ধরনের আচরণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, যাদের নামে বিভিন্ন অভিযোগ আছে তারা যদি প্রকাশ্যে সক্রিয় থাকেন, তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা কমে যাবে।

স্থানীয় ছাত্রজনতার দাবি, বারবার অভিযোগ দেওয়া সত্ত্বেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, অভিযোগিত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

সরকার পরিবর্তনের দেড় বছর পরও যুবলীগ নেতা নুরুল হক অধরা থাকার অভিযোগে স্থানীয়দের ক্ষোভ

নভেম্বর ১৯, ২০২৫

নবীগঞ্জ (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

আওয়ামী লীগ সরকার পতনের দেড় বছর অতিক্রান্ত হলেও হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার আউশকান্দি ইউনিয়নে দলীয় বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের কর্মকাণ্ড নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে এখনও তীব্র উদ্বেগ ও আলোচনা চলছে। বিশেষ করে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চেয়ারম্যান দিলাওর এবং যুবলীগের আহ্বায়ক নুরুল হককে নিয়ে নানা অভিযোগ স্থানীয় পর্যায়ে দীর্ঘদিন ধরে ঘুরপাক খাচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, দুজনই রাজনৈতিক পরিবর্তনের পরও এলাকায় সক্রিয় রয়েছেন এবং গ্রেফতারের তালিকায় নাম থাকা সত্ত্বেও প্রকাশ্যে চলাফেরা করছেন।

স্থানীয় সূত্রের ভাষ্য, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১২ এপ্রিল হবিগঞ্জ শহরের স্টাফ কোয়ার্টার এলাকায় আন্দোলনকারীদের ওপর হামলার ঘটনায় যে সকল ব্যক্তির নাম উঠে আসে, তাদের মধ্যে আউশকান্দির কিছু নেতাকর্মীর নামও উল্লেখ করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, তারা হবিগঞ্জ, নবীগঞ্জ, সিলেট ও ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে সভা-সমাবেশে অংশ নেন। এসব অভিযোগ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে আলোচনা থাকলেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান কোনো আইনগত ব্যবস্থা না নেওয়ায় জনমনে ক্ষোভ জমতে শুরু করেছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ছাত্র আন্দোলনের সময় সংঘটিত বিভিন্ন হামলার ঘটনায় যাদের নাম এসেছে, তারা এখনও এলাকায় অবাধে চলাফেরা করছে। বিশেষ করে যুবলীগ নেতা নুরুল হকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে বলে দাবি করা হলেও তাকে গ্রেফতার করার লক্ষ্যে প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ চোখে পড়ছে না বলে অনেকে মনে করছেন। এতে অনেকেই মনে করছেন, রাজনৈতিক প্রভাব ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের কারণে তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছেন।

আরোও পড়ুন – ধানমন্ডি থেকে গ্রেফতার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সদস্য ব্যারিস্টার ইমন

এছাড়া অভিযোগ রয়েছে, সাম্প্রতিক সময়েও নুরুল হক মোটরসাইকেলে এলাকায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন এবং গোপনে দলীয় কর্মকাণ্ডে যুক্ত আছেন। এ ধরনের আচরণে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন। তারা মনে করেন, যাদের নামে বিভিন্ন অভিযোগ আছে তারা যদি প্রকাশ্যে সক্রিয় থাকেন, তবে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থা কমে যাবে।

স্থানীয় ছাত্রজনতার দাবি, বারবার অভিযোগ দেওয়া সত্ত্বেও সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় প্রশাসনের প্রতি মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে। তারা আশা প্রকাশ করেন, অভিযোগিত ব্যক্তিদের আইনের আওতায় এনে এলাকায় স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার জন্য প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।