মাজহারুল ইসলাম বাদলঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের প্রার্থীতা ঘিরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন আরও তীব্র হয়েছে। সম্প্রতি দলীয় প্রাথমিক খসড়া তালিকায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মান্নানের নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই মনোনয়ন বঞ্চিত কয়েকজন প্রার্থী ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মাঠে সক্রিয় হন। তাদের দাবি, তৃণমূল নেতাকর্মীদের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করা জরুরি।
বুধবার বিকেলে নবীনগর হাইস্কুল মাঠে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত মহাসমাবেশে নতুন চিত্র দেখা যায়। দীর্ঘদিনের দ্বিধাবিভক্ত বিএনপির চারটি গ্রুপের প্রতিনিধিত্বকারী সাতজন সম্ভাব্য প্রার্থী একই মঞ্চে ওঠেন এবং জানান যে মনোনয়ন বঞ্চিত এ সাতজনের মধ্য থেকে যেকোনো একজনকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা উচিত। তাদের এই উপস্থিতি স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি বর্তমানে চার ভাগে বিভক্ত। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মনোনীত প্রার্থী এম এ মান্নান। আরেকটি গ্রুপে রয়েছেন জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক নাজমূল হোসেন তাপস। তৃতীয় গ্রুপের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদুল হক সাইদ এবং চতুর্থ গ্রুপে রয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তকদির হোসেন মোহাম্মদ জসিম।
আরোও পড়ুন – মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে কুমিল্লায় বিএনপি নেতার সমর্থকদের বিক্ষোভ
মহাসমাবেশে এ চার গ্রুপের সাতজন নেতা একত্রিত হয়ে নিজেদের পক্ষে মনোনয়নের দাবি তোলেন। তারা হলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমূল হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন ভূইয়া শিশির, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসাধারণ সম্পাদক কেএম মামুন অর রশিদ, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু, সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরও কয়েকজন নেতৃবৃন্দ। সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমূল হোসেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন যে তৃণমূলের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রার্থী নির্বাচন করা হলে বিএনপির সংগঠন আরও সুসংহত হবে এবং আসন্ন নির্বাচনে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করা সম্ভব হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামতকে মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
নবীনগরজুড়ে এই মহাসমাবেশকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। তরুণদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, একই মঞ্চে সাতজন প্রার্থীর উপস্থিতি বিএনপির অভ্যন্তরীণ সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এখন সবার দৃষ্টি দলীয় হাইকমান্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে।

নবীনগরে তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নে মহাসমাবেশে মনোনয়ন বিতর্কে সাত প্রার্থীর ঐক্য
মাজহারুল ইসলাম বাদলঃ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫ আসনের প্রার্থীতা ঘিরে বিএনপির অভ্যন্তরীণ টানাপোড়েন আরও তীব্র হয়েছে। সম্প্রতি দলীয় প্রাথমিক খসড়া তালিকায় উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট এম এ মান্নানের নাম ঘোষণা হওয়ার পর থেকেই মনোনয়ন বঞ্চিত কয়েকজন প্রার্থী ব্যাপক প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মাঠে সক্রিয় হন। তাদের দাবি, তৃণমূল নেতাকর্মীদের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনা করা জরুরি।
বুধবার বিকেলে নবীনগর হাইস্কুল মাঠে তারেক রহমানের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আয়োজিত মহাসমাবেশে নতুন চিত্র দেখা যায়। দীর্ঘদিনের দ্বিধাবিভক্ত বিএনপির চারটি গ্রুপের প্রতিনিধিত্বকারী সাতজন সম্ভাব্য প্রার্থী একই মঞ্চে ওঠেন এবং জানান যে মনোনয়ন বঞ্চিত এ সাতজনের মধ্য থেকে যেকোনো একজনকে প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করা উচিত। তাদের এই উপস্থিতি স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি বর্তমানে চার ভাগে বিভক্ত। একটি গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও মনোনীত প্রার্থী এম এ মান্নান। আরেকটি গ্রুপে রয়েছেন জেলা বিএনপির অর্থ বিষয়ক সম্পাদক নাজমূল হোসেন তাপস। তৃতীয় গ্রুপের নেতৃত্বে কেন্দ্রীয় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য সাইদুল হক সাইদ এবং চতুর্থ গ্রুপে রয়েছেন কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য তকদির হোসেন মোহাম্মদ জসিম।
আরোও পড়ুন – মনোনয়ন বঞ্চিত হয়ে কুমিল্লায় বিএনপি নেতার সমর্থকদের বিক্ষোভ
মহাসমাবেশে এ চার গ্রুপের সাতজন নেতা একত্রিত হয়ে নিজেদের পক্ষে মনোনয়নের দাবি তোলেন। তারা হলেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমূল হোসেন, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য সালাহ উদ্দিন ভূইয়া শিশির, কেন্দ্রীয় কৃষকদলের সহসাধারণ সম্পাদক কেএম মামুন অর রশিদ, ছাত্রদল কেন্দ্রীয় কমিটির সহসাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট রাজিব আহসান চৌধুরী পাপ্পু, সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন আরও কয়েকজন নেতৃবৃন্দ। সমাবেশের সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নাজমূল হোসেন।
সমাবেশে বক্তারা বলেন যে তৃণমূলের প্রত্যাশা অনুযায়ী প্রার্থী নির্বাচন করা হলে বিএনপির সংগঠন আরও সুসংহত হবে এবং আসন্ন নির্বাচনে শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করা সম্ভব হবে। তারা আশা প্রকাশ করেন যে কেন্দ্রীয় হাইকমান্ড স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতামতকে মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে।
নবীনগরজুড়ে এই মহাসমাবেশকে ঘিরে নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ দেখা যায়। তরুণদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, একই মঞ্চে সাতজন প্রার্থীর উপস্থিতি বিএনপির অভ্যন্তরীণ সমীকরণে নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এখন সবার দৃষ্টি দলীয় হাইকমান্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের দিকে।
