শ্যামল চন্দ্র রায়, জলঢাকা প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার ১০ নম্বর শৈলমারী ইউনিয়নের বানপাড়া সুইচগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সকাল থেকেই ওই এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত যুবকের নাম মাসুদ রানা। তিনি কয়েক দিন আগে ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে ফিরেছিলেন। পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে সময় কাটালেও হঠাৎ এক রাতে তিনি বাড়িতে ফেরেননি। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং আত্মীয়স্বজন ও আশপাশের এলাকায় খোঁজখবর শুরু করেন। রাত পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় উৎকণ্ঠা আরও বাড়তে থাকে।
পরদিন সকালে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বানপাড়া এলাকার সুইচগেট সংলগ্ন স্থানে একটি মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করেন। পরে নিশ্চিত হওয়া যায় মরদেহটি নিখোঁজ থাকা মাসুদ রানার।
খবর পেয়ে জলঢাকা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর প্রয়োজনীয় সুরতহাল প্রস্তুত করা হয় এবং মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সব দিক বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার গভীর শোকের মধ্যে রয়েছে। স্বজনদের দাবি, মাসুদ রানার সঙ্গে কারও প্রকাশ্য বিরোধ বা শত্রুতার কথা তাদের জানা নেই। ফলে এমন মৃত্যুর ঘটনা তাদের জন্য অপ্রত্যাশিত ও বেদনাদায়ক। এলাকাবাসীর মধ্যেও নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন হলে পরিবারের সদস্য ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হবে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলের আশপাশের পরিবেশ, সময়কাল ও অন্যান্য আলামত যাচাই করা হচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।
নীলফামারীর জলঢাকায় নিখোঁজের পর সুইচগেটে মিলল যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ
শ্যামল চন্দ্র রায়, জলঢাকা প্রতিনিধিঃ
নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলার ১০ নম্বর শৈলমারী ইউনিয়নের বানপাড়া সুইচগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সকাল থেকেই ওই এলাকায় উৎসুক জনতার ভিড় জমে।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত যুবকের নাম মাসুদ রানা। তিনি কয়েক দিন আগে ঢাকা থেকে নিজ বাড়িতে ফিরেছিলেন। পরিবার ও স্বজনদের সঙ্গে স্বাভাবিকভাবে সময় কাটালেও হঠাৎ এক রাতে তিনি বাড়িতে ফেরেননি। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের সদস্যরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন এবং আত্মীয়স্বজন ও আশপাশের এলাকায় খোঁজখবর শুরু করেন। রাত পেরিয়ে গেলেও তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় উৎকণ্ঠা আরও বাড়তে থাকে।
পরদিন সকালে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বানপাড়া এলাকার সুইচগেট সংলগ্ন স্থানে একটি মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। বিষয়টি দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হন এবং পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করেন। পরে নিশ্চিত হওয়া যায় মরদেহটি নিখোঁজ থাকা মাসুদ রানার।
খবর পেয়ে জলঢাকা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মরদেহ উদ্ধার করে। এরপর প্রয়োজনীয় সুরতহাল প্রস্তুত করা হয় এবং মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য সংশ্লিষ্ট মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে সব দিক বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।
এ ঘটনায় নিহতের পরিবার গভীর শোকের মধ্যে রয়েছে। স্বজনদের দাবি, মাসুদ রানার সঙ্গে কারও প্রকাশ্য বিরোধ বা শত্রুতার কথা তাদের জানা নেই। ফলে এমন মৃত্যুর ঘটনা তাদের জন্য অপ্রত্যাশিত ও বেদনাদায়ক। এলাকাবাসীর মধ্যেও নানা প্রশ্ন ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
পুলিশ সূত্র জানায়, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে না পাওয়া পর্যন্ত মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা সম্ভব নয়। তদন্তের স্বার্থে প্রয়োজন হলে পরিবারের সদস্য ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলা হবে। পাশাপাশি ঘটনাস্থলের আশপাশের পরিবেশ, সময়কাল ও অন্যান্য আলামত যাচাই করা হচ্ছে।
স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সবাইকে গুজবে কান না দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা স্পষ্ট হলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচার প্রত্যাশা করছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী।