এনায়েত করিম রাজিব,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
দেশজুড়ে চলমান শীতপ্রবাহে নিম্নআয়ের মানুষের দুর্ভোগ যখন চরমে, তখন মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে এগিয়ে এসেছে বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থা। বাগেরহাটে অসহায়, দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে সংস্থাটির উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায় অবস্থিত বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এএসএম মঞ্জুরুল হাসান মিলন। তিনি বলেন, সমাজের অসহায় মানুষদের সহায়তা করা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শীত মৌসুমে দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন।
শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাগেরহাট শহরের সমাজসেবা কর্মকর্তা এসএম নাজমুছ সাকিব। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শীতপ্রবণ সময়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। মানবিক কাজে বাঁধনের ভূমিকা প্রশংসনীয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি খন্দকার জাহিদ হোসেন (মিন্টু)। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংস্থার নির্বাহী সদস্য শেখ মো. হাফিজুর রহমান, প্রকল্প সমন্বয়কারী সোহাগ হাওলাদার, প্রজেক্ট অফিসার সানি জোবায়ের, হিসাব রক্ষক ফাতেমা খাতুনসহ সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকরা।
কর্মসূচিতে যুব সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। তারা শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
অনুষ্ঠান শেষে বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে উপকারভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ উদ্যোগের জন্য বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
স্থানীয়দের মতে, শীত মৌসুমে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা কিছুটা হলেও সহজ করে তোলে। ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষের মাঝে সহায়তা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।
বাগেরহাটে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়াল বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থা
এনায়েত করিম রাজিব,বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
দেশজুড়ে চলমান শীতপ্রবাহে নিম্নআয়ের মানুষের দুর্ভোগ যখন চরমে, তখন মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে এগিয়ে এসেছে বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থা। বাগেরহাটে অসহায়, দরিদ্র ও শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে সংস্থাটির উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতায় বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিকেলে বাগেরহাট শহরের দশানী এলাকায় অবস্থিত বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার কার্যালয়ে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে সমাজের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সংশ্লিষ্টরা।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক এএসএম মঞ্জুরুল হাসান মিলন। তিনি বলেন, সমাজের অসহায় মানুষদের সহায়তা করা শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি সামাজিক ভারসাম্য রক্ষার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। শীত মৌসুমে দরিদ্র মানুষের কষ্ট লাঘবে এ ধরনের উদ্যোগ আরও বিস্তৃত হওয়া প্রয়োজন।
শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বাগেরহাট শহরের সমাজসেবা কর্মকর্তা এসএম নাজমুছ সাকিব। তিনি তার বক্তব্যে বলেন, শীতপ্রবণ সময়ে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনে। মানবিক কাজে বাঁধনের ভূমিকা প্রশংসনীয় এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থার সভাপতি খন্দকার জাহিদ হোসেন (মিন্টু)। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংস্থার নির্বাহী সদস্য শেখ মো. হাফিজুর রহমান, প্রকল্প সমন্বয়কারী সোহাগ হাওলাদার, প্রজেক্ট অফিসার সানি জোবায়ের, হিসাব রক্ষক ফাতেমা খাতুনসহ সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা ও স্বেচ্ছাসেবকরা।
কর্মসূচিতে যুব সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা যায়। তারা শীতবস্ত্র বিতরণ কার্যক্রম সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
অনুষ্ঠান শেষে বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন এলাকার শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়। শীতবস্ত্র পেয়ে উপকারভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং এ উদ্যোগের জন্য বাঁধন মানব উন্নয়ন সংস্থা ও জেলা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
স্থানীয়দের মতে, শীত মৌসুমে এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম দরিদ্র মানুষের জীবনযাত্রা কিছুটা হলেও সহজ করে তোলে। ভবিষ্যতে আরও বেশি মানুষের মাঝে সহায়তা পৌঁছে দিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহ্বান জানান তারা।