নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবে ধর্মীয় সেবায় নিয়োজিত ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মোট ৫০টি মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন এই শীতবস্ত্র সহায়তার আওতায় আসেন। শীত মৌসুমে যারা নিয়মিত ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, তাদের মানবিক বিবেচনায় উষ্ণতা দেওয়াই ছিল এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
এই কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হয় মৃগী ইউনিয়নের জননেতা হারুন অর রশিদের পক্ষ থেকে। কালুখালী উপজেলা বিএনপির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান রনজু এবং ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পিয়াস হোসেনের উদ্যোগ ও সমন্বয়ে পুরো কার্যক্রমটি সুচারুভাবে সম্পন্ন করা হয়। স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠিত এই উদ্যোগটি শীত মোকাবেলায় একটি ইতিবাচক সামাজিক বার্তা বহন করে।
কম্বল বিতরণ শেষে দেশ ও জাতির জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। ধর্মীয় পরিবেশে আয়োজিত এই দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণকারীরা শীতার্ত মানুষের কল্যাণ ও সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালুখালী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদি হাসান তোতা। এছাড়া কালুখালী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ তৈয়বুর রহমান খান কর্মসূচির সার্বিক দিক তদারকি করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের সক্রিয় উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
এ সময় কালুখালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ছানাউর রহমান ছানা, মৃগী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান আসাদ ও আকরাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি যুব সংগঠনের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হিমেল মাহমুদ, যুব নেতা জামাল হোসেন এবং মৃগী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আকমাল হোসেন কার্যক্রমে অংশ নেন।
এছাড়াও ছাত্রদল ও যুব সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। ছাত্রদল নেতা মোঃ ইকবাল হোসেন, বাহার মাহমুদ, সাব্বির ইরফান, তামিম হোসেন, রাজু আহম্মেদ, আবির হোসেন ও নাহিদ আহম্মেদসহ আরও অনেকে এই মানবিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধকে আরও জোরদার করে।
কালুখালীর মৃগী ইউনিয়নে শীতবস্ত্র পেলেন অর্ধশতাধিক মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
রাজবাড়ী জেলার কালুখালী উপজেলার মৃগী ইউনিয়নে শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর অংশ হিসেবে ধর্মীয় সেবায় নিয়োজিত ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাঝে কম্বল বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মোট ৫০টি মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিন এই শীতবস্ত্র সহায়তার আওতায় আসেন। শীত মৌসুমে যারা নিয়মিত ধর্মীয় দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন, তাদের মানবিক বিবেচনায় উষ্ণতা দেওয়াই ছিল এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।
এই কর্মসূচিটি বাস্তবায়িত হয় মৃগী ইউনিয়নের জননেতা হারুন অর রশিদের পক্ষ থেকে। কালুখালী উপজেলা বিএনপির সহ-শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ কামরুজ্জামান রনজু এবং ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পিয়াস হোসেনের উদ্যোগ ও সমন্বয়ে পুরো কার্যক্রমটি সুচারুভাবে সম্পন্ন করা হয়। স্থানীয় পর্যায়ে সংগঠিত এই উদ্যোগটি শীত মোকাবেলায় একটি ইতিবাচক সামাজিক বার্তা বহন করে।
কম্বল বিতরণ শেষে দেশ ও জাতির জন্য বিশেষ দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। পাশাপাশি সদ্য প্রয়াত সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। ধর্মীয় পরিবেশে আয়োজিত এই দোয়া মাহফিলে অংশগ্রহণকারীরা শীতার্ত মানুষের কল্যাণ ও সমাজে মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত থাকার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কালুখালী উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মেহেদি হাসান তোতা। এছাড়া কালুখালী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ তৈয়বুর রহমান খান কর্মসূচির সার্বিক দিক তদারকি করেন। স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক নেতৃবৃন্দের সক্রিয় উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
এ সময় কালুখালী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ছানাউর রহমান ছানা, মৃগী ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান মিজান, সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আসাদুজ্জামান আসাদ ও আকরাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন। পাশাপাশি যুব সংগঠনের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক হিমেল মাহমুদ, যুব নেতা জামাল হোসেন এবং মৃগী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক আকমাল হোসেন কার্যক্রমে অংশ নেন।
এছাড়াও ছাত্রদল ও যুব সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজনটি সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন হয়। ছাত্রদল নেতা মোঃ ইকবাল হোসেন, বাহার মাহমুদ, সাব্বির ইরফান, তামিম হোসেন, রাজু আহম্মেদ, আবির হোসেন ও নাহিদ আহম্মেদসহ আরও অনেকে এই মানবিক উদ্যোগে অংশগ্রহণ করেন। স্থানীয়দের মতে, এ ধরনের কার্যক্রম সমাজে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সামাজিক দায়িত্ববোধকে আরও জোরদার করে।