মাজহারুল ইসলাম বাদল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের জিনোদপুর–শাহপুর সড়কে উন্নয়নের নামে অনুমতি ছাড়াই সরকারি গাছ নিধনের অভিযোগ
উন্নয়নের নামে সরকারি গাছ নিধনের অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের জিনোদপুর থেকে শাহপুর সড়কের দুই পাশে থাকা সরকারি গাছ কেটে প্রকাশ্যে লুটপাট চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নের নামে লিজে আনা গাছ ছাড়াও অনুমতি না নিয়েই একাধিক স্থানে স্থানীয় কিছু উৎসুক ব্যক্তি গাছ কেটে বিক্রি করছেন।
অনুমতি ছাড়াই গাছ কেটে বিক্রি ও লাকড়ি সংগ্রহ
কাটা গাছের কিছু অংশ বিক্রি করা হচ্ছে স’মিলে, আবার কিছু গাছ লাকড়ি হিসেবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাড়িতে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো কার্যকর ভূমিকা চোখে পড়েনি।
পরিবেশ ও পাখির বাসস্থানে মারাত্মক হুমকি
নেটিজেন ও স্থানীয় পরিবেশ সচেতনদের মতে, নির্বাচনি ব্যস্ততার সুযোগে সরকারি কর্মকর্তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। গাছ কাটার কারণে পাখির বাসস্থান ধ্বংস হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সরেজমিনে মিলল কাটা গাছের সারি
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার পাশে সারি সারি তাল গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। এছাড়াও ডাল, কড়ই, মেহগনি সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন দ্রুত গাছ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
প্রশাসনের বক্তব্য
এ বিষয়ে সাতমোড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কারিমা আক্তার জানান, তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে যোগাযোগ করলে ইউএনও তাকে বিষয়টি বন কর্মকর্তাকে জানাতে বলেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা ফজলে রাব্বীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
“সরেজমিনে না গিয়ে আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারবো না।”
দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর
এলাকাবাসীর দাবি, অবৈধভাবে সরকারি গাছ কর্তনকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। না হলে ভবিষ্যতে আরও বেশি গাছ নিধন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
নবীনগরে সড়কের সরকারি গাছ কেটে লুটপাট, নিরব প্রশাসন
মাজহারুল ইসলাম বাদল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের জিনোদপুর–শাহপুর সড়কে উন্নয়নের নামে অনুমতি ছাড়াই সরকারি গাছ নিধনের অভিযোগ
উন্নয়নের নামে সরকারি গাছ নিধনের অভিযোগ
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের জিনোদপুর থেকে শাহপুর সড়কের দুই পাশে থাকা সরকারি গাছ কেটে প্রকাশ্যে লুটপাট চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সড়ক সংস্কার ও উন্নয়নের নামে লিজে আনা গাছ ছাড়াও অনুমতি না নিয়েই একাধিক স্থানে স্থানীয় কিছু উৎসুক ব্যক্তি গাছ কেটে বিক্রি করছেন।
অনুমতি ছাড়াই গাছ কেটে বিক্রি ও লাকড়ি সংগ্রহ
কাটা গাছের কিছু অংশ বিক্রি করা হচ্ছে স’মিলে, আবার কিছু গাছ লাকড়ি হিসেবে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে বাড়িতে। অথচ দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের কর্মকাণ্ড চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কোনো কার্যকর ভূমিকা চোখে পড়েনি।
পরিবেশ ও পাখির বাসস্থানে মারাত্মক হুমকি
নেটিজেন ও স্থানীয় পরিবেশ সচেতনদের মতে, নির্বাচনি ব্যস্ততার সুযোগে সরকারি কর্মকর্তারা বিষয়টি এড়িয়ে যাচ্ছেন। এর ফলে পরিবেশের মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। গাছ কাটার কারণে পাখির বাসস্থান ধ্বংস হচ্ছে এবং পরিবেশের ভারসাম্য চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
সরেজমিনে মিলল কাটা গাছের সারি
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, রাস্তার পাশে সারি সারি তাল গাছ কেটে ফেলে রাখা হয়েছে। এছাড়াও ডাল, কড়ই, মেহগনি সহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কাটা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। সাংবাদিকদের উপস্থিতি টের পেয়ে কয়েকজন দ্রুত গাছ সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন।
প্রশাসনের বক্তব্য
এ বিষয়ে সাতমোড়া ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কারিমা আক্তার জানান, তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) সঙ্গে যোগাযোগ করলে ইউএনও তাকে বিষয়টি বন কর্মকর্তাকে জানাতে বলেন।
উপজেলা বন কর্মকর্তা ফজলে রাব্বীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন,
“সরেজমিনে না গিয়ে আমি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে পারবো না।”
দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি এলাকাবাসীর
এলাকাবাসীর দাবি, অবৈধভাবে সরকারি গাছ কর্তনকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হোক। না হলে ভবিষ্যতে আরও বেশি গাছ নিধন হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।