এনায়েত করিম রাজিব
বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। পরীক্ষার এই গুরুত্বপূর্ণ সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি থাকার কথা ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ে, কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় চলমান বিদ্যুৎ বিভ্রাট এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত লোডশেডিং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশকে পুরোপুরি ব্যাহত করছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনের অধিকাংশ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না এবং সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ওঠে। যখন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সময়, তখনই দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে মোমবাতি বা কুপির আলো ব্যবহার করছে। এতে শুধু চোখের সমস্যাই নয়, মনোযোগ ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট এসএসসি প্রস্তুতিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিলেবাস শেষ করতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন।
এদিকে বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি তীব্র গরম পরিস্থিতিকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে। ফ্যান না চলায় গুমোট পরিবেশে পড়াশোনা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠছে। দীর্ঘ সময় গরমে থাকার কারণে অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে পানিশূন্যতা, মাথাব্যথা ও জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের পরিস্থিতি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দ্বিগুণ চাপ সৃষ্টি করছে।
একজন অভিভাবক জানান, “সামনে মেয়ের পরীক্ষা, কিন্তু ঘরে পাঁচ মিনিটও বিদ্যুৎ থাকে না। প্রচণ্ড গরমে সে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এই অবস্থায় পরীক্ষা দেওয়া খুবই কঠিন হয়ে যাবে।” এমন অভিযোগ এখন প্রায় প্রতিটি পরিবারেই শোনা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের এই দুর্ভোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন নাগরিকরা, যারা দ্রুত সমাধান চান।
এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত এসএসসি পরীক্ষার সময়টুকু নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা অব্যাহত থাকলে শিক্ষার্থীদের মেধার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকট নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই বিদ্যুৎ বিভ্রাট এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সমস্যা দ্রুত সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।
আরোও পড়ুন – বাগেরহাটে ভুয়া বিল কেলেঙ্কারি: ১৯ মাসে ৩ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ
মোরেলগঞ্জে-শরণখোলায় বিদ্যুৎ বিভ্রাটে অতিষ্ঠ এসএসসি পরীক্ষার্থীরা: জনজীবনে চরম ভোগান্তি
এনায়েত করিম রাজিব
বাগেরহাট প্রতিনিধিঃ
আগামী ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাচ্ছে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা। পরীক্ষার এই গুরুত্বপূর্ণ সময় ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি থাকার কথা ছিল সর্বোচ্চ পর্যায়ে, কিন্তু বাস্তবতা একেবারেই ভিন্ন। বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলায় চলমান বিদ্যুৎ বিভ্রাট এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য বড় ধরনের সংকট তৈরি করেছে। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অব্যাহত লোডশেডিং শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার পরিবেশকে পুরোপুরি ব্যাহত করছে, যা তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ বাড়িয়ে তুলেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দিনের অধিকাংশ সময়ই বিদ্যুৎ থাকে না এবং সন্ধ্যার পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে ওঠে। যখন শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য সবচেয়ে প্রয়োজনীয় সময়, তখনই দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় তারা বাধ্য হয়ে মোমবাতি বা কুপির আলো ব্যবহার করছে। এতে শুধু চোখের সমস্যাই নয়, মনোযোগ ধরে রাখাও কঠিন হয়ে পড়ছে। অনেক পরীক্ষার্থী জানিয়েছেন, এই বিদ্যুৎ বিভ্রাট এসএসসি প্রস্তুতিতে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সিলেবাস শেষ করতে তারা হিমশিম খাচ্ছেন।
এদিকে বিদ্যুৎ সংকটের পাশাপাশি তীব্র গরম পরিস্থিতিকে আরও অসহনীয় করে তুলেছে। ফ্যান না চলায় গুমোট পরিবেশে পড়াশোনা করা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠছে। দীর্ঘ সময় গরমে থাকার কারণে অনেক শিক্ষার্থী ইতোমধ্যে পানিশূন্যতা, মাথাব্যথা ও জ্বরে আক্রান্ত হচ্ছে। চিকিৎসকদের মতে, এই ধরনের পরিস্থিতি শিক্ষার্থীদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বিদ্যুৎ বিভ্রাট এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য দ্বিগুণ চাপ সৃষ্টি করছে।
একজন অভিভাবক জানান, “সামনে মেয়ের পরীক্ষা, কিন্তু ঘরে পাঁচ মিনিটও বিদ্যুৎ থাকে না। প্রচণ্ড গরমে সে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। এই অবস্থায় পরীক্ষা দেওয়া খুবই কঠিন হয়ে যাবে।” এমন অভিযোগ এখন প্রায় প্রতিটি পরিবারেই শোনা যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের এই দুর্ভোগে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও সচেতন নাগরিকরা, যারা দ্রুত সমাধান চান।
এলাকাবাসীর দাবি, অন্তত এসএসসি পরীক্ষার সময়টুকু নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করা হোক। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা অব্যাহত থাকলে শিক্ষার্থীদের মেধার ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন তারা। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সংকট নিরসনে জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই বিদ্যুৎ বিভ্রাট এসএসসি পরীক্ষার্থীদের সমস্যা দ্রুত সমাধানে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া এখন সময়ের দাবি।
আরোও পড়ুন – বাগেরহাটে ভুয়া বিল কেলেঙ্কারি: ১৯ মাসে ৩ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ