বগুড়া জেলা প্রতিনিধি
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় ধানক্ষেত থেকে এক রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) সকালে উপজেলার বিহার ইউনিয়নের সংসারদিঘী দোবিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি শাহ আলম (৪২) নামে এক রাজমিস্ত্রি বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয়রা। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা ইদ্রিস আলীর ছেলে। সকালে গ্রামের কৃষকরা জমিতে কাজ করতে গিয়ে মরদেহটি দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এদিকে, ধানক্ষেতে মরদেহ উদ্ধার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় শোক ও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালেও কয়েকজন কৃষক ধানক্ষেতে কাজ করতে যান। এ সময় জমির এক পাশে একজন ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে তারা দেখতে পান ওই ব্যক্তি মারা গেছেন। পরে চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ সেখানে জড়ো হন। কিছুক্ষণ পর স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি শাহ আলমের বলে শনাক্ত করেন। গ্রামবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, শাহ আলম দীর্ঘদিন ধরে রাজমিস্ত্রির কাজ করে পরিবার চালাতেন এবং এলাকায় শান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হঠাৎ এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ধানক্ষেতে মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল ঘিরে প্রাথমিক তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন এবং আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এদিকে, ধানক্ষেতে মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় নিহতের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ঘটনাস্থলের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, শাহ আলমের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল কি না তা তারা নিশ্চিত নন। তবে গত কয়েকদিন ধরে তিনি কিছুটা চিন্তিত ছিলেন বলে অনেকে দাবি করেছেন। আবার কেউ কেউ ধারণা করছেন, রাতে বাড়ি ফেরার পথে অসুস্থ হয়ে তিনি জমির পাশে পড়ে যেতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত করা হচ্ছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ধানক্ষেতে মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো গুজব না ছড়ায় সে দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
শিবগঞ্জ থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিকভাবে তেমন কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে এবং মৃত্যুর আগে শাহ আলম কোথায় ছিলেন তা জানার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিলেও পুলিশ সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছে। গ্রামবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে।
আরোও পড়ুন – তালাশ টিম নাম ব্যবহার করে প্রতারণা, রংপুরে সাধারণ মানুষ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ
বগুড়ায় ধানক্ষেত থেকে রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধার, এলাকায় চাঞ্চল্য
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি
বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলায় ধানক্ষেত থেকে এক রাজমিস্ত্রির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (১৬ মে) সকালে উপজেলার বিহার ইউনিয়নের সংসারদিঘী দোবিলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তি শাহ আলম (৪২) নামে এক রাজমিস্ত্রি বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয়রা। তিনি ওই গ্রামের বাসিন্দা ইদ্রিস আলীর ছেলে। সকালে গ্রামের কৃষকরা জমিতে কাজ করতে গিয়ে মরদেহটি দেখতে পান। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন ও স্বজনরা ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এদিকে, ধানক্ষেতে মরদেহ উদ্ধার হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় শোক ও উদ্বেগের পরিবেশ তৈরি হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালেও কয়েকজন কৃষক ধানক্ষেতে কাজ করতে যান। এ সময় জমির এক পাশে একজন ব্যক্তিকে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে তাদের সন্দেহ হয়। কাছে গিয়ে তারা দেখতে পান ওই ব্যক্তি মারা গেছেন। পরে চিৎকার দিলে আশপাশের মানুষ সেখানে জড়ো হন। কিছুক্ষণ পর স্বজনরা ঘটনাস্থলে এসে মরদেহটি শাহ আলমের বলে শনাক্ত করেন। গ্রামবাসীর ভাষ্য অনুযায়ী, শাহ আলম দীর্ঘদিন ধরে রাজমিস্ত্রির কাজ করে পরিবার চালাতেন এবং এলাকায় শান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। হঠাৎ এমন ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ও নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ধানক্ষেতে মরদেহ উদ্ধার হওয়ার পর ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু নাকি অন্য কোনো কারণ রয়েছে তা নিয়ে আলোচনা চলছে।
খবর পেয়ে শিবগঞ্জ থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে। পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থল ঘিরে প্রাথমিক তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন এবং আশপাশের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। পরে মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে। এদিকে, ধানক্ষেতে মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনায় নিহতের পরিবারে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। পরিবারের সদস্যদের কান্নায় ঘটনাস্থলের পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, শাহ আলমের সঙ্গে কারও শত্রুতা ছিল কি না তা তারা নিশ্চিত নন। তবে গত কয়েকদিন ধরে তিনি কিছুটা চিন্তিত ছিলেন বলে অনেকে দাবি করেছেন। আবার কেউ কেউ ধারণা করছেন, রাতে বাড়ি ফেরার পথে অসুস্থ হয়ে তিনি জমির পাশে পড়ে যেতে পারেন। যদিও এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য করেনি পুলিশ। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বলছেন, ঘটনাটিকে গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত করা হচ্ছে এবং সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বিশেষ করে ধানক্ষেতে মরদেহ উদ্ধার হওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো গুজব না ছড়ায় সে দিকেও নজর রাখা হচ্ছে।
শিবগঞ্জ থানা পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, ঘটনাস্থল থেকে প্রাথমিকভাবে তেমন কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট ও তদন্তের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, নিহতের স্বজনদের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে এবং মৃত্যুর আগে শাহ আলম কোথায় ছিলেন তা জানার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিলেও পুলিশ সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানিয়েছে। গ্রামবাসীর প্রত্যাশা, দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করা হবে।
আরোও পড়ুন – তালাশ টিম নাম ব্যবহার করে প্রতারণা, রংপুরে সাধারণ মানুষ থেকে টাকা আদায়ের অভিযোগ