সালেকুজ্জামান শামীম, ঝিনাইদহ মহেশপুর প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে তিনি হাসপাতালটিতে পৌঁছে চিকিৎসাসেবা ও রোগীদের সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন। পূর্বঘোষণা ছাড়া মন্ত্রীর এই পরিদর্শনে হাসপাতালের বিভিন্ন সেবার বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি হয়। এ সময় তিনি চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে রোগীদের সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যা বা ঘাটতি রয়েছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী হাসপাতালের রোগীদের চিকিৎসাসেবা, ভর্তি রোগীদের অবস্থা, ওয়ার্ডের পরিবেশ, খাবারের মান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, রোগীরা নিয়মিত সেবা পাচ্ছেন কি না এবং হাসপাতালের দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা রয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন। আকস্মিকভাবে হাসপাতাল পরিদর্শনের ফলে সেবার বাস্তব চিত্র সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এতে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রও আরও স্পষ্ট হতে পারে বলে স্থানীয়দের প্রত্যাশা।
হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা কয়েকজন রোগী ও স্বজন মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনকে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন। তাদের প্রত্যাশা, এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন নিয়মিত হলে চিকিৎসাসেবার মান, হাসপাতালের পরিবেশ, খাবারের মান ও রোগীবান্ধব ব্যবস্থাপনায় আরও উন্নতি আসবে। বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে সাধারণ মানুষের নির্ভরতা বেশি হওয়ায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সেবা, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সুবিধা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং রোগীদের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। রোগীদের এই প্রত্যাশার সঙ্গে স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত প্রয়োজন ও দাবিও জড়িত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলের পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন বলে জানা গেছে। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা শুধু চিকিৎসা পাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; জরুরি সময়ে দ্রুত সেবা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পর্যাপ্ত জনবলসহ কার্যকর ব্যবস্থাপনাও তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে এসব বিষয়ে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা সামনে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে কোন কোন বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পরিদর্শনকালে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী মহেশপুর উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ মহেশপুরের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নসহ এলাকার মানুষের বিভিন্ন প্রত্যাশা ও প্রয়োজনীয় বিষয় তুলে ধরেন। বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার বিষয়ে আলোচনা হয়। স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং স্বাস্থ্য বিভাগের মধ্যে সমন্বয় থাকলে জনগণের প্রয়োজনগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা সহজ হয়। মতবিনিময়কে তাই স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা তুলে ধরার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মতো উপজেলা পর্যায়ের সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেবাকেন্দ্র। দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা রোগীদের অনেকেই স্বল্প খরচে চিকিৎসা পাওয়ার প্রত্যাশায় এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করেন। ফলে চিকিৎসকদের উপস্থিতি, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর সেবা, প্রয়োজনীয় ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, পরিচ্ছন্নতা, খাবারের মান এবং জরুরি সেবার সক্ষমতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন এই বিষয়গুলোকে আবারও আলোচনার সামনে এনেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পরিদর্শনের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে হাসপাতালটির সেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ তার সুফল পাবেন বলে তারা আশা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, মহেশপুরের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিদর্শনের বিষয়গুলো বাস্তবায়নমুখী উদ্যোগে রূপ নেবে। বিশেষ করে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের খাবার, চিকিৎসাসেবা এবং ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা থাকলে তা দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার মান ধরে রাখতে নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে তাই স্থানীয়দের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ আরও সহজ, মানসম্মত ও মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে এবং এই উদ্যোগের সুফল ভবিষ্যতে সাধারণ রোগীরা পাবেন।
আরোও পড়ুন – শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলে ভারত সফর নয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী
সালেকুজ্জামান শামীম, ঝিনাইদহ মহেশপুর প্রতিনিধি
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শন করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ১২টার দিকে তিনি হাসপাতালটিতে পৌঁছে চিকিৎসাসেবা ও রোগীদের সার্বিক পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন। পূর্বঘোষণা ছাড়া মন্ত্রীর এই পরিদর্শনে হাসপাতালের বিভিন্ন সেবার বাস্তব চিত্র পর্যবেক্ষণের সুযোগ তৈরি হয়। এ সময় তিনি চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে রোগীদের সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ধরনের সমস্যা বা ঘাটতি রয়েছে কি না, সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
পরিদর্শনের সময় মন্ত্রী হাসপাতালের রোগীদের চিকিৎসাসেবা, ভর্তি রোগীদের অবস্থা, ওয়ার্ডের পরিবেশ, খাবারের মান এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়গুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখেন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন কার্যক্রম কীভাবে পরিচালিত হচ্ছে, রোগীরা নিয়মিত সেবা পাচ্ছেন কি না এবং হাসপাতালের দৈনন্দিন ব্যবস্থাপনায় কোনো সমস্যা রয়েছে কি না, সে সম্পর্কেও সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে তথ্য নেন। আকস্মিকভাবে হাসপাতাল পরিদর্শনের ফলে সেবার বাস্তব চিত্র সম্পর্কে সরাসরি ধারণা নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এতে স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রও আরও স্পষ্ট হতে পারে বলে স্থানীয়দের প্রত্যাশা।
হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে আসা কয়েকজন রোগী ও স্বজন মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনকে ইতিবাচকভাবে দেখেছেন। তাদের প্রত্যাশা, এ ধরনের সরেজমিন পরিদর্শন নিয়মিত হলে চিকিৎসাসেবার মান, হাসপাতালের পরিবেশ, খাবারের মান ও রোগীবান্ধব ব্যবস্থাপনায় আরও উন্নতি আসবে। বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ের সরকারি হাসপাতালে সাধারণ মানুষের নির্ভরতা বেশি হওয়ায় চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সেবা, ওষুধ ও প্রয়োজনীয় সুবিধা, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং রোগীদের সঙ্গে দায়িত্বশীল আচরণ নিশ্চিত করা গুরুত্বপূর্ণ। রোগীদের এই প্রত্যাশার সঙ্গে স্থানীয় মানুষের দীর্ঘদিনের স্বাস্থ্যসেবা-সংক্রান্ত প্রয়োজন ও দাবিও জড়িত রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করেন।
সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুলের পরিদর্শনকালে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। তারা হাসপাতালের সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন বলে জানা গেছে। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা শুধু চিকিৎসা পাওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; জরুরি সময়ে দ্রুত সেবা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ এবং পর্যাপ্ত জনবলসহ কার্যকর ব্যবস্থাপনাও তাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। আকস্মিক পরিদর্শনের মাধ্যমে এসব বিষয়ে মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা সামনে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে। তবে কোন কোন বিষয়ে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত বা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সে বিষয়ে পরিদর্শনকালে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।
পরিদর্শন শেষে মন্ত্রী মহেশপুর উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ মহেশপুরের স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নসহ এলাকার মানুষের বিভিন্ন প্রত্যাশা ও প্রয়োজনীয় বিষয় তুলে ধরেন। বিশেষ করে উপজেলা পর্যায়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করার বিষয়ে আলোচনা হয়। স্থানীয় পর্যায়ের জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতৃত্ব এবং স্বাস্থ্য বিভাগের মধ্যে সমন্বয় থাকলে জনগণের প্রয়োজনগুলো দ্রুত চিহ্নিত করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করা সহজ হয়। মতবিনিময়কে তাই স্থানীয় মানুষের প্রত্যাশা তুলে ধরার একটি সুযোগ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মতো উপজেলা পর্যায়ের সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র সাধারণ মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সেবাকেন্দ্র। দূরবর্তী এলাকা থেকে আসা রোগীদের অনেকেই স্বল্প খরচে চিকিৎসা পাওয়ার প্রত্যাশায় এসব প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভর করেন। ফলে চিকিৎসকদের উপস্থিতি, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীর সেবা, প্রয়োজনীয় ওষুধ, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, পরিচ্ছন্নতা, খাবারের মান এবং জরুরি সেবার সক্ষমতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন। মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন এই বিষয়গুলোকে আবারও আলোচনার সামনে এনেছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, পরিদর্শনের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হলে হাসপাতালটির সেবার মান আরও উন্নত হবে এবং সাধারণ মানুষ তার সুফল পাবেন বলে তারা আশা করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রত্যাশা, মহেশপুরের মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে পরিদর্শনের বিষয়গুলো বাস্তবায়নমুখী উদ্যোগে রূপ নেবে। বিশেষ করে হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা, রোগীদের খাবার, চিকিৎসাসেবা এবং ব্যবস্থাপনার দুর্বলতা থাকলে তা দ্রুত চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবার মান ধরে রাখতে নিয়মিত তদারকি ও জবাবদিহি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে। মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শনকে কেন্দ্র করে তাই স্থানীয়দের মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, সরকারি স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ আরও সহজ, মানসম্মত ও মানুষের প্রয়োজনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে এবং এই উদ্যোগের সুফল ভবিষ্যতে সাধারণ রোগীরা পাবেন।
আরোও পড়ুন – শেখ হাসিনাকে ফেরত না দিলে ভারত সফর নয়: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান