সেলিম মাহবুবঃ
ছাতকে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে এক নাগরিক মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত সড়ক ব্যবস্থার দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সড়কে অনিয়ন্ত্রিত যান চলাচল, অপ্রাপ্তবয়স্ক চালক এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে—এমন অভিযোগ তুলে ধরেন বক্তারা।
৫ জানুয়ারি (সোমবার) দুপুরে ছাতক পৌর শহরের তাহির প্লাজার সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ছাতক বাজার ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি ডা. আফছার উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং নাট্যকর্মী সেলিম মাহবুবের পরিচালনায় কর্মসূচি পরিচালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট সুফি আলম, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চিকিৎসক ডা. এমরানুল বাসার অপুর পিতা আবুল বাসার, মন্ডলীভোগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেলালুল ইসলাম, ছাতক সরকারি বহুমুখী মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক অজয় কৃষ্ণ পাল, হোমিও চিকিৎসক করুণা সিন্ধু, চন্দ্রনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অমরেশ সরকার সঞ্জু এবং নিরাপদ সড়ক চাই সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, ছাতক শহরের ব্যস্ততম সড়কগুলোতে বেপরোয়া গতির সিএনজি চালিত অটোরিকশা, টমটম ও ভারী যানবাহনের চলাচল সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও প্রশিক্ষণহীন চালকদের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। এসব যানবাহনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে সাম্প্রতিক এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়। গত ১৭ ডিসেম্বর ছাতক পৌর শহরের রওশন কমপ্লেক্সের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় বেপরোয়া গতির সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হন তরুণ চিকিৎসক ডা. এমরানুল বাসার অপু। তাকে সিলেটের আল-হারামাইন হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন পর তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।
বক্তারা আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর আহতদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থায়ী আবাসিক মেডিকেল অফিসার নিয়োগ জরুরি। পাশাপাশি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার সামনে গতিরোধক বা স্পিড ব্রেকার স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত তদারকি জোরদার করার দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা শুধু প্রশাসনের নয়, বরং পুরো সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।
মানববন্ধনে ছাতকের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।
বেপরোয়া যান চলাচলের প্রতিবাদে ছাতকে মানববন্ধন, নিরাপদ সড়ক ব্যবস্থার দাবি জোরালো
সেলিম মাহবুবঃ
ছাতকে সড়ক দুর্ঘটনা রোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিতের দাবিতে এক নাগরিক মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিরাপদ ও ঝুঁকিমুক্ত সড়ক ব্যবস্থার দাবিতে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে অংশ নেন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। দীর্ঘদিন ধরে সড়কে অনিয়ন্ত্রিত যান চলাচল, অপ্রাপ্তবয়স্ক চালক এবং ট্রাফিক ব্যবস্থাপনার দুর্বলতার কারণে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে—এমন অভিযোগ তুলে ধরেন বক্তারা।
৫ জানুয়ারি (সোমবার) দুপুরে ছাতক পৌর শহরের তাহির প্লাজার সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। ছাতক বাজার ব্যবসায়ী ঐক্য পরিষদের সভাপতি ডা. আফছার উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং নাট্যকর্মী সেলিম মাহবুবের পরিচালনায় কর্মসূচি পরিচালিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন ইসলামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এডভোকেট সুফি আলম, সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত চিকিৎসক ডা. এমরানুল বাসার অপুর পিতা আবুল বাসার, মন্ডলীভোগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হেলালুল ইসলাম, ছাতক সরকারি বহুমুখী মডেল উচ্চবিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক অজয় কৃষ্ণ পাল, হোমিও চিকিৎসক করুণা সিন্ধু, চন্দ্রনাথ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক অমরেশ সরকার সঞ্জু এবং নিরাপদ সড়ক চাই সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরীসহ আরও অনেকে।
বক্তারা বলেন, ছাতক শহরের ব্যস্ততম সড়কগুলোতে বেপরোয়া গতির সিএনজি চালিত অটোরিকশা, টমটম ও ভারী যানবাহনের চলাচল সাধারণ মানুষের জীবনের জন্য মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে অপ্রাপ্তবয়স্ক ও প্রশিক্ষণহীন চালকদের কারণে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে। এসব যানবাহনকে দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে সাম্প্রতিক এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়। গত ১৭ ডিসেম্বর ছাতক পৌর শহরের রওশন কমপ্লেক্সের সামনে রাস্তা পারাপারের সময় বেপরোয়া গতির সিএনজি অটোরিকশার ধাক্কায় গুরুতর আহত হন তরুণ চিকিৎসক ডা. এমরানুল বাসার অপু। তাকে সিলেটের আল-হারামাইন হাসপাতালে আইসিইউতে ভর্তি করা হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাঁচ দিন পর তার মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় গভীর শোক ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারীরা।
বক্তারা আরও বলেন, দুর্ঘটনার পর আহতদের তাৎক্ষণিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে ছাতক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্থায়ী আবাসিক মেডিকেল অফিসার নিয়োগ জরুরি। পাশাপাশি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, স্কুল-কলেজ ও মাদরাসার সামনে গতিরোধক বা স্পিড ব্রেকার স্থাপন, গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো এবং ট্রাফিক পুলিশের নিয়মিত তদারকি জোরদার করার দাবি জানানো হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা বলেন, নিরাপদ সড়ক নিশ্চিত করা শুধু প্রশাসনের নয়, বরং পুরো সমাজের সম্মিলিত দায়িত্ব। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ না নিলে ভবিষ্যতে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে।
মানববন্ধনে ছাতকের বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও নাগরিক সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন এবং দ্রুত সময়ের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।