নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নারী নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে সাইবার বুলিং, চরিত্রহনন ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় হাটহাজারী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে চাকসু নেতৃত্ব।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নারী নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ সাইবার বুলিং, চরিত্রহনন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ জানিয়েছে চাকসু। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে হাটহাজারী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চাকসু নেতৃবৃন্দ।
চাকসুর প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে চাকসুর সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক নারী নেত্রীকে লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিক অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও পেজ থেকে তাদের ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে মানহানিকর, কুরুচিপূর্ণ ও নারীবিদ্বেষী ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এসব সাইবার বুলিং কেবল মানসিক হয়রানিতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রকাশ্য প্রাণনাশের হুমকি, শারীরিক ক্ষতির ইঙ্গিত এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো গুরুতর অপরাধ। এসব কর্মকাণ্ড ফৌজদারি অপরাধের আওতাভুক্ত বলেও জানানো হয়।
চাকসু নেতৃবৃন্দ বলেন, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ কোনো অপরাধ নয়, বরং এটি নাগরিক ও নৈতিক দায়িত্ব। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রশ্ন তোলা এবং নারী নেতৃত্বকে সামনে আনার চেষ্টাকে হুমকি ও চরিত্রহননের মাধ্যমে দমন করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তারা আরও বলেন, নারী নেতৃত্বকে ভয় দেখানো ও সামাজিকভাবে হেয় করার মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতি এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করার একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা চলছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ওপর সরাসরি হুমকি সৃষ্টি করছে।
চাকসু প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, সাইবার বুলিং ও হুমকির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেজ ও আইডিগুলো দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি চাকসু নারী নেতৃবৃন্দসহ সকল শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
চাকসু নেতৃত্ব স্পষ্টভাবে জানায়, কোনো ধরনের হুমকি, সম্মানহানি কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনের কাছে তারা মাথা নত করবে না এবং গণতান্ত্রিক ও ন্যায্য ছাত্র রাজনীতির পক্ষে তাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।
চাকসুর নারী নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ সাইবার বুলিং ও হুমকি: হাটহাজারী থানায় জিডি
নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নারী নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধভাবে সাইবার বুলিং, চরিত্রহনন ও প্রাণনাশের হুমকির ঘটনায় হাটহাজারী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে চাকসু নেতৃত্ব।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (চাকসু) নারী নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ সাইবার বুলিং, চরিত্রহনন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনায় তীব্র উদ্বেগ জানিয়েছে চাকসু। এসব ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে হাটহাজারী থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চাকসু নেতৃবৃন্দ।
চাকসুর প্রকাশিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠী পরিকল্পিতভাবে চাকসুর সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকসহ একাধিক নারী নেত্রীকে লক্ষ্য করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ধারাবাহিক অপপ্রচার চালাচ্ছে। বিভিন্ন ফেসবুক আইডি ও পেজ থেকে তাদের ব্যক্তিগত ছবি ব্যবহার করে মানহানিকর, কুরুচিপূর্ণ ও নারীবিদ্বেষী ভাষায় আক্রমণ করা হচ্ছে।
বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, এসব সাইবার বুলিং কেবল মানসিক হয়রানিতেই সীমাবদ্ধ নয়; বরং এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে প্রকাশ্য প্রাণনাশের হুমকি, শারীরিক ক্ষতির ইঙ্গিত এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের মতো গুরুতর অপরাধ। এসব কর্মকাণ্ড ফৌজদারি অপরাধের আওতাভুক্ত বলেও জানানো হয়।
চাকসু নেতৃবৃন্দ বলেন, অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে অবস্থান গ্রহণ কোনো অপরাধ নয়, বরং এটি নাগরিক ও নৈতিক দায়িত্ব। প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে প্রশ্ন তোলা এবং নারী নেতৃত্বকে সামনে আনার চেষ্টাকে হুমকি ও চরিত্রহননের মাধ্যমে দমন করার অপচেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
তারা আরও বলেন, নারী নেতৃত্বকে ভয় দেখানো ও সামাজিকভাবে হেয় করার মাধ্যমে ছাত্র রাজনীতি এবং গণতান্ত্রিক পরিবেশকে ক্ষতিগ্রস্ত করার একটি সুপরিকল্পিত অপচেষ্টা চলছে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার ওপর সরাসরি হুমকি সৃষ্টি করছে।
চাকসু প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, সাইবার বুলিং ও হুমকির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি এবং সংশ্লিষ্ট ফেসবুক পেজ ও আইডিগুলো দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি চাকসু নারী নেতৃবৃন্দসহ সকল শিক্ষার্থীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
চাকসু নেতৃত্ব স্পষ্টভাবে জানায়, কোনো ধরনের হুমকি, সম্মানহানি কিংবা ভয়ভীতি প্রদর্শনের কাছে তারা মাথা নত করবে না এবং গণতান্ত্রিক ও ন্যায্য ছাত্র রাজনীতির পক্ষে তাদের অবস্থান অব্যাহত থাকবে।