মাজহারুল ইসলাম বাদল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা অফিসে রাতের আঁধারে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটে রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে। এ ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক, ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ও বিএনপির দাবি
নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ মোল্লা অভিযোগ করেন, উপজেলা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নানের নির্বাচনী প্রচারণা শেষে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নাজমুল হোসেন তাপসের ফুটবল প্রতীকের এক কর্মী হজরত আলী তাকে মোবাইল ফোনে হুমকি দেন। এর কিছুক্ষণ পরই নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে মনোনীত প্রার্থী
খবর পেয়ে সোমবার সকালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ফুটবল প্রতীকের সমর্থকেরা দীর্ঘদিন ধরেই তাদের নেতাকর্মীদের হুমকি দিয়ে আসছিল। সর্বশেষ নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে তা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত জাকির হোসেন, রহমতউল্লাহ ও আবুল কাশেম জানান, প্রথমে বিএনপির কার্যালয় থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পরে তা পাশের কয়েকটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কার্যালয়ের আসবাবপত্র, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ দোকানগুলোর মালামাল পুড়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযোগ অস্বীকার
অভিযোগ অস্বীকার করে হজরত আলী বলেন, তার সঙ্গে কারও কোনো রাজনৈতিক বিরোধ নেই এবং তিনি কাউকে হুমকি দেননি। ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেউ কেউ বলেন, এটি রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে। নিজেদের অফিসে আগুন লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার চেষ্টা হিসেবেও বিষয়টি দেখা যেতে পারে।
পুলিশের বক্তব্য
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আগুনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নবীনগরে বিএনপির নির্বাচনী অফিসে অগ্নিসংযোগ
মাজহারুল ইসলাম বাদল | নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া)
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলার নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির নির্বাচনী প্রচারণা অফিসে রাতের আঁধারে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটে রোববার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টার দিকে। এ ঘটনায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে আতঙ্ক, ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
অগ্নিসংযোগের অভিযোগ ও বিএনপির দাবি
নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ মোল্লা অভিযোগ করেন, উপজেলা বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নানের নির্বাচনী প্রচারণা শেষে বক্তব্য দেওয়াকে কেন্দ্র করে এই অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
তিনি আরও দাবি করেন, বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নাজমুল হোসেন তাপসের ফুটবল প্রতীকের এক কর্মী হজরত আলী তাকে মোবাইল ফোনে হুমকি দেন। এর কিছুক্ষণ পরই নির্বাচনী কার্যালয়ে আগুন দেওয়া হয়।
ঘটনাস্থল পরিদর্শনে মনোনীত প্রার্থী
খবর পেয়ে সোমবার সকালে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আব্দুল মান্নান অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত কার্যালয় পরিদর্শন করেন।
এ সময় তিনি বলেন, ফুটবল প্রতীকের সমর্থকেরা দীর্ঘদিন ধরেই তাদের নেতাকর্মীদের হুমকি দিয়ে আসছিল। সর্বশেষ নির্বাচনী অফিসে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে তা চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে।
তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান।
অগ্নিকাণ্ডে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত জাকির হোসেন, রহমতউল্লাহ ও আবুল কাশেম জানান, প্রথমে বিএনপির কার্যালয় থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পরে তা পাশের কয়েকটি দোকানে ছড়িয়ে পড়ে। এতে কার্যালয়ের আসবাবপত্র, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্রসহ দোকানগুলোর মালামাল পুড়ে যায়। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লাখ টাকা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
অভিযোগ অস্বীকার
অভিযোগ অস্বীকার করে হজরত আলী বলেন, তার সঙ্গে কারও কোনো রাজনৈতিক বিরোধ নেই এবং তিনি কাউকে হুমকি দেননি। ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই বলেও দাবি করেন তিনি।
জনমনে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কেউ কেউ বলেন, এটি রাজনৈতিক কৌশল হতে পারে। নিজেদের অফিসে আগুন লাগিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার চেষ্টা হিসেবেও বিষয়টি দেখা যেতে পারে।
পুলিশের বক্তব্য
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম জানান, আগুনের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতির প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়নি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।