হারুনুর রশিদ, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
সারা দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন পাম্পে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে, যা এখন নিত্যদিনের দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চৈত্রের তীব্র তাপদাহ, ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নওগাঁর সাপাহারে এক ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ দেখা গেছে। তেল সংগ্রহ করতে আসা মানুষের কষ্ট লাঘবে তেল লাইনে সরবত ও শুকনা খাবার বিতরণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছে জয়পুর ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে সাপাহার উপজেলার জয়পুর ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল আরোহীদের দীর্ঘ সারি প্রায় জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত বিস্তৃত। তীব্র রোদে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলো ক্লান্ত ও তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে পাম্প কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে শুরু হয় তেল লাইনে সরবত বিতরণ কার্যক্রম। এতে লাইনে থাকা মানুষজন তাৎক্ষণিক স্বস্তি অনুভব করেন।
এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন আবু সাইদ চৌধুরী (অনিক)। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির হাতে ঠাণ্ডা সরবত ও বিস্কুট তুলে দেন। প্রচণ্ড গরমে এমন সেবা পেয়ে সাধারণ মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। অনেকেই জানান, দীর্ঘ সময় অপেক্ষার মধ্যে এমন তেল লাইনে সরবত পাওয়া তাদের জন্য বড় স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, বর্তমান সংকটময় সময়ে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের এমন মানবিক আচরণ বিরল হলেও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তারা মনে করেন, এই ধরনের উদ্যোগ অন্যদের জন্যও উদাহরণ হয়ে থাকবে। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে নেওয়া এই তেল লাইনে সরবত বিতরণ কার্যক্রম সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।
এদিকে, সাপাহার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোত্তাকিম হোসেন জুয়েল তার ফেসবুক পোস্টে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি লেখেন, “মানবিক অনিকের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সারারাত তেল সরবরাহের পাশাপাশি দিনের বেলায় মানুষের তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা একটি অনন্য উদাহরণ।” তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এ বিষয়ে আবু সাইদ চৌধুরী অনিক বলেন, “বর্তমানে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তেলের ওপর চাপ বেড়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি গ্রাহকদের সেবা দিতে। তীব্র গরমে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের কষ্ট উপলব্ধি করেই আমরা এই ছোট্ট উদ্যোগ নিয়েছি। তেল লাইনে সরবত বিতরণের মাধ্যমে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারাটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”
আরোও পড়ুন – সাপাহারে খাড়ি দখল: অবৈধ স্থাপনায় প্লাবনের ঝুঁকিতে ৮ গ্রাম
সাপাহারে তেল লাইনে সরবত বিতরণ | তৃষ্ণার্তদের পাশে পাম্প কর্তৃপক্ষ
হারুনুর রশিদ, সাপাহার (নওগাঁ) প্রতিনিধি:
সারা দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা বৃদ্ধির ফলে বিভিন্ন পাম্পে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হচ্ছে, যা এখন নিত্যদিনের দৃশ্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে চৈত্রের তীব্র তাপদাহ, ফলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নওগাঁর সাপাহারে এক ব্যতিক্রমী মানবিক উদ্যোগ দেখা গেছে। তেল সংগ্রহ করতে আসা মানুষের কষ্ট লাঘবে তেল লাইনে সরবত ও শুকনা খাবার বিতরণ করে প্রশংসা কুড়িয়েছে জয়পুর ফিলিং স্টেশন কর্তৃপক্ষ।
রবিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে সাপাহার উপজেলার জয়পুর ফিলিং স্টেশনে গিয়ে দেখা যায়, তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল আরোহীদের দীর্ঘ সারি প্রায় জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত বিস্তৃত। তীব্র রোদে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষগুলো ক্লান্ত ও তৃষ্ণার্ত হয়ে পড়ছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে পাম্প কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে শুরু হয় তেল লাইনে সরবত বিতরণ কার্যক্রম। এতে লাইনে থাকা মানুষজন তাৎক্ষণিক স্বস্তি অনুভব করেন।
এই উদ্যোগের নেতৃত্ব দেন আবু সাইদ চৌধুরী (অনিক)। তিনি নিজে উপস্থিত থেকে সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকা প্রত্যেক ব্যক্তির হাতে ঠাণ্ডা সরবত ও বিস্কুট তুলে দেন। প্রচণ্ড গরমে এমন সেবা পেয়ে সাধারণ মানুষ আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। অনেকেই জানান, দীর্ঘ সময় অপেক্ষার মধ্যে এমন তেল লাইনে সরবত পাওয়া তাদের জন্য বড় স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, বর্তমান সংকটময় সময়ে ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের এমন মানবিক আচরণ বিরল হলেও অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। তারা মনে করেন, এই ধরনের উদ্যোগ অন্যদের জন্যও উদাহরণ হয়ে থাকবে। সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে নেওয়া এই তেল লাইনে সরবত বিতরণ কার্যক্রম সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দিচ্ছে।
এদিকে, সাপাহার মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক মোত্তাকিম হোসেন জুয়েল তার ফেসবুক পোস্টে এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি লেখেন, “মানবিক অনিকের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। সারারাত তেল সরবরাহের পাশাপাশি দিনের বেলায় মানুষের তৃষ্ণা মেটানোর চেষ্টা একটি অনন্য উদাহরণ।” তার এই মন্তব্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।
এ বিষয়ে আবু সাইদ চৌধুরী অনিক বলেন, “বর্তমানে বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে তেলের ওপর চাপ বেড়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি গ্রাহকদের সেবা দিতে। তীব্র গরমে দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা মানুষের কষ্ট উপলব্ধি করেই আমরা এই ছোট্ট উদ্যোগ নিয়েছি। তেল লাইনে সরবত বিতরণের মাধ্যমে মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে পারাটাই আমাদের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।”
আরোও পড়ুন – সাপাহারে খাড়ি দখল: অবৈধ স্থাপনায় প্লাবনের ঝুঁকিতে ৮ গ্রাম