মোঃ মাহফুজুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার
ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু করা হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং পৌরসভার বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক চত্বরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক উপস্থিত থেকে বলেন, এই ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক সচেতনতামূলক উদ্যোগ, যা মানুষের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্তৃত করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য জমে থাকার কারণে পানি জমে মশার বংশবিস্তার ঘটে, যা ডেঙ্গুসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই এই অভিযানকে আরও কার্যকর করতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হবে এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করা হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, “পরিবেশ দূষণ ও অপরিচ্ছন্নতার কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।” তিনি আরও বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ ঠাকুরগাঁও গড়ে তোলা সম্ভব। এই ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান সফল করতে সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।
অভিযান চলাকালে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয় এবং পানি জমে থাকতে পারে এমন স্থানগুলো পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি বাসিন্দাদের মাঝে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দিতে প্রচারণা চালানো হয়। স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে বলা হয়, ঘরের আশপাশে কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না এবং নিয়মিত পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান কার্যকর ফলাফল দিতে পারে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্রশাসক সরদার মোস্তফা শাহিন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুজ্জামান রাকিব, প্রেসক্লাব সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠুসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। তারা সবাই একযোগে এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং জনগণকে সচেতন করতে কাজ করেন, যাতে ভবিষ্যতে ডেঙ্গুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে।
আরোও পড়ুন – মশক নিধন কার্যক্রমে নতুন মিশন: পরিচ্ছন্নতায় জোর দিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন
ঠাকুরগাঁওয়ে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতায় জোর
মোঃ মাহফুজুর রহমান, স্টাফ রিপোর্টার
ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ঠাকুরগাঁওয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু করা হয়েছে। শনিবার (১১ এপ্রিল) দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে এবং পৌরসভার বাস্তবায়নে জেলা প্রশাসক চত্বরে এ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক উপস্থিত থেকে বলেন, এই ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক সচেতনতামূলক উদ্যোগ, যা মানুষের জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
উদ্বোধনের পর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর থেকে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক, অলিগলি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্তৃত করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্লাস্টিক ও পলিথিন বর্জ্য জমে থাকার কারণে পানি জমে মশার বংশবিস্তার ঘটে, যা ডেঙ্গুসহ নানা রোগের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই এই অভিযানকে আরও কার্যকর করতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালানো হবে এবং জনগণকে সম্পৃক্ত করা হবে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক বলেন, “পরিবেশ দূষণ ও অপরিচ্ছন্নতার কারণে ডেঙ্গুর প্রকোপ বাড়ছে। তাই সবাইকে সচেতন হতে হবে এবং নিজ নিজ বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে।” তিনি আরও বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই একটি পরিচ্ছন্ন, স্বাস্থ্যকর ও নিরাপদ ঠাকুরগাঁও গড়ে তোলা সম্ভব। এই ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান সফল করতে সরকারি ও বেসরকারি সকল প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি সাধারণ জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি।
অভিযান চলাকালে শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনা অপসারণ করা হয় এবং পানি জমে থাকতে পারে এমন স্থানগুলো পরিষ্কার করা হয়। পাশাপাশি বাসিন্দাদের মাঝে সচেতনতামূলক বার্তা পৌঁছে দিতে প্রচারণা চালানো হয়। স্থানীয়দের উদ্দেশ্যে বলা হয়, ঘরের আশপাশে কোথাও পানি জমতে দেওয়া যাবে না এবং নিয়মিত পরিবেশ পরিষ্কার রাখতে হবে, যাতে ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান কার্যকর ফলাফল দিতে পারে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার প্রশাসক সরদার মোস্তফা শাহিন, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাকিবুজ্জামান রাকিব, প্রেসক্লাব সভাপতি লুৎফর রহমান মিঠুসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যরা। তারা সবাই একযোগে এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং জনগণকে সচেতন করতে কাজ করেন, যাতে ভবিষ্যতে ডেঙ্গুর ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে।
আরোও পড়ুন – মশক নিধন কার্যক্রমে নতুন মিশন: পরিচ্ছন্নতায় জোর দিল ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন