মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় তালাকের পর হামলার একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়নের পশ্চিম মদনখালী এলাকায় সংঘটিত এই তালাকের পর হামলা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। গত ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে সংঘটিত এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন এবং ব্যাপক সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাজল খান (৪৪) এর নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে এই তালাকের পর হামলা চালায়। তাদের সঙ্গে ছিল আশা খান, সৌরভ খান, গৌরব খান, তৈয়ব খান, সিহাব খান, সাব্বির শেখ, রিমন মাঝি, সাব্বির মাঝি, রাকিব খান ও সামি খানসহ আরও কয়েকজন। তারা হঠাৎ করে বাড়িতে ঢুকে নারীসহ পরিবারের সদস্যদের উপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায় এবং বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
ঘটনার পেছনে পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। প্রায় ১০ মাস আগে শিমুল হোসেন ও ইসরাত জাহান রুপা গোপনে কোর্ট ম্যারেজ করেন। পরবর্তীতে শিমুল বিদেশে চলে গেলে বিষয়টি প্রকাশ পায়। পরে ইসরাত নিজের সিদ্ধান্তে গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে একতরফাভাবে তালাক প্রদান করেন। এই তালাকের পর হামলার সূত্রপাত ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা পরবর্তীতে সহিংস রূপ নেয়।
হামলার সময় সাগর হোসেন, মুক্তা খাতুন, রেখা বেগম, আবুল হোসেন, মিতু আক্তার, শাওন ও মাহমুদা খাতুনসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। ইসরাত জাহান রুপাকে লক্ষ্য করে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়, ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা কিল-ঘুষি, লাথি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এই তালাকের পর হামলা ঘটনায় নারী ও বয়স্ক ব্যক্তিরাও রেহাই পাননি।
এছাড়া হামলাকারীরা স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ রয়েছে। ইসরাতের নানির গলা থেকে এক ভরি স্বর্ণের চেইন এবং মুক্তা আক্তারের গলা থেকে দেড় ভরি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। বসতঘরের টিনের বেড়া, দরজা-জানালা ভাঙচুর এবং ঘরের আসবাবপত্র নষ্ট করে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি ছিল একটি পরিকল্পিত তালাকের পর হামলা, যা এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
আহতদের মধ্যে ইসরাত জাহান রুপা ও মুক্তা আক্তারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় সাগর হাসান বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুয়েল মিয়া জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই তালাকের পর হামলা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
আরোও পড়ুন – শ্রীনগরে ওয়ারিশ সনদ জালিয়াতি করে অর্পিত সম্পত্তি দখলের অভিযোগ
শ্রীনগরে তালাকের পর হামলা: সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে সন্ত্রাসী তাণ্ডব
মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগর উপজেলায় তালাকের পর হামলার একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে, যেখানে সাবেক স্ত্রীর বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার বাড়ৈখালী ইউনিয়নের পশ্চিম মদনখালী এলাকায় সংঘটিত এই তালাকের পর হামলা স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। গত ৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখ দুপুর আনুমানিক ১টা ৩০ মিনিটে সংঘটিত এই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন এবং ব্যাপক সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কাজল খান (৪৪) এর নেতৃত্বে একদল ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘবদ্ধভাবে এই তালাকের পর হামলা চালায়। তাদের সঙ্গে ছিল আশা খান, সৌরভ খান, গৌরব খান, তৈয়ব খান, সিহাব খান, সাব্বির শেখ, রিমন মাঝি, সাব্বির মাঝি, রাকিব খান ও সামি খানসহ আরও কয়েকজন। তারা হঠাৎ করে বাড়িতে ঢুকে নারীসহ পরিবারের সদস্যদের উপর এলোপাতাড়ি হামলা চালায় এবং বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর করে আতঙ্ক সৃষ্টি করে।
ঘটনার পেছনে পারিবারিক বিরোধের বিষয়টি সামনে এসেছে। প্রায় ১০ মাস আগে শিমুল হোসেন ও ইসরাত জাহান রুপা গোপনে কোর্ট ম্যারেজ করেন। পরবর্তীতে শিমুল বিদেশে চলে গেলে বিষয়টি প্রকাশ পায়। পরে ইসরাত নিজের সিদ্ধান্তে গত ৩১ মার্চ ২০২৬ তারিখে একতরফাভাবে তালাক প্রদান করেন। এই তালাকের পর হামলার সূত্রপাত ঘটে বলে অভিযোগ উঠেছে, যা পরবর্তীতে সহিংস রূপ নেয়।
হামলার সময় সাগর হোসেন, মুক্তা খাতুন, রেখা বেগম, আবুল হোসেন, মিতু আক্তার, শাওন ও মাহমুদা খাতুনসহ কয়েকজনকে মারধর করা হয়। ইসরাত জাহান রুপাকে লক্ষ্য করে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়, ফলে তিনি গুরুতর আহত হন। হামলাকারীরা কিল-ঘুষি, লাথি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে তাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করে। এই তালাকের পর হামলা ঘটনায় নারী ও বয়স্ক ব্যক্তিরাও রেহাই পাননি।
এছাড়া হামলাকারীরা স্বর্ণালংকার লুটের অভিযোগ রয়েছে। ইসরাতের নানির গলা থেকে এক ভরি স্বর্ণের চেইন এবং মুক্তা আক্তারের গলা থেকে দেড় ভরি স্বর্ণের চেইন ছিনিয়ে নেওয়া হয়। বসতঘরের টিনের বেড়া, দরজা-জানালা ভাঙচুর এবং ঘরের আসবাবপত্র নষ্ট করে প্রায় দেড় লাখ টাকার ক্ষতি করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। পুরো ঘটনাটি ছিল একটি পরিকল্পিত তালাকের পর হামলা, যা এলাকায় ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করেছে।
আহতদের মধ্যে ইসরাত জাহান রুপা ও মুক্তা আক্তারের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের ঢাকার মিটফোর্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্য আহতরা স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন। ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
এ ঘটনায় সাগর হাসান বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুয়েল মিয়া জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা নেওয়া হয়েছে এবং আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এই তালাকের পর হামলা ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
আরোও পড়ুন – শ্রীনগরে ওয়ারিশ সনদ জালিয়াতি করে অর্পিত সম্পত্তি দখলের অভিযোগ