সালেকুজ্জামান শামীম, মহেশপুর ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর নগ্ন ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। প্রবাসীর স্ত্রীর নগ্ন ভিডিওর ব্ল্যাকমেইল ঘটনাটি উপজেলার আজমপুর ইউনিয়নের আলামপুর গ্রামে ঘটেছে বলে জানা গেছে, যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, আলামপুর গ্রামের এক সিঙ্গাপুর প্রবাসীর স্ত্রীর ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে তার নিজের ভিডিও ও ছবি পাঠানো হয়। এরপর সেই ভিডিওকে কেন্দ্র করে প্রবাসীর স্ত্রীর নগ্ন ভিডিও ব্ল্যাকমেইল শুরু করে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। তারা কয়েক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং টাকা না দিলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে প্রবাসীর স্ত্রী বিষয়টি মহেশপুর থানায় জানান। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ প্রবাসীর স্ত্রীর নগ্ন ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল ঠেকাতে কৌশল অবলম্বন করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ভুক্তভোগী নারী অভিযুক্তদের জানায় যে তিনি চাঁদা দিতে রাজি আছেন। পরে অভিযুক্তরা একটি নির্দিষ্ট স্থানে টাকা রেখে যেতে বলে। পুলিশ সেই স্থানে আগেই অবস্থান নেয়। গত ২ মে শনিবার গভীর রাতে অভিযুক্তরা টাকা নিতে এলে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাতেনাতে একজনকে আটক করা হয়। আটককৃত আসামি বিল্লাল হোসেন, তিনি আজমপুর ইউনিয়নের আলামপুর গ্রামের ৪ নম্বর কলোনির সুরুজ মিয়ার ছেলে।এ ঘটনায় আরও এক আসামি শরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী। তবে তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, প্রবাসীর স্ত্রীর নগ্ন ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৌশলগত অভিযানের মাধ্যমে এক আসামিকে আটক করা সম্ভব হয়েছে এবং অন্য আসামিকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, ব্ল্যাকমেইলকারী আসামিকে আটক করায় তিনি মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। দ্রুত পুলিশের পদক্ষেপে আসামিকে গ্রেপ্তার সম্ভব হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।আরোও পড়ুন – মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে প্রবাসীর স্ত্রী স্বর্ণ, নগদ অর্থ ও সন্তান নিয়ে উধাও
প্রবাসীর স্ত্রীর নগ্ন ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল: আটক ১
সালেকুজ্জামান শামীম, মহেশপুর ঝিনাইদহ প্রতিনিধিঃ
ঝিনাইদহের মহেশপুরে প্রবাসীর স্ত্রীর নগ্ন ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করার অভিযোগ উঠেছে। প্রবাসীর স্ত্রীর নগ্ন ভিডিওর ব্ল্যাকমেইল ঘটনাটি উপজেলার আজমপুর ইউনিয়নের আলামপুর গ্রামে ঘটেছে বলে জানা গেছে, যা এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
জানা যায়, আলামপুর গ্রামের এক সিঙ্গাপুর প্রবাসীর স্ত্রীর ব্যক্তিগত হোয়াটসঅ্যাপ নম্বরে তার নিজের ভিডিও ও ছবি পাঠানো হয়। এরপর সেই ভিডিওকে কেন্দ্র করে প্রবাসীর স্ত্রীর নগ্ন ভিডিও ব্ল্যাকমেইল শুরু করে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা। তারা কয়েক লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং টাকা না দিলে ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে প্রবাসীর স্ত্রী বিষয়টি মহেশপুর থানায় জানান। অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ প্রবাসীর স্ত্রীর নগ্ন ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল ঠেকাতে কৌশল অবলম্বন করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ভুক্তভোগী নারী অভিযুক্তদের জানায় যে তিনি চাঁদা দিতে রাজি আছেন। পরে অভিযুক্তরা একটি নির্দিষ্ট স্থানে টাকা রেখে যেতে বলে। পুলিশ সেই স্থানে আগেই অবস্থান নেয়। গত ২ মে শনিবার গভীর রাতে অভিযুক্তরা টাকা নিতে এলে পুলিশ ও স্থানীয়দের সহযোগিতায় হাতেনাতে একজনকে আটক করা হয়। আটককৃত আসামি বিল্লাল হোসেন, তিনি আজমপুর ইউনিয়নের আলামপুর গ্রামের ৪ নম্বর কলোনির সুরুজ মিয়ার ছেলে।এ ঘটনায় আরও এক আসামি শরিফুল ইসলাম বিদ্যুৎকে আসামি করে পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেছেন ভুক্তভোগী প্রবাসীর স্ত্রী। তবে তিনি বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। পুলিশ জানিয়েছে, তাকে দ্রুত গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। মহেশপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহেদী হাসান বলেন, প্রবাসীর স্ত্রীর নগ্ন ভিডিও দিয়ে ব্ল্যাকমেইল সংক্রান্ত অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৌশলগত অভিযানের মাধ্যমে এক আসামিকে আটক করা সম্ভব হয়েছে এবং অন্য আসামিকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। প্রবাসীর স্ত্রী বলেন, ব্ল্যাকমেইলকারী আসামিকে আটক করায় তিনি মানসিকভাবে কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন। দ্রুত পুলিশের পদক্ষেপে আসামিকে গ্রেপ্তার সম্ভব হওয়ায় তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।আরোও পড়ুন – মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে প্রবাসীর স্ত্রী স্বর্ণ, নগদ অর্থ ও সন্তান নিয়ে উধাও