মোঃআইয়ুব আলী,লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
নাটোরের লালপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদক সেবনরত অবস্থায় একজন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয় এবং শেষ পর্যন্ত সরাসরি মাদক সেবনের সময় তাকে হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং “মাদক সেবন” নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আজ ১০ মে লালপুর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল বৈদ্যনাথপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় মোঃ শামীম আহমেদের পুত্র মোঃ শিশির ইসলাম (২৫) কে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক সেবন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম নিয়ে অভিযোগ থাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাকে থামিয়ে তল্লাশি করা হলে তার বিরুদ্ধে “মাদক সেবন” এর প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাকে থানায় নেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারের পর তাকে লালপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবীর হোসেনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ায় দেওয়া এই রায় “মাদক সেবন” প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করেছে।
ঘটনার পর স্থানীয় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ তরুণদের মধ্যে “মাদক সেবন” বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, শুধু অভিযান নয়, নিয়মিত সচেতনতা কার্যক্রমও জরুরি, যাতে তরুণরা মাদক থেকে দূরে থাকে। সামাজিকভাবে “মাদক সেবন” প্রতিরোধে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মত দিয়েছেন অনেকে।
লালপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে এবং যেকোনো ধরনের “মাদক সেবন” বা মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জোরদার করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে “মাদক সেবন” নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
আরোও পড়ুন – ধামইরহাটে মাদক অভিযান: ১৯ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ১
লালপুরে মাদক সেবনরত যুবক গ্রেপ্তার: মোবাইল কোর্টে ১ মাসের কারাদণ্ড ও জরিমানা
মোঃআইয়ুব আলী,লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ
নাটোরের লালপুর উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে মাদক সেবনরত অবস্থায় একজন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে থানা পুলিশ। স্থানীয় প্রশাসনের সমন্বয়ে পরিচালিত এই অভিযানে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয় এবং শেষ পর্যন্ত সরাসরি মাদক সেবনের সময় তাকে হাতেনাতে আটক করা সম্ভব হয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে এবং “মাদক সেবন” নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
আজ ১০ মে লালপুর থানা পুলিশের একটি বিশেষ দল বৈদ্যনাথপুর গ্রামে অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানের সময় মোঃ শামীম আহমেদের পুত্র মোঃ শিশির ইসলাম (২৫) কে মাদক সেবনরত অবস্থায় আটক করা হয়। পুলিশ জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক সেবন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম নিয়ে অভিযোগ থাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। সন্দেহজনক আচরণের কারণে তাকে থামিয়ে তল্লাশি করা হলে তার বিরুদ্ধে “মাদক সেবন” এর প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া যায় এবং তাৎক্ষণিকভাবে তাকে থানায় নেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারের পর তাকে লালপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবীর হোসেনের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হয়। আদালত মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনের সংশ্লিষ্ট ধারায় অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ১,০০০ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন। দ্রুত বিচারিক প্রক্রিয়ায় দেওয়া এই রায় “মাদক সেবন” প্রতিরোধে প্রশাসনের কঠোর অবস্থানকে আরও স্পষ্ট করেছে।
ঘটনার পর স্থানীয় এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই প্রশাসনের এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ তরুণদের মধ্যে “মাদক সেবন” বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। স্থানীয়দের মতে, শুধু অভিযান নয়, নিয়মিত সচেতনতা কার্যক্রমও জরুরি, যাতে তরুণরা মাদক থেকে দূরে থাকে। সামাজিকভাবে “মাদক সেবন” প্রতিরোধে পরিবার ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভূমিকাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মত দিয়েছেন অনেকে।
লালপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে চলবে এবং যেকোনো ধরনের “মাদক সেবন” বা মাদক সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম কঠোরভাবে দমন করা হবে। পাশাপাশি তরুণ সমাজকে মাদক থেকে দূরে রাখতে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও জোরদার করা হবে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদক নির্মূলে আইন প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে “মাদক সেবন” নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।
আরোও পড়ুন – ধামইরহাটে মাদক অভিযান: ১৯ পিস ট্যাপেন্টাডলসহ আটক ১