ধর্মপাশায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ | মুক্তারপুর ঘাটে পুলিশের অভিযান

হুমায়ুন কবীর, স্টাফ রিপোর্টারঃ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ নাঈম মিয়া (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। স্থানীয়ভাবে আলোচিত এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, “ধর্মপাশায় ইয়াবা” কারবার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।

পুলিশ ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ১৫ মিনিটে ধর্মপাশা থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের মুক্তারপুর ঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে নাঈম মিয়াকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অভিযানে ব্যবহৃত একটি টিভিএস রেইডার মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত নাঈম মিয়া উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক পরিবহন ও সরবরাহের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। “ধর্মপাশায় ইয়াবা” বিস্তারের সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনের নাম তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ধর্মপাশা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মামলায় আরও কয়েকজনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক এনে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। বিশেষ করে নদীপথ ও প্রত্যন্ত ঘাটগুলো ব্যবহার করে গোপনে ইয়াবা পরিবহনের অভিযোগ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে “ধর্মপাশায় ইয়াবা” সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ নজরদারি বাড়িয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা কামনা করেছেন।

ধর্মপাশা থানার পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। “ধর্মপাশায় ইয়াবা” নির্মূলে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও কামনা করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আরোও পড়ুন – ধর্মপাশায় মাদকসেবী আটক: ইয়াবা সেবনে দুইজনের এক মাসের কারাদণ্ড

ধর্মপাশায় ইয়াবাসহ যুবক গ্রেপ্তার, আদালতে প্রেরণ | মুক্তারপুর ঘাটে পুলিশের অভিযান

মে ১৪, ২০২৬

হুমায়ুন কবীর, স্টাফ রিপোর্টারঃ

সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা উপজেলায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ নাঈম মিয়া (২২) নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। স্থানীয়ভাবে আলোচিত এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ বলছে, “ধর্মপাশায় ইয়াবা” কারবার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে কঠোর অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন।

পুলিশ ও মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ মে সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা ১৫ মিনিটে ধর্মপাশা থানার এসআই (নিরস্ত্র) মোঃ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলার সুখাইড় রাজাপুর উত্তর ইউনিয়নের মুক্তারপুর ঘাট এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় সন্দেহভাজন হিসেবে নাঈম মিয়াকে আটক করে তল্লাশি চালানো হলে তার কাছ থেকে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়। অভিযানে ব্যবহৃত একটি টিভিএস রেইডার মোটরসাইকেলও জব্দ করা হয়েছে বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ রয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃত নাঈম মিয়া উপজেলার নোয়াগাঁও গ্রামের আব্দুল মালেকের ছেলে। পুলিশ জানিয়েছে, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাদক পরিবহন ও সরবরাহের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। “ধর্মপাশায় ইয়াবা” বিস্তারের সঙ্গে জড়িত আরও কয়েকজনের নাম তদন্তে উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ এর সংশ্লিষ্ট ধারায় ধর্মপাশা থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং মামলায় আরও কয়েকজনকে পলাতক আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে মাদক এনে জেলার বিভিন্ন অঞ্চলে সরবরাহের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় রয়েছে। বিশেষ করে নদীপথ ও প্রত্যন্ত ঘাটগুলো ব্যবহার করে গোপনে ইয়াবা পরিবহনের অভিযোগ রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে “ধর্মপাশায় ইয়াবা” সংক্রান্ত একাধিক অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ নজরদারি বাড়িয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহল মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের আরও কঠোর ভূমিকা কামনা করেছেন।

ধর্মপাশা থানার পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে এবং আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। পাশাপাশি মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। পুলিশ কর্মকর্তারা বলছেন, তরুণ সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি ও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। “ধর্মপাশায় ইয়াবা” নির্মূলে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতাও কামনা করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

আরোও পড়ুন – ধর্মপাশায় মাদকসেবী আটক: ইয়াবা সেবনে দুইজনের এক মাসের কারাদণ্ড