সোহরাব হোসেন শিমুল, লালমনিরহাটঃ
লালমনিরহাটের সীমান্তবর্তী মোগলহাট এলাকায় আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে কথিত মাদক কারবারিদের একটি চক্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, “মোগলহাট মাদক সিন্ডিকেট”-এর অন্যতম প্রধান হোতা হিসেবে পরিচিত মো: সুজন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তপথ ব্যবহার করে অবৈধ মাদক দেশে প্রবেশ করানোর সঙ্গে জড়িত। তিনি লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের ভারালদা বাজার এলাকার মো: আরব আলীর ছেলে। সীমান্তঘেঁষা বিভিন্ন এলাকায় তার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান ও নজরদারির ফাঁকফোকরকে কাজে লাগিয়ে এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক বহনের কাজ চালিয়ে আসছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, “মোগলহাট মাদক সিন্ডিকেট” ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা ও অন্যান্য মাদক সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, সুজন মিয়া এই চক্রের মূল বহনকারী ও সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষ করে রাতের আঁধারে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে মাদক আনা-নেওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, লালমনিরহাট সদর থানা ছাড়াও গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন থানায় সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। তবে মামলা থাকার পরও তিনি প্রকাশ্যে না ঘুরলেও গোপনে তার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষ বলছেন, “মোগলহাট মাদক সিন্ডিকেট” নতুন প্রজন্মকে ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষ করে তরুণদের একটি অংশ সহজ টাকার লোভে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে, যা সামাজিক অবক্ষয় বাড়িয়ে তুলছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সীমান্ত এলাকায় মাদক প্রবেশের কারণে চুরি, ছিনতাই ও কিশোর অপরাধও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অভিভাবকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, মাদক সহজলভ্য হওয়ায় অনেক তরুণ আসক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তাদের দাবি, সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি “মোগলহাট মাদক সিন্ডিকেট”-এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
এদিকে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা জেলা পুলিশ, বিজিবি ও র্যাবের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান চললেও কার্যকর অভিযানের অভাবে এসব চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে দ্রুত সুজন মিয়াসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, বরং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাও জরুরি। তরুণদের খেলাধুলা ও শিক্ষামুখী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি পরিবারভিত্তিক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। অন্যথায় সীমান্ত অঞ্চলে মাদকের বিস্তার আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
আরোও পড়ুন – লালমনিরহাটে অবৈধ বালু উত্তোলন: খাস জমি দখলে তোজা মিয়ার বালু বাণিজ্যের অভিযোগ
মোগলহাট সীমান্তে মাদক সিন্ডিকেটের হোতা সুজন মিয়া, গ্রেপ্তারের দাবি জোরালো
সোহরাব হোসেন শিমুল, লালমনিরহাটঃ
লালমনিরহাটের সীমান্তবর্তী মোগলহাট এলাকায় আবারও সক্রিয় হয়ে উঠেছে কথিত মাদক কারবারিদের একটি চক্র। স্থানীয়দের অভিযোগ, “মোগলহাট মাদক সিন্ডিকেট”-এর অন্যতম প্রধান হোতা হিসেবে পরিচিত মো: সুজন মিয়া দীর্ঘদিন ধরে সীমান্তপথ ব্যবহার করে অবৈধ মাদক দেশে প্রবেশ করানোর সঙ্গে জড়িত। তিনি লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের ভারালদা বাজার এলাকার মো: আরব আলীর ছেলে। সীমান্তঘেঁষা বিভিন্ন এলাকায় তার নেতৃত্বে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে বলে দাবি স্থানীয়দের।
অনুসন্ধানে জানা গেছে, সীমান্ত এলাকার ভৌগোলিক অবস্থান ও নজরদারির ফাঁকফোকরকে কাজে লাগিয়ে এই চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে মাদক বহনের কাজ চালিয়ে আসছে। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, “মোগলহাট মাদক সিন্ডিকেট” ভারতের সীমান্তবর্তী এলাকা থেকে গাঁজা ও অন্যান্য মাদক সংগ্রহ করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে থাকে। অভিযোগ রয়েছে, সুজন মিয়া এই চক্রের মূল বহনকারী ও সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। বিশেষ করে রাতের আঁধারে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্ট ব্যবহার করে মাদক আনা-নেওয়ার ঘটনা প্রায়ই ঘটে বলে দাবি এলাকাবাসীর।
স্থানীয় সূত্র আরও জানায়, লালমনিরহাট সদর থানা ছাড়াও গাইবান্ধা জেলার বিভিন্ন থানায় সুজন মিয়ার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একাধিক মামলা রয়েছে। তবে মামলা থাকার পরও তিনি প্রকাশ্যে না ঘুরলেও গোপনে তার নেটওয়ার্ক পরিচালনা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সীমান্ত এলাকার সাধারণ মানুষ বলছেন, “মোগলহাট মাদক সিন্ডিকেট” নতুন প্রজন্মকে ভয়াবহ ঝুঁকির মধ্যে ঠেলে দিচ্ছে। বিশেষ করে তরুণদের একটি অংশ সহজ টাকার লোভে এসব কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছে, যা সামাজিক অবক্ষয় বাড়িয়ে তুলছে।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সীমান্ত এলাকায় মাদক প্রবেশের কারণে চুরি, ছিনতাই ও কিশোর অপরাধও বৃদ্ধি পাচ্ছে। অভিভাবকরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলছেন, মাদক সহজলভ্য হওয়ায় অনেক তরুণ আসক্তির দিকে ঝুঁকে পড়ছে। স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হলে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে। তাদের দাবি, সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি “মোগলহাট মাদক সিন্ডিকেট”-এর সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে হবে।
এদিকে সীমান্ত এলাকার বাসিন্দারা জেলা পুলিশ, বিজিবি ও র্যাবের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তারা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে সীমান্ত এলাকায় মাদক চোরাচালান চললেও কার্যকর অভিযানের অভাবে এসব চক্র আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে। স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করে দ্রুত সুজন মিয়াসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে। একই সঙ্গে সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী সচেতনতামূলক কার্যক্রম বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
স্থানীয় বিশ্লেষকদের মতে, সীমান্ত এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে শুধু অভিযান পরিচালনা করলেই হবে না, বরং সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলাও জরুরি। তরুণদের খেলাধুলা ও শিক্ষামুখী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত করার পাশাপাশি পরিবারভিত্তিক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। অন্যথায় সীমান্ত অঞ্চলে মাদকের বিস্তার আরও ভয়াবহ পরিস্থিতির জন্ম দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
আরোও পড়ুন – লালমনিরহাটে অবৈধ বালু উত্তোলন: খাস জমি দখলে তোজা মিয়ার বালু বাণিজ্যের অভিযোগ