সেলিম হোসেন রুবেল, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাট শহরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মাহফুজুল ইসলাম মাফু (৪৫) নামে এক এনজিওকর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে শহরের শিল্পকলা একাডেমির সামনের ব্যস্ত সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মাফু সদর উপজেলার পালি গ্রামের বাসিন্দা এবং আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা BRAC-এর দিনাজপুর অফিসে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া জয়পুরহাট ট্রাক দুর্ঘটনা নিয়ে শহরজুড়ে উদ্বেগও বাড়ছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালেও মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মাহফুজুল ইসলাম মাফু। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শহরের শিল্পকলা একাডেমির সামনে পৌঁছালে পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এলেও তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এ জয়পুরহাট ট্রাক দুর্ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করার চেষ্টা করে। তবে স্থানীয়রা ট্রাকটির নম্বর শনাক্তের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বেপরোয়া গতিতে ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে সকাল ও দুপুরের ব্যস্ত সময়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ দুর্বল থাকায় ঝুঁকি আরও বাড়ছে। সাম্প্রতিক জয়পুরহাট ট্রাক দুর্ঘটনা সেই শঙ্কাকেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
নিহত মাফুজুল ইসলাম মাফুর সহকর্মীরা জানান, তিনি অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে BRAC-এর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করার কারণে এলাকায় তার বেশ পরিচিতি ছিল। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, সহকর্মী এবং স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক বিরাজ করছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন এবং সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি তুলেছেন। এই জয়পুরহাট ট্রাক দুর্ঘটনা আবারও সড়ক নিরাপত্তা প্রশ্নে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান তিনি। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বলছে, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে নজরদারি আরও বাড়ানো হবে।
আরোও পড়ুন – রাধানগরে খড় শুকানোয় সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, ব্যাহত যান চলাচল
জয়পুরহাটে ট্রাকের ধাক্কায় এনজিওকর্মীর মৃত্যু, নিহত BRAC কর্মকর্তা
সেলিম হোসেন রুবেল, জয়পুরহাট প্রতিনিধিঃ
জয়পুরহাট শহরে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মাহফুজুল ইসলাম মাফু (৪৫) নামে এক এনজিওকর্মীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। শনিবার সকালে শহরের শিল্পকলা একাডেমির সামনের ব্যস্ত সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত মাফু সদর উপজেলার পালি গ্রামের বাসিন্দা এবং আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা BRAC-এর দিনাজপুর অফিসে কর্মরত ছিলেন। স্থানীয়দের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সাম্প্রতিক সময়ে ঘটে যাওয়া জয়পুরহাট ট্রাক দুর্ঘটনা নিয়ে শহরজুড়ে উদ্বেগও বাড়ছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রতিদিনের মতো শনিবার সকালেও মোটরসাইকেলে করে কর্মস্থলের উদ্দেশ্যে রওনা দেন মাহফুজুল ইসলাম মাফু। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে শহরের শিল্পকলা একাডেমির সামনে পৌঁছালে পেছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ট্রাক তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে তিনি মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান এবং ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ছুটে এলেও তাকে আর বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এ জয়পুরহাট ট্রাক দুর্ঘটনা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা আরও জানান, দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করার চেষ্টা করে। তবে স্থানীয়রা ট্রাকটির নম্বর শনাক্তের চেষ্টা করছেন বলে জানা গেছে। দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেলটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে বেপরোয়া গতিতে ভারী যানবাহন চলাচলের কারণে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটছে। বিশেষ করে সকাল ও দুপুরের ব্যস্ত সময়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ দুর্বল থাকায় ঝুঁকি আরও বাড়ছে। সাম্প্রতিক জয়পুরহাট ট্রাক দুর্ঘটনা সেই শঙ্কাকেই আবার সামনে নিয়ে এসেছে বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
নিহত মাফুজুল ইসলাম মাফুর সহকর্মীরা জানান, তিনি অত্যন্ত শান্ত স্বভাবের ও দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে BRAC-এর বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন তিনি। দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জন্য কাজ করার কারণে এলাকায় তার বেশ পরিচিতি ছিল। তার আকস্মিক মৃত্যুতে পরিবার, সহকর্মী এবং স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক বিরাজ করছে। অনেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক প্রকাশ করছেন এবং সড়কে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদারের দাবি তুলেছেন। এই জয়পুরহাট ট্রাক দুর্ঘটনা আবারও সড়ক নিরাপত্তা প্রশ্নে নতুন আলোচনা তৈরি করেছে।
জয়পুরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে এবং আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি শনাক্তে পুলিশ কাজ করছে বলেও জানান তিনি। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পুলিশ বলছে, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে নজরদারি আরও বাড়ানো হবে।
আরোও পড়ুন – রাধানগরে খড় শুকানোয় সড়কে দুর্ঘটনার ঝুঁকি, ব্যাহত যান চলাচল