মোঃ আলমগীর হোসাইন, বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, রংপুরঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থানরত এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে হোটেল মালিক কবির মিয়া (৪৫)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই আবাসিক হোটেলগুলোর নিরাপত্তা ও তদারকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উলিপুর উপজেলার ঘুঘুমারীর চর এলাকার এক দম্পতি বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে ফেরার পথে রমনা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছান। গভীর রাত হয়ে যাওয়ায় এবং নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় তারা উপজেলার রমনা ইউনিয়নের বাঁধের মোড়ে অবস্থিত ‘আনার কলি’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। তাদের সঙ্গে একটি শিশুসন্তানও ছিল।
অভিযোগে বলা হয়, রাতে ওই নারীর স্বামী খাবার সংগ্রহের জন্য বাইরে গেলে হোটেল মালিক কবির মিয়া সুযোগ নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করেন। পরে তিনি জোরপূর্বক ওই নারীকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। স্বামী ফিরে এলে ভুক্তভোগী নারী ঘটনাটি তাকে জানান। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরদিন বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। তবে সমাধান না হওয়ায় ভুক্তভোগীর স্বামী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী নারী, তার স্বামী ও শিশুসন্তানকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে চিলমারী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত কবির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নয়ন কুমার জানান, ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষাসহ মামলার অন্যান্য কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে আবাসিক হোটেলটির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাদের দাবি, হোটেলটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নিবন্ধন রয়েছে কি না তা তদন্ত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি অতীতেও প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠলেও সেগুলোর যথাযথ তদন্ত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
সচেতন মহলের দাবি, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবাসিক হোটেলগুলোতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে হোটেলগুলোর লাইসেন্স, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়মিত তদারকি করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রামে ভূমি সেবা উন্নয়নে গণশুনানি, কমবে জনভোগান্তি
চিলমারীর আবাসিক হোটেলে নারী যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, মালিক গ্রেপ্তার
মোঃ আলমগীর হোসাইন, বিভাগীয় ব্যুরো চিফ, রংপুরঃ
কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় একটি আবাসিক হোটেলে অবস্থানরত এক নারী যাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে হোটেল মালিক কবির মিয়া (৪৫)কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার রাতে দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে তাকে আটক করা হয়। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়দের অনেকেই আবাসিক হোটেলগুলোর নিরাপত্তা ও তদারকি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
পুলিশ ও মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, উলিপুর উপজেলার ঘুঘুমারীর চর এলাকার এক দম্পতি বৃহস্পতিবার রাতে বাড়িতে ফেরার পথে রমনা ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছান। গভীর রাত হয়ে যাওয়ায় এবং নৌযান চলাচল বন্ধ থাকায় তারা উপজেলার রমনা ইউনিয়নের বাঁধের মোড়ে অবস্থিত ‘আনার কলি’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে ওঠেন। তাদের সঙ্গে একটি শিশুসন্তানও ছিল।
অভিযোগে বলা হয়, রাতে ওই নারীর স্বামী খাবার সংগ্রহের জন্য বাইরে গেলে হোটেল মালিক কবির মিয়া সুযোগ নিয়ে কক্ষে প্রবেশ করেন। পরে তিনি জোরপূর্বক ওই নারীকে ধর্ষণ করেন বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। স্বামী ফিরে এলে ভুক্তভোগী নারী ঘটনাটি তাকে জানান। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার পরদিন বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। তবে সমাধান না হওয়ায় ভুক্তভোগীর স্বামী জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে ভুক্তভোগী নারী, তার স্বামী ও শিশুসন্তানকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে চিলমারী মডেল থানায় মামলা দায়ের করা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত কবির মিয়াকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ জানিয়েছে, মামলাটি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে অন্য কোনো ব্যক্তি জড়িত আছে কি না তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
চিলমারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নয়ন কুমার জানান, ধর্ষণ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া আসামির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়। তিনি আরও জানান, ভুক্তভোগীর মেডিকেল পরীক্ষাসহ মামলার অন্যান্য কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
এদিকে স্থানীয়দের মধ্যে আবাসিক হোটেলটির বৈধতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাদের দাবি, হোটেলটির প্রয়োজনীয় অনুমোদন ও নিবন্ধন রয়েছে কি না তা তদন্ত করা প্রয়োজন। পাশাপাশি অতীতেও প্রতিষ্ঠানটি নিয়ে বিভিন্ন অভিযোগ উঠলেও সেগুলোর যথাযথ তদন্ত হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
সচেতন মহলের দাবি, যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আবাসিক হোটেলগুলোতে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো জরুরি। একই সঙ্গে হোটেলগুলোর লাইসেন্স, নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও অতিথিদের তথ্য সংরক্ষণ প্রক্রিয়া নিয়মিত তদারকি করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
আরোও পড়ুন – কুড়িগ্রামে ভূমি সেবা উন্নয়নে গণশুনানি, কমবে জনভোগান্তি