ইমরান হোসেন, কুষ্টিয়াঃ
দেশের অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী চাউলের মোকাম হিসেবে পরিচিত কুষ্টিয়ার খাজানগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বেহাল অবস্থা চরম আকার ধারণ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই বাণিজ্যিক এলাকার প্রধান সড়কে অসংখ্য খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিন সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ছেন ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পরিবহন চালক ও সাধারণ পথচারীরা। বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই “খাজানগর সড়ক” সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খাজানগর চাউল মোকামের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে এসব গর্ত ডুবে থাকায় যানবাহনের চালকরা সড়কের প্রকৃত অবস্থা বুঝতে না পেরে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। হাঁটু সমান পানির মধ্য দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। অনেক স্থানে যানবাহন আটকে গিয়ে দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে। এতে চাল পরিবহনে অতিরিক্ত সময় লাগছে এবং ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণও বাড়ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রাক চাল ও খাদ্যপণ্য নিয়ে খাজানগর মোকামে আসে। কিন্তু “খাজানগর সড়ক” দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। এছাড়া যানবাহনের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় চালকরাও অতিরিক্ত ক্ষতির মুখে পড়ছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্য সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত এমন একটি মোকামের অবকাঠামোগত অবস্থা এতটা নাজুক হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কের পাশে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকে দীর্ঘ সময়। পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে কাদা ও নোংরা পানির মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, শুধু সাময়িক মেরামত নয়, “খাজানগর সড়ক” টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণ এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি হয়ে পড়েছে।
পণ্যবাহী ট্রাক চালকরা জানান, রাতের বেলায় সড়কের গর্তগুলো পানিতে ঢেকে থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। অনেক সময় ট্রাকের চাকা গর্তে আটকে গিয়ে পণ্য খালাসে বিলম্ব হয়। এতে মোকামের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মতে, দেশের অন্যতম বৃহৎ চাউলের মোকাম হিসেবে খাজানগরের গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত সড়ক উন্নয়ন করা প্রয়োজন।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, খাজানগর এলাকার সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবহন খরচও কমে আসবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও অনেকাংশে লাঘব হবে। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী অবিলম্বে সড়ক সংস্কার, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, দেশের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্য বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে খাজানগরের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
আরোও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় ঈদ সহায়তা বিতরণ, অসহায় মানুষের পাশে জামায়াতে ইসলামী
খাজানগর চাউল মোকামের রাস্তার বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে ব্যবসায়ীরা
ইমরান হোসেন, কুষ্টিয়াঃ
দেশের অন্যতম বৃহৎ ও ঐতিহ্যবাহী চাউলের মোকাম হিসেবে পরিচিত কুষ্টিয়ার খাজানগর এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে সড়কের বেহাল অবস্থা চরম আকার ধারণ করেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই বাণিজ্যিক এলাকার প্রধান সড়কে অসংখ্য খানাখন্দ ও জলাবদ্ধতার কারণে প্রতিদিন সীমাহীন দুর্ভোগে পড়ছেন ব্যবসায়ী, শ্রমিক, পরিবহন চালক ও সাধারণ পথচারীরা। বিশেষ করে সামান্য বৃষ্টিতেই পুরো সড়ক পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই “খাজানগর সড়ক” সংস্কারের দাবি জানানো হলেও কার্যকর কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, খাজানগর চাউল মোকামের বিভিন্ন অংশে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টির পানিতে এসব গর্ত ডুবে থাকায় যানবাহনের চালকরা সড়কের প্রকৃত অবস্থা বুঝতে না পেরে প্রায়ই দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন। হাঁটু সমান পানির মধ্য দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করতে দেখা গেছে। অনেক স্থানে যানবাহন আটকে গিয়ে দীর্ঘ যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে। এতে চাল পরিবহনে অতিরিক্ত সময় লাগছে এবং ব্যবসায়ীদের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণও বাড়ছে।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রাক চাল ও খাদ্যপণ্য নিয়ে খাজানগর মোকামে আসে। কিন্তু “খাজানগর সড়ক” দীর্ঘদিন ধরে সংস্কার না হওয়ায় পরিবহন ব্যয় বেড়ে গেছে কয়েকগুণ। এছাড়া যানবাহনের যন্ত্রাংশ দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় চালকরাও অতিরিক্ত ক্ষতির মুখে পড়ছেন। ব্যবসায়ীরা বলছেন, দেশের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্য সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে জড়িত এমন একটি মোকামের অবকাঠামোগত অবস্থা এতটা নাজুক হওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, সড়কের পাশে কার্যকর ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই পানি জমে থাকে দীর্ঘ সময়। পানি নিষ্কাশনের স্থায়ী ব্যবস্থা না থাকায় প্রতি বছর বর্ষা মৌসুমে দুর্ভোগ আরও বেড়ে যায়। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে কাদা ও নোংরা পানির মধ্যে দিয়ে চলাচল করতে হচ্ছে। স্থানীয়রা বলছেন, শুধু সাময়িক মেরামত নয়, “খাজানগর সড়ক” টেকসইভাবে পুনর্নির্মাণ এবং আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থা গড়ে তোলা জরুরি হয়ে পড়েছে।
পণ্যবাহী ট্রাক চালকরা জানান, রাতের বেলায় সড়কের গর্তগুলো পানিতে ঢেকে থাকায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। অনেক সময় ট্রাকের চাকা গর্তে আটকে গিয়ে পণ্য খালাসে বিলম্ব হয়। এতে মোকামের স্বাভাবিক ব্যবসায়িক কার্যক্রমও ব্যাহত হচ্ছে। ব্যবসায়ীদের মতে, দেশের অন্যতম বৃহৎ চাউলের মোকাম হিসেবে খাজানগরের গুরুত্ব বিবেচনায় দ্রুত সড়ক উন্নয়ন করা প্রয়োজন।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, খাজানগর এলাকার সড়ক ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি আরও বৃদ্ধি পাবে এবং পরিবহন খরচও কমে আসবে। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগও অনেকাংশে লাঘব হবে। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী অবিলম্বে সড়ক সংস্কার, জলাবদ্ধতা নিরসন এবং স্থায়ী ড্রেনেজ ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, দেশের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যপণ্য বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে খাজানগরের অবকাঠামোগত উন্নয়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।
আরোও পড়ুন – কুষ্টিয়ায় ঈদ সহায়তা বিতরণ, অসহায় মানুষের পাশে জামায়াতে ইসলামী