শিক্ষকদের নিরাপত্তা, সম্মান ও উন্নয়নে পরিকল্পনা জানালেন ফজলে হুদা বাবুল

মুজাহিদ হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

মহাদেবপুর–বদলগাছী আসনের বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলে হুদা বাবুল জানিয়েছেন, জাতীয় উন্নতির ভিত্তি গড়ে ওঠে নীতিবান ও দায়িত্বশীল শিক্ষকদের হাত ধরেই। তিনি মনে করেন—শিক্ষক হলেন ছাত্র গঠনের প্রধান স্থপতি; তাই শ্রেণিকক্ষে কোনো ধরনের দলীয় আলোচনার সুযোগ নেই।

শনিবার দুপুরে মহাদেবপুরের সর্বমঙ্গলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত শিক্ষক সমাবেশে তিনি শিক্ষকদের পেশাগত মূল্যবোধ, কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক অবস্থান নিয়ে বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একজন শিক্ষক যখন ছাত্রের সামনে দাঁড়ান, তখন তার দায়িত্ব শুধু পাঠদান নয়, বরং মূল্যবোধ গঠনেরও। তাই ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মত থাকলেও শিক্ষকতার সময়ে নিরপেক্ষ থাকা অত্যন্ত জরুরি।

সমাবেশে তিনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে চলা বৈষম্যের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তার মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তার তুলনায় শিক্ষকের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা অপ্রতুল থাকায় মানসম্মত শিক্ষা ব্যাহত হয়। তিনি অবহেলিত শিক্ষকদের আর্থিক উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং জানান—BNP ক্ষমতায় গেলে শিক্ষক সমাজকে আর্থিকভাবে সক্ষম করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিক্ষকদের নিরাপত্তা ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, নির্বাচিত হলে কোনো শিক্ষক যেন হয়রানির শিকার না হন এবং কোনো উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ার আগে শিক্ষকসমাজের সাথে আলোচনা করা হবে।

সমাবেশে তিনি শিক্ষকদের অবসরোত্তর জীবনের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে একটি বিশেষ ফান্ড গঠনের পরিকল্পনা জানান, যা তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একইসঙ্গে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষকদের জন্য বিশেষ সম্মানী প্রদানের কথাও উল্লেখ করেন।

ব্যক্তিগত জীবনদর্শনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি সাদাসিধে জীবনযাপন ও মূল্যবোধনির্ভর রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী। তাঁর দাবি, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ আজও তাকে সৎ ও নীতিনিষ্ঠ জীবনকে প্রাধান্য দিতে উৎসাহিত করে।

সমাবেশে নওগাঁ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোকলেছুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীসহ হাজারো শিক্ষক-শিক্ষিকা।

শিক্ষকদের নিরাপত্তা, সম্মান ও উন্নয়নে পরিকল্পনা জানালেন ফজলে হুদা বাবুল

নভেম্বর ২২, ২০২৫

মুজাহিদ হোসেন, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধিঃ

মহাদেবপুর–বদলগাছী আসনের বিএনপির মনোনীত এমপি প্রার্থী ও কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফজলে হুদা বাবুল জানিয়েছেন, জাতীয় উন্নতির ভিত্তি গড়ে ওঠে নীতিবান ও দায়িত্বশীল শিক্ষকদের হাত ধরেই। তিনি মনে করেন—শিক্ষক হলেন ছাত্র গঠনের প্রধান স্থপতি; তাই শ্রেণিকক্ষে কোনো ধরনের দলীয় আলোচনার সুযোগ নেই।

শনিবার দুপুরে মহাদেবপুরের সর্বমঙ্গলা পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত শিক্ষক সমাবেশে তিনি শিক্ষকদের পেশাগত মূল্যবোধ, কর্মপরিবেশ এবং সামাজিক অবস্থান নিয়ে বিস্তৃত দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, একজন শিক্ষক যখন ছাত্রের সামনে দাঁড়ান, তখন তার দায়িত্ব শুধু পাঠদান নয়, বরং মূল্যবোধ গঠনেরও। তাই ব্যক্তিগত রাজনৈতিক মত থাকলেও শিক্ষকতার সময়ে নিরপেক্ষ থাকা অত্যন্ত জরুরি।

সমাবেশে তিনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন ধরে চলা বৈষম্যের বিষয়টিও তুলে ধরেন। তার মতে, একজন সরকারি কর্মকর্তার তুলনায় শিক্ষকের বেতন ও সুযোগ-সুবিধা অপ্রতুল থাকায় মানসম্মত শিক্ষা ব্যাহত হয়। তিনি অবহেলিত শিক্ষকদের আর্থিক উন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করেন এবং জানান—BNP ক্ষমতায় গেলে শিক্ষক সমাজকে আর্থিকভাবে সক্ষম করতে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হবে।

শিক্ষকদের নিরাপত্তা ও প্রতিষ্ঠান পরিচালনার ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি। তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে, নির্বাচিত হলে কোনো শিক্ষক যেন হয়রানির শিকার না হন এবং কোনো উন্নয়নকাজ শুরু হওয়ার আগে শিক্ষকসমাজের সাথে আলোচনা করা হবে।

সমাবেশে তিনি শিক্ষকদের অবসরোত্তর জীবনের প্রতি গুরুত্ব দিয়ে একটি বিশেষ ফান্ড গঠনের পরিকল্পনা জানান, যা তাদের আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। একইসঙ্গে দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে শিক্ষার ব্যবস্থা এবং শিক্ষকদের জন্য বিশেষ সম্মানী প্রদানের কথাও উল্লেখ করেন।

ব্যক্তিগত জীবনদর্শনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি সাদাসিধে জীবনযাপন ও মূল্যবোধনির্ভর রাজনৈতিক চর্চায় বিশ্বাসী। তাঁর দাবি, শহীদ জিয়াউর রহমানের আদর্শ আজও তাকে সৎ ও নীতিনিষ্ঠ জীবনকে প্রাধান্য দিতে উৎসাহিত করে।

সমাবেশে নওগাঁ সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ আলহাজ্ব মোহাম্মদ মোকলেছুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীসহ হাজারো শিক্ষক-শিক্ষিকা।