শ্রীনগর প্রতিনিধিঃ
শ্রীনগর উপজেলার আটপাড়া ইউনিয়নের বেলতলী গ্রামে সাংবাদিকের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। হামলার ঘটনায় থানায় অভিযোগ ও একজন গ্রেফতারের পরও বাকি অভিযুক্তদের ধরতে না পারায় এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনার পর হামলাকারী পক্ষের নেতৃত্তে উল্টো মানববন্ধন আয়োজনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়জনের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলতলী গ্রামের একটি রাস্তার নির্মাণকাজ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে একটি মহল সাংবাদিক ফরহাদ হোসেন জনিকে উদ্দেশ্য করে পরিকল্পিতভাবে জনতা উত্তেজিত করে তোলার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ভূমি কর্মকর্তা কাজ বন্ধ করলেও ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য সাংবাদিককে সামনে এনে মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হয় এবং পরে তাকে ঘিরে উত্তেজিত জনতা হামলা চালায়।
ঘটনার পর সাংবাদিক মহল ও স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের সংবাদকর্মীরা ২৭ নভেম্বর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন। কিন্তু এরপর হামলার অভিযোগে থাকা ইউপি সদস্য নিয়ামত ইসলাম রবিন ও তার অনুসারীরা গ্রামে গ্রামে বৈঠক করে সাধারণ মানুষকে ভিন্ন তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ এসেছে। তাদের উদ্যোগে ২৯ নভেম্বর একই জায়গায় সাংবাদিক জনির বিরুদ্ধে পাল্টা মানববন্ধনও হয়।
এ মানববন্ধনে অংশ নেন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ আলী ক্লে, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা পলাশ, খোকন বায়ান, ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মহসিন, সাংবাদিককে ডেকে নেওয়া শহিদুল, সাবেক কাউন্সিলর সদস্য তুষারসহ স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। উপস্থিত ছিলেন গ্রামের নারী–পুরুষও।
হামলার শিকার সাংবাদিক ফরহাদ হোসেন জনি বলেন, “রাস্তার কাজ বন্ধ করা ভূমি কর্মকর্তার দায়িত্বের অংশ। সেখানে সাংবাদিক হিসেবে আমার কোনো ভূমিকা ছিল না। পরিকল্পিতভাবে বিষয়টি ভিন্ন দিকে নিয়ে গিয়ে আমাকে টার্গেট করা হয়েছে। এটি পেশাগত নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।”
এ বিষয়ে শ্রীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান জানান, “হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামিদের বিষয়ে ওসির সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা প্রকৃত ঘটনা তদন্তপূর্বক দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন।
শ্রীনগরে সাংবাদিক নির্যাতন ইস্যুতে উল্টো মানববন্ধন: অভিযোগে উত্তপ্ত আটপাড়া
শ্রীনগর প্রতিনিধিঃ
শ্রীনগর উপজেলার আটপাড়া ইউনিয়নের বেলতলী গ্রামে সাংবাদিকের ওপর সংঘবদ্ধ হামলার পর পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে। হামলার ঘটনায় থানায় অভিযোগ ও একজন গ্রেফতারের পরও বাকি অভিযুক্তদের ধরতে না পারায় এলাকাজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ঘটনার পর হামলাকারী পক্ষের নেতৃত্তে উল্টো মানববন্ধন আয়োজনকে কেন্দ্র করে স্থানীয়জনের মধ্যে তৈরি হয়েছে নতুন বিতর্ক।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বেলতলী গ্রামের একটি রাস্তার নির্মাণকাজ ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার নির্দেশে সাময়িকভাবে বন্ধ হয়। ঠিক সেই মুহূর্তে একটি মহল সাংবাদিক ফরহাদ হোসেন জনিকে উদ্দেশ্য করে পরিকল্পিতভাবে জনতা উত্তেজিত করে তোলার অভিযোগ ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ভূমি কর্মকর্তা কাজ বন্ধ করলেও ঘটনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য সাংবাদিককে সামনে এনে মিথ্যা অপবাদ ছড়ানো হয় এবং পরে তাকে ঘিরে উত্তেজিত জনতা হামলা চালায়।
ঘটনার পর সাংবাদিক মহল ও স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের সংবাদকর্মীরা ২৭ নভেম্বর হামলার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেন। কিন্তু এরপর হামলার অভিযোগে থাকা ইউপি সদস্য নিয়ামত ইসলাম রবিন ও তার অনুসারীরা গ্রামে গ্রামে বৈঠক করে সাধারণ মানুষকে ভিন্ন তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করে বলে অভিযোগ এসেছে। তাদের উদ্যোগে ২৯ নভেম্বর একই জায়গায় সাংবাদিক জনির বিরুদ্ধে পাল্টা মানববন্ধনও হয়।
এ মানববন্ধনে অংশ নেন ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ আলী ক্লে, ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা পলাশ, খোকন বায়ান, ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মহসিন, সাংবাদিককে ডেকে নেওয়া শহিদুল, সাবেক কাউন্সিলর সদস্য তুষারসহ স্থানীয় কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি। উপস্থিত ছিলেন গ্রামের নারী–পুরুষও।
হামলার শিকার সাংবাদিক ফরহাদ হোসেন জনি বলেন, “রাস্তার কাজ বন্ধ করা ভূমি কর্মকর্তার দায়িত্বের অংশ। সেখানে সাংবাদিক হিসেবে আমার কোনো ভূমিকা ছিল না। পরিকল্পিতভাবে বিষয়টি ভিন্ন দিকে নিয়ে গিয়ে আমাকে টার্গেট করা হয়েছে। এটি পেশাগত নিরাপত্তার জন্য বড় হুমকি।”
এ বিষয়ে শ্রীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনিছুর রহমান জানান, “হামলার ঘটনায় ইতোমধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। বাকি আসামিদের বিষয়ে ওসির সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা প্রকৃত ঘটনা তদন্তপূর্বক দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন।