বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে এনডিপির শোক, দোয়া ও শোক দিবসে সংহতি

সেলিম মাহবুবঃ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি)। দলটির চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্তজা এবং মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতিতে শোক প্রকাশ করেন।
এনডিপি নেতৃবৃন্দ মনে করেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন স্বাধীনতা–পরবর্তী বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী ও দৃঢ়চেতা রাজনৈতিক নেতৃত্ব। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আপসহীন অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে স্বৈরতন্ত্রবিরোধী আন্দোলন নতুন গতি পেয়েছিল এবং দেশের রাজনীতিতে ভারসাম্য ও প্রতিরোধের শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছিল।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁর অনুপস্থিতি জাতির জন্য একটি বড় শূন্যতা। এমন এক সময়ে তিনি চলে গেলেন, যখন বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মোড় অতিক্রম করছে। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্ব দেশের জন্য আরও প্রয়োজনীয় ছিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
এনডিপির পক্ষ থেকে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, বিএনপি ও দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। একই সঙ্গে বিএনপি ঘোষিত সাত দিনের শোক কর্মসূচির প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে এনডিপি।
দলটির নেতারা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান, যেন সবাই এই শোকের দিনে একত্রিত হয়ে মরহুমার জন্য দোয়া করেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শ, সংগ্রামী জীবন ও নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করবে।
বেগম খালেদা জিয়া কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী ছিলেন না; তিনি ছিলেন দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাজপথের আন্দোলন থেকে শুরু করে সংসদীয় রাজনীতির প্রতিটি পর্যায়ে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর প্রয়াণে আজ নীরব হয়ে গেছে রাজনীতি, ভারী হয়ে উঠেছে জাতির মন।
তবে তাঁর আদর্শ, সাহসিকতা ও গণতন্ত্রের প্রতি অবিচল বিশ্বাস বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরস্থায়ী অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা এনডিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের।

বেগম খালেদা জিয়ার ইন্তেকালে এনডিপির শোক, দোয়া ও শোক দিবসে সংহতি

ডিসেম্বর ৩০, ২০২৫

সেলিম মাহবুবঃ

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রয়াণে। তাঁর মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি (এনডিপি)। দলটির চেয়ারম্যান খোন্দকার গোলাম মোর্তজা এবং মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা যৌথ বিবৃতির মাধ্যমে জাতির এই অপূরণীয় ক্ষতিতে শোক প্রকাশ করেন।
এনডিপি নেতৃবৃন্দ মনে করেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন স্বাধীনতা–পরবর্তী বাংলাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী ও দৃঢ়চেতা রাজনৈতিক নেতৃত্ব। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি গণতন্ত্র, ভোটাধিকার এবং সংসদীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আপসহীন অবস্থান ধরে রেখেছিলেন। তাঁর নেতৃত্বে স্বৈরতন্ত্রবিরোধী আন্দোলন নতুন গতি পেয়েছিল এবং দেশের রাজনীতিতে ভারসাম্য ও প্রতিরোধের শক্ত ভিত্তি তৈরি হয়েছিল।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাঁর অনুপস্থিতি জাতির জন্য একটি বড় শূন্যতা। এমন এক সময়ে তিনি চলে গেলেন, যখন বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মোড় অতিক্রম করছে। এই প্রেক্ষাপটে তাঁর অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্ব দেশের জন্য আরও প্রয়োজনীয় ছিল বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা।
এনডিপির পক্ষ থেকে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয় এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার, বিএনপি ও দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়। একই সঙ্গে বিএনপি ঘোষিত সাত দিনের শোক কর্মসূচির প্রতি পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করে এনডিপি।
দলটির নেতারা দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান, যেন সবাই এই শোকের দিনে একত্রিত হয়ে মরহুমার জন্য দোয়া করেন। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন, বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক আদর্শ, সংগ্রামী জীবন ও নেতৃত্ব ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে গণতান্ত্রিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ করবে।
বেগম খালেদা জিয়া কেবল একটি রাজনৈতিক দলের নেত্রী ছিলেন না; তিনি ছিলেন দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাজপথের আন্দোলন থেকে শুরু করে সংসদীয় রাজনীতির প্রতিটি পর্যায়ে তাঁর ভূমিকা ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তাঁর প্রয়াণে আজ নীরব হয়ে গেছে রাজনীতি, ভারী হয়ে উঠেছে জাতির মন।
তবে তাঁর আদর্শ, সাহসিকতা ও গণতন্ত্রের প্রতি অবিচল বিশ্বাস বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে চিরস্থায়ী অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে—এমনটাই প্রত্যাশা এনডিপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের।