বাগেরহাট প্রতিনিধি: এনায়েত করিম রাজিবঃ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনে দাখিল করা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। যাচাই শেষে মোট ৩২ জন প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে জেলার চারটি আসনে বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ জন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় নির্বাচন কমিশনের প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে প্রত্যেক প্রার্থীর দাখিলকৃত কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। যাচাই প্রক্রিয়ায় মূলত ঋণ খেলাপি হওয়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভোটার সমর্থনের তথ্যের অসঙ্গতি থাকায় পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
বাগেরহাট-১ সংসদীয় আসন, যা ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারি উপজেলা নিয়ে গঠিত, সেখানে সর্বাধিক ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে এই আসনে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়। বাতিলের কারণ হিসেবে ভোটের শতকরা হিসাবের গরমিল এবং ঋণ খেলাপির বিষয়টি উঠে আসে।
বাগেরহাট-২ সংসদীয় আসন, যার আওতায় বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলা রয়েছে, সেখানে মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন। যাচাই শেষে এই আসনে একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির তথ্য পাওয়ায় মনোনয়ন বৈধতা পায়নি।
অন্যদিকে বাগেরহাট-৩ সংসদীয় আসন, যা রামপাল ও মোংলা উপজেলা নিয়ে গঠিত, সেখানে দাখিল করা সাতজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে সবাইকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এই আসনে প্রার্থীদের মধ্যে পূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
বাগেরহাট-৪ সংসদীয় আসন, যার মধ্যে মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা অন্তর্ভুক্ত, সেখানে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। প্রয়োজনীয় ভোটার স্বাক্ষরের ঘাটতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী আপিল করার সুযোগ থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ায় বাগেরহাটে নির্বাচন সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হলো। এখন বৈধ প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা জোরদার করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।
বাগেরহাটে মনোনয়ন যাচাই শেষে ৩২ প্রার্থীর মধ্যে ৫ জন বাদ, মাঠে ২৭
বাগেরহাট প্রতিনিধি: এনায়েত করিম রাজিবঃ
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাগেরহাট জেলার চারটি সংসদীয় আসনে দাখিল করা মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। যাচাই শেষে মোট ৩২ জন প্রার্থীর মধ্যে পাঁচজনের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে জেলার চারটি আসনে বর্তমানে বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৭ জন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় নির্বাচন কমিশনের প্রচলিত আইন ও বিধিমালা অনুসরণ করে প্রত্যেক প্রার্থীর দাখিলকৃত কাগজপত্র পরীক্ষা করা হয়। যাচাই প্রক্রিয়ায় মূলত ঋণ খেলাপি হওয়া এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ভোটার সমর্থনের তথ্যের অসঙ্গতি থাকায় পাঁচজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়।
বাগেরহাট-১ সংসদীয় আসন, যা ফকিরহাট, মোল্লাহাট ও চিতলমারি উপজেলা নিয়ে গঠিত, সেখানে সর্বাধিক ১১ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে এই আসনে তিনজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল হয়। বাতিলের কারণ হিসেবে ভোটের শতকরা হিসাবের গরমিল এবং ঋণ খেলাপির বিষয়টি উঠে আসে।
বাগেরহাট-২ সংসদীয় আসন, যার আওতায় বাগেরহাট সদর ও কচুয়া উপজেলা রয়েছে, সেখানে মোট আটজন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দেন। যাচাই শেষে এই আসনে একজন প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ওই প্রার্থীর বিরুদ্ধে ঋণ খেলাপির তথ্য পাওয়ায় মনোনয়ন বৈধতা পায়নি।
অন্যদিকে বাগেরহাট-৩ সংসদীয় আসন, যা রামপাল ও মোংলা উপজেলা নিয়ে গঠিত, সেখানে দাখিল করা সাতজন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে সবাইকে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ফলে এই আসনে প্রার্থীদের মধ্যে পূর্ণ প্রতিদ্বন্দ্বিতার পরিবেশ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
বাগেরহাট-৪ সংসদীয় আসন, যার মধ্যে মোরেলগঞ্জ ও শরণখোলা উপজেলা অন্তর্ভুক্ত, সেখানে ছয়জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। যাচাই-বাছাই শেষে একজন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়। প্রয়োজনীয় ভোটার স্বাক্ষরের ঘাটতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, যাচাই-বাছাই কার্যক্রম স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। বাতিল হওয়া প্রার্থীদের জন্য নির্বাচন কমিশনের নিয়ম অনুযায়ী আপিল করার সুযোগ থাকবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আপিল নিষ্পত্তির পর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হবে।
মনোনয়ন যাচাই-বাছাই শেষ হওয়ায় বাগেরহাটে নির্বাচন সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক প্রস্তুতির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ সম্পন্ন হলো। এখন বৈধ প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা জোরদার করার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে।