নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে মাভাবিপ্রবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুইজ ও আলোচনা সভা

মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিহাসচেতনা ও সাম্যভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় জাগ্রত করতে দিনব্যাপী কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির শিরোনাম ছিল ‘বিপ্লব থেকে বিজয়’।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সেমিনার কক্ষে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। সকাল থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। আয়োজনের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। পরে আনুষ্ঠানিক আলোচনা পর্বে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তুলে ধরা হয়।
আলোচনায় বক্তারা ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক গণ-আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় দেশের রাজনৈতিক বিকাশের চিত্র বিশ্লেষণ করেন। তারা জানান, দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সচেতন ছাত্রসমাজই পারে পরিবর্তনের অগ্রদূত হতে।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে ইতিহাস জানা ও মূল্যবোধ ধারণ করা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে জ্ঞানচর্চা, যুক্তিবাদ ও সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনা সভার পাশাপাশি অনুষ্ঠিত কুইজ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, গণ-আন্দোলন এবং সমসাময়িক সামাজিক পরিবর্তন বিষয়ক প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত ছিল। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। কুইজে প্রথম স্থান অধিকারকারীকে ১০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারকারীকে ৫ হাজার টাকা, তৃতীয় স্থান অধিকারকারীকে ৩ হাজার টাকা এবং সপ্তম থেকে দশম স্থান অর্জনকারীদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, ইতিহাস সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈষম্যবিরোধী চেতনা ছড়িয়ে দেওয়াই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় এ ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক ও শিক্ষামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরোও পড়ুন – কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে জীবনযাপনের পরিবর্তন জরুরি: মাভাবিপ্রবিতে সচেতনতামূলক সেমিনার

নতুন বাংলাদেশের স্বপ্নে মাভাবিপ্রবিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কুইজ ও আলোচনা সভা

জানুয়ারি ৮, ২০২৬

মো: জিসান রহমান, মাভাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ

টাঙ্গাইলের মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (মাভাবিপ্রবি) শিক্ষার্থীদের মধ্যে ইতিহাসচেতনা ও সাম্যভিত্তিক সমাজ গঠনের প্রত্যয় জাগ্রত করতে দিনব্যাপী কুইজ প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির শিরোনাম ছিল ‘বিপ্লব থেকে বিজয়’।
বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের তৃতীয় একাডেমিক ভবনের সেমিনার কক্ষে এ আয়োজন সম্পন্ন হয়। সকাল থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করে। আয়োজনের শুরুতে পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত করা হয়। পরে আনুষ্ঠানিক আলোচনা পর্বে বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় তুলে ধরা হয়।
আলোচনায় বক্তারা ভাষা আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং সাম্প্রতিক গণ-আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় দেশের রাজনৈতিক বিকাশের চিত্র বিশ্লেষণ করেন। তারা জানান, দীর্ঘ সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে অর্জিত স্বাধীনতা ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের দায়িত্বশীল ভূমিকা অপরিহার্য। বৈষম্যহীন রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় সচেতন ছাত্রসমাজই পারে পরিবর্তনের অগ্রদূত হতে।
অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের তাৎপর্য তুলে ধরে বক্তারা বলেন, একটি ন্যায়ভিত্তিক রাষ্ট্র গঠনে ইতিহাস জানা ও মূল্যবোধ ধারণ করা জরুরি। বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে জ্ঞানচর্চা, যুক্তিবাদ ও সুস্থ সাংস্কৃতিক পরিবেশের কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
আলোচনা সভার পাশাপাশি অনুষ্ঠিত কুইজ প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস, গণ-আন্দোলন এবং সমসাময়িক সামাজিক পরিবর্তন বিষয়ক প্রশ্ন অন্তর্ভুক্ত ছিল। শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে প্রতিযোগিতাটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। কুইজে প্রথম স্থান অধিকারকারীকে ১০ হাজার টাকা, দ্বিতীয় স্থান অধিকারকারীকে ৫ হাজার টাকা, তৃতীয় স্থান অধিকারকারীকে ৩ হাজার টাকা এবং সপ্তম থেকে দশম স্থান অর্জনকারীদের প্রত্যেককে ১ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, ইতিহাস সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বৈষম্যবিরোধী চেতনা ছড়িয়ে দেওয়াই এই আয়োজনের মূল লক্ষ্য। ভবিষ্যতেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সহযোগিতায় এ ধরনের বুদ্ধিবৃত্তিক ও শিক্ষামূলক কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আরোও পড়ুন – কিডনি রোগের ঝুঁকি কমাতে জীবনযাপনের পরিবর্তন জরুরি: মাভাবিপ্রবিতে সচেতনতামূলক সেমিনার