মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজদিখান উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ মেহের আলী বিএনপিতে হঠাৎ যোগদানের ঘোষণা দিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার পরিবর্তনের পরপরই তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন শুরু করেন এবং নির্বাচনের পরে এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর সঙ্গে ছবি ব্যবহার করে বিজয়ের শুভেচ্ছা জানান। এই পদক্ষেপে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
মেহের আলীর বিরুদ্ধে অতীতে টেন্ডারবাজি, সরকারি কাজে অনিয়ম, জমি ও দোকান দখল, মাদক ও জুয়ার মতো অভিযোগ থাকলেও তিনি স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতার সঙ্গে সখ্যতা বজায় রেখেছেন। এই সম্পর্কের কারণে মেহের আলী বিএনপিতে যোগদানকে অনেকেই কৌশলগত বলে দেখছেন।
রাজানগর এলাকার স্থানীয়রা জানান, মেহের আলী স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় ক্ষমতাসীন নেতাদের পক্ষে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগেও জড়িত ছিলেন। এছাড়া সিরাজদিখান থানায় ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় কারাভোগ শেষে এলাকায় ফিরে হঠাৎ দল পরিবর্তন করায় এলাকার সাধারণ মানুষও বিভ্রান্ত।
রাজানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ মাহবুবুর রহমান কাজল বলেন, “স্বৈরাচার ফ্যাসিস্টের কেউ বিএনপির হতে পারে না। আমরা জানতে পেরেই এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর ছবি ব্যবহার করে টানানো ব্যানার অপসারণ করেছি।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মেহের আলী বিএনপিতে যোগদানের ইস্যু সামনে রেখে সিরাজদিখানের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে নির্বাচন ও রাজনৈতিক ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে মেহের আলী নিজে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। স্থানীয় নেতারা ও সাধারণ মানুষ এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক কৌশল বলে মনে করছেন।
আরোও পড়ুন – শ্রীনগরে কিশোরী নিখোঁজে হামলা | সন্দেহে প্রতিবেশীর বাড়িতে ভাঙচুর ও মারধর
সিরাজদিখানে আওয়ামিলীগ এর মেহের আলী বিএনপিতে যোগদান, রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়ালো
মুন্সিগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
সিরাজদিখান উপজেলার রাজানগর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য ও আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মোঃ মেহের আলী বিএনপিতে হঠাৎ যোগদানের ঘোষণা দিয়ে এলাকায় রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সরকার পরিবর্তনের পরপরই তিনি নিজের অবস্থান পরিবর্তন শুরু করেন এবং নির্বাচনের পরে এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর সঙ্গে ছবি ব্যবহার করে বিজয়ের শুভেচ্ছা জানান। এই পদক্ষেপে বিএনপির ত্যাগী নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
মেহের আলীর বিরুদ্ধে অতীতে টেন্ডারবাজি, সরকারি কাজে অনিয়ম, জমি ও দোকান দখল, মাদক ও জুয়ার মতো অভিযোগ থাকলেও তিনি স্থানীয় কিছু বিএনপি নেতার সঙ্গে সখ্যতা বজায় রেখেছেন। এই সম্পর্কের কারণে মেহের আলী বিএনপিতে যোগদানকে অনেকেই কৌশলগত বলে দেখছেন।
রাজানগর এলাকার স্থানীয়রা জানান, মেহের আলী স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনের সময় ক্ষমতাসীন নেতাদের পক্ষে অবৈধ অর্থ লেনদেনের অভিযোগেও জড়িত ছিলেন। এছাড়া সিরাজদিখান থানায় ভাঙচুর ও লুটপাটের মামলায় কারাভোগ শেষে এলাকায় ফিরে হঠাৎ দল পরিবর্তন করায় এলাকার সাধারণ মানুষও বিভ্রান্ত।
রাজানগর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ মাহবুবুর রহমান কাজল বলেন, “স্বৈরাচার ফ্যাসিস্টের কেউ বিএনপির হতে পারে না। আমরা জানতে পেরেই এমপি শেখ মোঃ আব্দুল্লাহর ছবি ব্যবহার করে টানানো ব্যানার অপসারণ করেছি।”
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, মেহের আলী বিএনপিতে যোগদানের ইস্যু সামনে রেখে সিরাজদিখানের রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি হতে পারে। তিনি স্থানীয় ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, যা ভবিষ্যতে নির্বাচন ও রাজনৈতিক ভারসাম্যে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।
এ বিষয়ে মেহের আলী নিজে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। স্থানীয় নেতারা ও সাধারণ মানুষ এই পদক্ষেপকে রাজনৈতিক কৌশল বলে মনে করছেন।
আরোও পড়ুন – শ্রীনগরে কিশোরী নিখোঁজে হামলা | সন্দেহে প্রতিবেশীর বাড়িতে ভাঙচুর ও মারধর