মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক মর্মান্তিক ভ্যানচালক হত্যার ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল ২০২৬) বেলগাছি গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকায় পাঠক ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলম (৪৪) স্থানীয় বাসিন্দা এবং তার পিতা মো. আশরাফ। এই ভ্যানচালক হত্যা ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় আলম তার ভ্যান নিয়ে চলাচল করছিলেন। অভিযুক্ত মজিবর রহমান (৫৫) তাকে থামার সংকেত দেন। তবে কিছুটা দূরে গিয়ে ভ্যান থামানোকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মজিবর ইট দিয়ে আলমের মাথার পেছনে একাধিক আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে আলম ভ্যান থেকে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এই নৃশংস হামলার মধ্য দিয়েই ঘটে যায় আরেকটি ভ্যানচালক হত্যা, যা মুহূর্তেই এলাকাজুড়ে আলোড়ন তোলে।
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত আলমকে উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের মতে, মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। এই ভ্যানচালক হত্যা ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী অভিযুক্ত মজিবর রহমানকে ধরে পাঠক ক্লাবের ভেতরে আটকে রাখে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে মোহনপুর থানা পুলিশের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং অভিযুক্তকে নিরাপদে হেফাজতে নেওয়া হয়। এই ভ্যানচালক হত্যাকে কেন্দ্র করে জনতার উত্তেজনা এতটাই তীব্র ছিল যে, পুলিশের দুই সদস্যও সামান্য আহত হন।
বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টহল জোরদার করা হয়েছে। এ বিষয়ে মোহনপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোদাস্সের হোসেন খাঁন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ বলছে, এই ভ্যানচালক হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তুচ্ছ ঘটনায় ভ্যানচালক হত্যা: মোহনপুরে ইটের আঘাতে প্রাণ গেল আলমের
মো: গোলাম কিবরিয়া
রাজশাহী জেলা প্রতিনিধিঃ
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এক মর্মান্তিক ভ্যানচালক হত্যার ঘটনা ঘটেছে, যা এলাকায় চরম উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে। শুক্রবার (১০ এপ্রিল ২০২৬) বেলগাছি গ্রামের পূর্বপাড়া এলাকায় পাঠক ক্লাবের সামনে এ ঘটনা ঘটে। নিহত আলম (৪৪) স্থানীয় বাসিন্দা এবং তার পিতা মো. আশরাফ। এই ভ্যানচালক হত্যা ঘটনাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এবং এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঘটনার সময় আলম তার ভ্যান নিয়ে চলাচল করছিলেন। অভিযুক্ত মজিবর রহমান (৫৫) তাকে থামার সংকেত দেন। তবে কিছুটা দূরে গিয়ে ভ্যান থামানোকে কেন্দ্র করে উভয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। এক পর্যায়ে ক্ষিপ্ত হয়ে মজিবর ইট দিয়ে আলমের মাথার পেছনে একাধিক আঘাত করেন। এতে গুরুতর আহত হয়ে আলম ভ্যান থেকে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এই নৃশংস হামলার মধ্য দিয়েই ঘটে যায় আরেকটি ভ্যানচালক হত্যা, যা মুহূর্তেই এলাকাজুড়ে আলোড়ন তোলে।
আহত অবস্থায় স্থানীয়রা দ্রুত আলমকে উদ্ধার করে মোহনপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসকদের মতে, মাথায় গুরুতর আঘাতের কারণেই তার মৃত্যু হয়েছে। এই ভ্যানচালক হত্যা ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোক ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে এবং ঘটনার সুষ্ঠু বিচারের দাবি উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।
ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী অভিযুক্ত মজিবর রহমানকে ধরে পাঠক ক্লাবের ভেতরে আটকে রাখে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দেওয়ার চেষ্টা করে। তবে মোহনপুর থানা পুলিশের তাৎক্ষণিক হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং অভিযুক্তকে নিরাপদে হেফাজতে নেওয়া হয়। এই ভ্যানচালক হত্যাকে কেন্দ্র করে জনতার উত্তেজনা এতটাই তীব্র ছিল যে, পুলিশের দুই সদস্যও সামান্য আহত হন।
বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে টহল জোরদার করা হয়েছে। এ বিষয়ে মোহনপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই মোদাস্সের হোসেন খাঁন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুলিশ বলছে, এই ভ্যানচালক হত্যার ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।