টেকনাফের বাহারছড়া পাহাড়ে অপহরণ আতঙ্ক: রোহিঙ্গা ডাকাতদের দৌরাত্ম্যে নিরাপত্তাহীনতায় স্থানীয়রা

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কাউছার উদ্দিন হৃদয়ঃ

টেকনাফের বাহারছড়া পাহাড়ি এলাকায় দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে অপহরণ আতঙ্ক। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ডাকাত চক্র এই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলকে নিরাপদ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা সুযোগ পেলেই সাধারণ মানুষকে অপহরণ করে এবং পরে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করছে। এই কারণে পুরো এলাকায় চরম অপহরণ আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলো জানায়, অপহরণের পর দ্রুত মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং সময়মতো টাকা দিতে না পারলে অপহৃতদের ওপর চালানো হয় নির্মম নির্যাতন। এতে করে স্থানীয় জনগণ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কৃষিকাজ, পাহাড়ে চলাচল এবং দৈনন্দিন জীবন সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যার মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই অপহরণ আতঙ্ক।

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত তৎপরতা থাকলেও পাহাড়ি দুর্গম ভূখণ্ডের কারণে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই সুযোগে অপরাধীরা বারবার একই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে, যা দিন দিন আরও বাড়িয়ে তুলছে অপহরণ আতঙ্ক। ফলে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে বসবাস করছে।

এ অবস্থায় এলাকাবাসী মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, পাহাড়ি এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা চৌকি স্থাপন, নিয়মিত যৌথ অভিযান পরিচালনা এবং অপহরণকারী চক্রকে দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা জরুরি। না হলে এই অপহরণ আতঙ্ক আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে এবং স্থানীয়দের জীবনযাত্রা সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

আরোও পড়ুন – ছাত্রলীগের দারা ছাত্রদল নেতাকর্মীদের উপর হামলা: সেন্টমার্টিনে উত্তেজনা

টেকনাফের বাহারছড়া পাহাড়ে অপহরণ আতঙ্ক: রোহিঙ্গা ডাকাতদের দৌরাত্ম্যে নিরাপত্তাহীনতায় স্থানীয়রা

এপ্রিল ১০, ২০২৬

কক্সবাজার প্রতিনিধি: কাউছার উদ্দিন হৃদয়ঃ

টেকনাফের বাহারছড়া পাহাড়ি এলাকায় দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে অপহরণ আতঙ্ক। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে রোহিঙ্গা ডাকাত চক্র এই দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলকে নিরাপদ ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহার করছে। তারা সুযোগ পেলেই সাধারণ মানুষকে অপহরণ করে এবং পরে মোটা অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করছে। এই কারণে পুরো এলাকায় চরম অপহরণ আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারগুলো জানায়, অপহরণের পর দ্রুত মুক্তিপণ দাবি করা হয় এবং সময়মতো টাকা দিতে না পারলে অপহৃতদের ওপর চালানো হয় নির্মম নির্যাতন। এতে করে স্থানীয় জনগণ চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে। কৃষিকাজ, পাহাড়ে চলাচল এবং দৈনন্দিন জীবন সম্পূর্ণভাবে ব্যাহত হচ্ছে, যার মূল কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এই অপহরণ আতঙ্ক।

স্থানীয় বাসিন্দারা আরও অভিযোগ করেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত তৎপরতা থাকলেও পাহাড়ি দুর্গম ভূখণ্ডের কারণে দ্রুত অভিযান পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। এই সুযোগে অপরাধীরা বারবার একই ধরনের ঘটনা ঘটাচ্ছে, যা দিন দিন আরও বাড়িয়ে তুলছে অপহরণ আতঙ্ক। ফলে সাধারণ মানুষ প্রতিনিয়ত ভয় ও অনিশ্চয়তার মধ্যে বসবাস করছে।

এ অবস্থায় এলাকাবাসী মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের দাবি, পাহাড়ি এলাকায় স্থায়ী নিরাপত্তা চৌকি স্থাপন, নিয়মিত যৌথ অভিযান পরিচালনা এবং অপহরণকারী চক্রকে দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা জরুরি। না হলে এই অপহরণ আতঙ্ক আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে এবং স্থানীয়দের জীবনযাত্রা সম্পূর্ণভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে।

আরোও পড়ুন – ছাত্রলীগের দারা ছাত্রদল নেতাকর্মীদের উপর হামলা: সেন্টমার্টিনে উত্তেজনা